মঙ্গলবার , ৫ ডিসেম্বর ২০২৩ | ১০ই ফাল্গুন, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ক্যারিয়ার
  5. খেলাধুলা
  6. জাতীয়
  7. তরুণ উদ্যোক্তা
  8. ধর্ম
  9. নারী ও শিশু
  10. প্রবাস সংবাদ
  11. প্রযুক্তি
  12. প্রেস বিজ্ঞপ্তি
  13. বহি বিশ্ব
  14. বাংলাদেশ
  15. বিনোদন

জাপার দাবি ৬০টি আসন, ১০ জন মন্ত্রী ও ডেপুটি স্পিকারের পদ

প্রতিবেদক
bdnewstimes
ডিসেম্বর ৫, ২০২৩ ১০:৩২ পূর্বাহ্ণ


আজমল হক হেলাল, স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: নানা সময়ে অনেক কথা বললেও দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনে শেষ পর্যন্ত জাতীয় পার্টি এককভাবে নির্বাচন করবে না। সরকারি দল আওয়ামী লীগের সঙ্গে অর্থাৎ মহাজোটের শরিক দল হিসেবে আসন সমঝোতার মধ্য দিয়ে নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা। তবে রাজনৈতিক কৌশল হিসেবে সমঝোতার বিষয়টি উহ্য রেখে আগামী সপ্তাহের মধ্যে আসন ভাগাভাগি চূড়ান্ত হতে পারে বলে জানা গেছে।

সূত্র জানায়, জাতীয় পার্টি সরকারি দলের কাছে ৬০টি আসন চাইতে পারে। এছাড়া মন্ত্রিপরিষদে ১০ জন সদস্য এবং জাতীয় সংসদে ডেপুটি স্পিকারের পদটিও দাবি করেছে তারা।

এর আগে, জাপার পক্ষ থেকে ১০০টি আসনের একটি তালিকা সরকারি দলের নীতি নির্ধারকদের কাছে দিয়েছে জাপা। তবে সরকারি দল জাতীয় পার্টিকে ৩০ থেকে ৩৫টি আসন দিতে পারে এমন আভাস পাওয়া গেছে।

সূত্র জানিয়েছে, জাতীয় পার্টির মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু ইতিমধ্যে ঘোষণা দিয়েছেন ‘জাতীয় পার্টি সাবালক’ হয়েছে; একক ভাবে নির্বাচন করবে। তবে মুজিবুল হক চুন্নুর এই বক্তব্য ‘রাজনৈতিক কৌশল’ বলে মন্তব্য করেছে দলের একাধিক প্রার্থী।

জাতীয় পার্টি সূত্র জানিয়েছে, আসন ভাগাভাগি নিয়ে জাতীয় পার্টির সঙ্গে সরকারি দলের মধ্যস্থতাকারীদের ইতিমধ্যে কয়েকদফা আলোচনা হয়েছে। জাতীয় পার্টি ৬০টি আসনের প্রস্তাব এবং মন্ত্রিপরিষদে ১০ জন সদস্য চেয়েছেন এবং ডেপুটি স্পিকার পদটি দেওয়ার দাবি করেছেন।

ডেপুটি স্পিকারের পদটি জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ ১৯৯৬ সালে সংসদে দাবি করেছিলেন। এবার তার ভাই জাপা চেয়ারম্যান জিএম কাদেরও এ ব্যাপারে সুস্পষ্ট ঘোষণা চাইছেন। তিনি গত অধিবেশনেও সংসদে ডেপুটি স্পিকার পদটি বিরোধী দলকে দেওয়ার জন্য তার বক্তব্যে তুলে ধরেছিলেন।

বিভিন্ন জেলার একাধিক প্রার্থী ও নেতার সঙ্গে আলোচনা করে জানা গেছে, জাতীয় পার্টির এককভাবে নির্বাচন করার শক্তি নেই। এককভাবে নির্বাচনে গেলে পার্টির ভরাডুবি হবে। তাদের মতে, সরকারি দলের সঙ্গে আসন সমঝোতার ভিত্তিতে নির্বাচন করলে জাতীয় পার্টির আসন আগের চেয়ে বাড়বে। জেলা পর্যায়ের নেতারা আসন সমঝোতার ভিত্তিতে নির্বাচন করার জন্য দলের নীতিনির্ধারকদের পরামর্শ দিয়েছেন।

জাতীয় পার্টির হেভিওয়েট প্রার্থী ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহামুদ, কাজী ফিরোজ রশিদ, সালমা ইসলাম, সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা ও দলের মহাসচিব মুজিবুল হকও সরকারি দলের সঙ্গে আসন ভাগাভাগি করে নির্বাচনের পক্ষে রয়েছেন। তাদের মতে, ‘সমঝোতা ছাড়া জাতীয় পার্টির নির্বাচন করার ক্ষমতা নেই।’

দলের একজন প্রেসিডিয়াম সদস্য নাম গোপন রাখার শর্তে বলেন, ‘আসন ভাগাভাগি নিয়ে জাতীয় পার্টির পক্ষ থেকে ১০০ আসনের একটি তালিকা সরকারি দলের নীতি নির্ধারকের কাছে দেওয়া হয়েছিল। সমঝোতার জন্য যেকোনো সময় সরকারি দলের পক্ষ থেকে ডাক আসতে পারে।’

সারাবাংলা/এএইচএইচ/এমও





Source link

সর্বশেষ - খেলাধুলা