সোমবার , ৪ এপ্রিল ২০২২ | ৬ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. ক্যারিয়ার
  4. খেলাধুলা
  5. জাতীয়
  6. তরুণ উদ্যোক্তা
  7. ধর্ম
  8. নারী ও শিশু
  9. প্রবাস সংবাদ
  10. প্রযুক্তি
  11. প্রেস বিজ্ঞপ্তি
  12. বহি বিশ্ব
  13. বাংলাদেশ
  14. বিনোদন
  15. মতামত

আবদুস সালাম স্মারক বৃত্তি পেলেন ঢাবির ৫ শিক্ষার্থী

প্রতিবেদক
bdnewstimes
এপ্রিল ৪, ২০২২ ৩:৪৪ অপরাহ্ণ


ঢাবি করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের পাঁচ শিক্ষার্থী পেয়েছেন সম্পাদক আবদুস সালাম স্মারক ট্রাস্ট ফান্ড বৃত্তি। সোমবার (৪ এপ্রিল) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের অধ্যাপক মুজাফফর আহমদ চৌধুরী মিলনায়তনে ‌আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই বৃত্তি প্রদান করা হয়।

‌অনুষ্ঠানে সম্পাদক আবদুস সালাম স্মারক ট্রাস্ট ফান্ড স্মরণিকা প্রকাশ করা হয়। এসময় সাংবাদিক মনজুরুল আহসান বুলবুল ‘সামাজিক সচেতনতা সৃষ্টিতে গণমাধ্যমের ভূমিকা’ শীর্ষক স্মারক বক্তৃতা উপস্থাপন করেন।

বৃত্তিপ্রাপ্তরা হলেন- মো. সোহাগ আলী, স্বপ্না পারভীন, মো. খোকন আলী, জোবায়ের আহম্মেদ ও মো. আব্দুল মালেক। প্রত্যেককে ১৫০০০ টাকা করে মোট ৭৫০০০ টাকা বৃত্তি দেওয়া হয়।

এছাড়া অনুষ্ঠানে অধ্যাপক শামসুল মজিদ হারুনকে আজীবন সম্মাননা দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ। আজীবন সম্মাননাপ্রাপ্ত অধ্যাপক শামসুল মজিদ হারুন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে ১৯৭৩ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত শিক্ষকতা করেন এবং চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ-এ অতিথি শিক্ষক হিসেবে কর্মরত আছেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান বলেন, যে প্রতিষ্ঠানের সঙ্গেই আমরা জড়িত থাকি না কেন, সেই প্রতিষ্ঠানের প্রতি আমাদের গভীর শ্রদ্ধাবোধ থাকতে হবে এবং সেই প্রতিষ্ঠান সংরক্ষণে সকলকে সহযোগিতা করা প্রয়োজন।

অধ্যাপক আবদুস সালাম ও এবিএম মূসার স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, নিজের প্রতিষ্ঠানের প্রতি ভালোবাসা, শ্রদ্ধাবোধ এক ধরনের বিশেষ মূল্যবোধ। এই মানুষগুলো তা-ই করেছেন। তারা যখন যে প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সংযুক্ত ছিলেন, সেগুলো সমৃদ্ধকরণে তারা অনন্যসাধারণ ভূমিকা রেখেছেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের চেয়ারম্যান ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য অধ্যাপক ড. আবুল মনসুর আহাম্মদ বলেন, গণমাধ্যম একটি সামাজিক প্রতিষ্ঠান। গণমাধ্যম সংগঠনগুলো একসময় ভীষণ ত্যাগী ভূমিকায় ছিল, প্রতিবাদী ভূমিকায় ছিল। তবে আজ কেন এত বিভক্তি? কেন নামের শেষে ‘একাংশ’, ‘ভগ্নাংশ’ লিখতে হয়? এটা তো থাকার কথা না। কেন তারা প্রতিবাদ করতে পারছে না?

গণযোগাযোগ ও সাংবাদিতা বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক রোবায়েত ফেরদৌসের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মমতাজউদ্দীন আহমেদ, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. জিয়া রহমানসহ অনেকে।

সারাবাংলা/আরআইআর/এসএসএ





Source link

সর্বশেষ - খেলাধুলা