শনিবার , ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ | ২রা বৈশাখ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. ক্যারিয়ার
  4. খেলাধুলা
  5. জাতীয়
  6. তরুণ উদ্যোক্তা
  7. ধর্ম
  8. নারী ও শিশু
  9. প্রবাস সংবাদ
  10. প্রযুক্তি
  11. প্রেস বিজ্ঞপ্তি
  12. বহি বিশ্ব
  13. বাংলাদেশ
  14. বিনোদন
  15. মতামত

‘অস্ত্র চোরাচালানে তারেকসহ বিএনপির মন্ত্রী-এমপিরা জড়িত ছিল’

প্রতিবেদক
bdnewstimes
ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৩ ৪:০৪ পূর্বাহ্ণ


স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

চট্টগ্রাম ব্যুরো: বিএনপি ভারতবর্ষে অশান্তি সৃষ্টির অপচেষ্টায় লিপ্ত ছিল বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাছান মাহমুদ। তিনি বলেন, বিএনপি’র মন্ত্রী-এমপি ও তারেক রহমান যে অস্ত্র চোরাচালানের সঙ্গে যুক্ত ছিল এটি অনুপ চেটিয়ার সাম্প্রতিক বক্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে। তারা দশ ট্রাক অস্ত্র পাচার করে ভারতর্ষেও অশান্তি সৃষ্টি করার জন্য অপচেষ্টায় লিপ্ত ছিল।

শুক্রবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) রাতে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে উন্নয়ন সমন্বয় সভার পূর্বে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

বাংলাদেশের মাটি ব্যবহার করে পার্শ্ববর্তী কোনো দেশে অশান্তি সৃষ্টি আওয়ামী লীগ সরকার চাইনা জানিয়ে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘গতবছর আমি ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলো সফরে গিয়েছিলাম। বিএনপি’র সময়ে হাওয়া ভবন এবং তারেক রহমানের পৃষ্ঠপোষকতায় অস্ত্র চোরাচালান হয়েছে। বর্তমানে যে বাংলাদেশের মাটি ব্যবহার করে সেগুলো হচ্ছে না, সেজন্য আসামের মুখ্যমন্ত্রী আমার কাছে কৃতজ্ঞতা জানিয়েছিলেন। শেখ হাসিনা সরকার গঠন করার পর ঘোষণা করেছিলেন বাংলাদেশের মাটি ব্যবহার করে পার্শ্ববর্তী কোন দেশে অশান্তি সৃষ্টি করা আমরা সহ্য করব না। সেই কারণে এ ধরনের চোরাচালান এবং অস্ত্র চোরাচালান পরিপূর্ণভাবে বন্ধ করা হয়েছে।’

বিএনপি দেশে একটা বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘শনিবার বিএনপি সারাদেশের জেলায় জেলায় বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে। এগুলো করে তারা আসলে দেশে একটি বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। ইতিপূর্বের কর্মসূচিতে তারা গাড়িঘোড়া পুড়িয়েছে। আমাদের শান্তি সমাবেশের ওপর হামলা চালিয়েছে। সরকারি দল হিসেবে আমাদের দায়িত্ব হচ্ছে জনগণের পাশে থাকা, দেশে যাতে কেউ শান্তি-শৃঙ্খলা নষ্ট করতে না পারে।’

বিএনপির সাম্প্রতিক কর্মসূচি প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, ‘আমরা কোনো পাল্টা কর্মসূচি দিচ্ছি না, কিন্তু যারা রাজনীতির নামে মানুষ পুড়িয়েছে, জীবন্ত মানুষ পুড়িয়ে হত্যা করেছে, জনগণের সহায় সম্পত্তিতে আগুন দিয়েছে তারা যে আবার কখন একই কাজ করবে সেটি বলা যায় না। তাই সমগ্র বাংলাদেশে আমরা আগামীকাল (শনিবার) প্রত্যেকটি জেলায় শান্তি সমাবেশ করব এবং সতর্ক দৃষ্টি রাখব যাতে কেউ বিশৃঙ্খলা তৈরি করতে না পারে। কারণ বিএনপি’র মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে একটি বিশৃঙ্খলা তৈরি করা।’

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘এই সন্ত্রাসী গোষ্ঠী যখন মাঠে নামে, তখন জনগণের জানমালের নিরাপত্তা বিধান করার জন্য বাধ্য হয়ে আমাদেরকেও মাঠে থাকতে হচ্ছে। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মাঠের রাজনীতির দল, আমরা বিরোধী দলে যখন ছিলাম তখন যেমন মাঠে ছিলাম, সরকারি দল হলেও মাঠের রাজনীতির দল হিসেবে সব সময় মাঠে আছি এবং থাকব।’

‘সংবিধানের দোহাই দিয়ে বিরোধী দলের রাজনীতির দমনের চেষ্টা করছে সরকার’- বিএনপি নেতা নজরুল ইসলাম খানের এমন বক্তব্যের বিষয়ে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘আমরা কোনো রাজনৈতিক দলের কর্মসূচি বা কোন দলকে দমানোর চেষ্টা করছি না। সেটি হলে তো বিএনপি কোন প্রোগ্রাম করতে পারত না। আমরা যখন বিরোধী দলে ছিলাম তখন আমাদের বঙ্গবন্ধু এভিনিউ’র কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের দুই পাশে কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে সেখান থেকে বের হতে দিত না।’

‘এমনকি আমাদের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে তারা তালা ঝুলিয়ে দিয়েছিল, সেখানে অভিযান চালিয়েছিল। কাউকে বের হতে দেয়নি। তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেত্রী, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সেখানে ছুটে যেতে হয়েছে। আমাদের কর্মীদেরকে তাদের পেটুয়া বাহিনী ও পুলিশ দিয়ে যে হামলা করেছিল সেখান থেকে উদ্ধারের জন্য, আমিও সেদিন সাথে ছিলাম। সেই ধরনের ঘটনা তো এখন ঘটে না’- বলেন তথ্যমন্ত্রী।

সারাবাংলা/আইসি/একে





Source link

সর্বশেষ - খেলাধুলা