রবিবার , ১৯ মে ২০২৪ | ৬ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. ক্যারিয়ার
  4. খেলাধুলা
  5. জাতীয়
  6. তরুণ উদ্যোক্তা
  7. ধর্ম
  8. নারী ও শিশু
  9. প্রবাস সংবাদ
  10. প্রযুক্তি
  11. প্রেস বিজ্ঞপ্তি
  12. বহি বিশ্ব
  13. বাংলাদেশ
  14. বিনোদন
  15. মতামত

‘আমেরিকার সঙ্গে সম্পর্ক দেখে বিএনপির মাথা খারাপ’

প্রতিবেদক
bdnewstimes
মে ১৯, ২০২৪ ৮:৪৮ পূর্বাহ্ণ


স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট

চট্টগ্রাম ব্যুরো: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চমৎকার সম্পর্ক দেখে বিএনপির মাথা খারাপ হয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদ।

শনিবার (১৮ মে) দুপুরে নগরীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে শেখ হাসিনার ৪৪তম স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় মন্ত্রী একথা বলেন। চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগ এ আলোচনা সভার আয়োজন করে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশে অত্যন্ত চমৎকার নির্বাচন হয়েছে। নির্বাচন যদি চমৎকার না হতো, তাহলে পৃথিবীর ৮০টা দেশের সরকার কিংবা রাষ্ট্রপ্রধান আমাদের প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানাতেন না। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট চিঠি লিখে অভিনন্দন জানিয়ে বলেছেন- আমরা বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে চাই। সর্বশেষ দুদিন আগে অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রীও আমাদের প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। এজন্য বিএনপির মাথা খারাপ হয়ে গেছে।’

যুক্তরাষ্ট্রের সহকারি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাম্প্রতিক সফরের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ককে এগিয়ে নিয়ে যাবার জন্য তিনি এ সফরে এসেছিলেন। আমার সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে কিভাবে সম্পর্ককে এগিয়ে নিয়ে যাব, সেটি নিয়ে তিনি কথা বলেছেন। এমনকি আমরা যদি কোনো কোনো ক্ষেত্রে কিছুটা রিফর্ম করি, তাহলে আমাদের জিএসপি সুবিধা ফিরিয়ে দেয়ার অভিপ্রায়ও ব্যক্ত করেছেন। বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দা থেকে কাটিয়ে ওঠার জন্য তাদের একটি বিশেষ তহবিল আছে। সেখান থেকে তারা সাহায্য করার কথাও বলেছেন।’

‘সুতরাং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক অত্যন্ত চমৎকার। আমরা সম্পর্ককে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে কাজ করছি। এজন্যই বিএনপির মাথাটা আরও বেশি খারাপ হয়ে গেছে।’

হাছান মাহমুদ বলেন, ‘নির্বাচনের আগে আমরা দেখেছি বিএনপি প্রতিদিন বিভিন্ন অ্যাম্বেসিতে ঘুরে বেড়াত আর দেন-দরবার করত, নির্বাচনটা যাতে বন্ধ করা যায়, কোন লাভ হয়নি। নির্বাচন হয়েছে, ৪২ শতাংশ মানুষ ভোট দিয়েছে। যদি নির্বাচনের দিন কুয়াশা এবং প্রচন্ড ঠান্ডা না থাকত তাহলে আরো বেশি মানুষ ভোট দিত।’

‘আর বিএনপি যদি নির্বাচন প্রতিহতের ঘোষণা না দিত, মানুষের ওপর হামলা, ট্রেনের মধ্যে শিশুসন্তানসহ পুরো পরিবারকে জ্বালিয়ে হত্যা না করত, তাহলে ভোটের হার ৬০ শতাংশের বেশি হতো। গত দু’তিন বছরে ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত অনেক দেশে নির্বাচন হয়েছে, সেখানে অনেক দেশে ৪০ শতাংশের কম ভোট পড়েছে, যদিওবা সেখানে নির্বাচনে বর্জন ও প্রতিহতের কোন হুমকি ছিল না।’

বিএনপিকে একটি জালিয়াত রাজনৈতিক দল উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আপনাদের মনে আছে গতবছর ২৮ অক্টোবর জো বাইডেনের ভুয়া উপদেষ্টাকে বিএনপি হাজির করেছিল। ভুয়া উপদেষ্টা যখন বিএনপি কার্যালয়ে, তখন দেখি শুধু ইংরেজি বলে। পুলিশ যখন ধরে নিয়ে গেল তখন দেখি গড়গড় করে বাংলা বলে।’

‘তার আগে বিএনপি কংগ্রেসম্যানদের সই জাল করেছিল। বলেছিল ভারতের অমিত শাহ ফোন করেছেন। অমিত শাহের অফিস থেকে বলা হলো তিনি কাউকে ফোন করেননি, যে আওয়াজ ছাড়া হয়েছিল সেটা অমিত শাহের নয়। দেশের উন্নয়ন অগ্রগতি দেখে বিএনপি ও তাদের দোসরদের মাথা খারাপ হয়ে গেছে। মাঝেমধ্যে দেখি জিএম কাদেরেরও মাথা খারাপ হয়ে যায়।’

বঙ্গবন্ধুর শাসনামলে খাদ্যসংকটের জন্য বর্তমান বিএনপি নেতা ড.আব্দুল মঈন খানের বাবা তৎকালীন খাদ্যসচিব আব্দুল মোমিন খানের ভূমিকা ছিল বলে অভিযোগ করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু যখন দেশ পরিচালনা করছিলেন, তখন মঈন খানের বাবা আবদুল মোমেন খান খাদ্যসচিব ছিলেন। খাদ্যবাহী জাহাজ ভারত মহাসাগর থেকে ফেরত যাবার পেছনে তার বাবার কারসাজি ছিল, যাতে দেশে খাদ্যসংকট তৈরি হয়। খাদ্যসংকট তৈরি করে বঙ্গবন্ধুকে অজনপ্রিয় করার ক্ষেত্রে আবদুল মোমেন খানের ভূমিকা ছিল।’

‘পুরস্কারস্বরূপ জিয়াউর রহমান ক্ষমতা দখল করার পর আবদুল মোমেন খানকে মন্ত্রীর মর্যাদায় খাদ্য উপদেষ্টা বানিয়েছিলেন। ৭৯ সালের নির্বাচনের পর আবদুল মোমেন খান সংসদে খাদ্যমন্ত্রী হিসেবে বক্তব্যে বলেছিলেন, খাদ্যের জন্য দরকার হলে দেশ বিক্রি করে দেব। ওনারই সন্তান মঈন খান,’ – বলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

নগর আওয়ামী লীগের সভাপতি মাহাতাব উদ্দিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় কেন্দ্রীয় ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন, নগর কমিটির সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দীন, সহ-সভাপতি ইব্রাহিম হোসেন চৌধুরী বাবুল, খোরশেদ আলম সুজন, আলতাফ হোসেন চৌধুরী, সম্পাদকমন্ডলীর সদস্য শফিক আদনান, শফিকুল ইসলাম ফারুক, শেখ ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী, চন্দন ধর, মশিউর রহমান বক্তব্য দেন।

সারাবাংলা/আরডি/এনইউ





Source link

সর্বশেষ - খেলাধুলা