রবিবার , ৭ জুলাই ২০২৪ | ১০ই শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. ক্যারিয়ার
  4. খেলাধুলা
  5. জাতীয়
  6. তরুণ উদ্যোক্তা
  7. ধর্ম
  8. নারী ও শিশু
  9. প্রবাস সংবাদ
  10. প্রযুক্তি
  11. প্রেস বিজ্ঞপ্তি
  12. বহি বিশ্ব
  13. বাংলাদেশ
  14. বিনোদন
  15. মতামত

‘কোটা আন্দোলন আমরা গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছি’

প্রতিবেদক
bdnewstimes
জুলাই ৭, ২০২৪ ২:১০ অপরাহ্ণ


স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: কোটা সংস্কার ও পেনশন স্কিম নিয়ে শিক্ষকদের আন্দোলন গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

রোববার (৭ জুলাই) সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপের সময় তিনি এসব কথা বলেন।

কোটা নিয়ে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন আর পেনশন স্কিম নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের আন্দোলন প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের জানান, আমরা গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছি। সময়মতো সমাধান হয়ে যাবে বলে আমি বিশ্বাস করি। শিক্ষার্থীরা যে ইস্যুতে আন্দোলন করছে এটাতো সরকারের সিদ্ধান্ত না, আদালত রায় দিয়েছে। এটা আদালতের এখতিয়ার।

তিনি বলেন, আমরাতো এ সিদ্ধান্ত দিইনি। দিয়েছে আদালত। তারপরেও আমাদের দেশের ব্যাপার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, আমরা পর্যবেক্ষণ করছি।

শিক্ষদের সঙ্গে তাদের যোগাযোগ আছে উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, তাদের সঙ্গে বসাবসি কখন হবে সেটা আমি এই মুহুর্তে বলতে পারছি না। সরকারি কর্মচারীদের সম্পদের হিসাব ইস্যুতে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, সম্পদের হিসাব দিতে পারে, এটা দেওয়া উচিত। এখানে আপত্তি কোথায়? আমি যদি সৎভাবে কাজ করি, হিসাব দিতে আপত্তি কি?

তিনি আরও বলেন, কমিশন, পার্সেন্টিজ এক সময় এখানে নিয়ম হিসেবে চালু ছিল। এসব পদোন্নতি ও ট্রান্সফার নিয়ে অনেক কথা ছিল। সময় হওয়ার আগে একজন প্রকৌশলী নিজের পছন্দমতো জায়গায় বদলি হয়ে যেতেন। এসব চর্চা বন্ধ করা হয়েছে। প্রধান প্রকৌশলী থেকে শুরু করে প্রকৌশলী পদে আসার জন্য এবং এখানে পদায়ন ও পদোন্নতির জন্য যে লেনদেন হতো, সেটা আমি মন্ত্রী হয়ে অনেক কথা শুনে, অনেক গল্প শুনে খুবই দুঃখ পেয়েছিলাম। এটা কেন হবে? আমি আমাদের বিশেষ করে বিআরটিএ এবং সড়ক ও মহাসড়ক, সবাইকে একটা কথা বলে দিয়েছি, কোনো রাজনৈতিক তদবিরে কাউকে বদলি করা যাবে না।

মন্ত্রী বলেন, বিআরটিএ এক সময় এমন ছিল যে এখানে লেনদেন হতো এবং বিনিময়ে প্রভাবশালীরাও তদবির করতেন। সেটা অনেকাংশে বন্ধ হয়েছে বলে আমার বিশ্বাস। তবে, বেশ কয়েকটি জেলায় বিআরটিএ’র অভ্যন্তরে কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারীর যোগসাজশে অপকর্ম হতে পারে। সরষের মধ্যে দালালের মতো ভুত যখন নিরাপদ আশ্রয় পায়, এসব বিষয় আমি আবারও মনে করে দিলাম।

তিনি আরও বলেন, আমি শুরু করেছিলাম, আমাদের অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করতে হবে। সর্বাধিক অগ্রাধিকার কোনটি? জনস্বার্থে কোন প্রকল্পটি আমাদের বাস্তবায়ন করা দরকার? সেটা সবার আগে দেখা উচিত। আমরা চলমান প্রকল্পগুলোর ওপরই গুরুত্ব দেব।

সারাবাংলা/জেআর/ইআ





Source link

সর্বশেষ - খেলাধুলা