সোমবার , ৫ ডিসেম্বর ২০২২ | ১৫ই মাঘ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ক্যারিয়ার
  5. খেলাধুলা
  6. জাতীয়
  7. তরুণ উদ্যোক্তা
  8. ধর্ম
  9. নারী ও শিশু
  10. প্রবাস সংবাদ
  11. প্রযুক্তি
  12. প্রেস বিজ্ঞপ্তি
  13. বহি বিশ্ব
  14. বাংলাদেশ
  15. বিনোদন

পাকিস্তানের পদলেহনকারী বলেই ১০ ডিসেম্বর বিএনপির খুব প্রিয়

প্রতিবেদক
bdnewstimes
ডিসেম্বর ৫, ২০২২ ৬:৪৯ পূর্বাহ্ণ


সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ১০ ডিসেম্বর বিএনপির খুব প্রিয় একটি তারিখ। পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর পদলেহনকারী-দোসর ছিল বলেই ১০ ডিসেম্বর নাকি তারা ঢাকা শহর দখল করবে? আর আওয়ামী লীগ সরকারকে উৎখাত করবে? তাদের বলে দিতে চাই, খালেদা খালেদা ১৯৯৬ সালে ১৫ ফেব্রুয়ারি জনগণের ভোট চুরি করে ক্ষমতায় এসেছিল। আর ভোট চুরি করে ক্ষমতায় এসেছিল বলেই তাকে বাংলাদেশের মানুষ মেনে নেয়নি। ওরা ভুলে গেছে। জনগণের ভোট যদি কেউ চুরি করে দেশের মানুষ মেনে নেয় না।

রোববার (৪ ডিসেম্বর) বিকেলে চট্টগ্রামের পলোগ্রাউন্ডে জেলা আওয়ামী লীগ ও মহানগর আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

স্থানীয় নেতাদের বক্তব্যের মাধ্যমে শুরু হয় জনসভা। বেলা সাড়ে ১২টার দিকে জনসভার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। তার আগে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক পরিবেশনা উপস্থাপন করেন শিল্পীরা। জনসভার প্রধান অতিথি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বেলা ৩টার পরে মঞ্চের দিকে আসেন। এরপর প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রামের উন্নয়নের জন্য বিভিন্ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। এরপর দোয়া মোনাজাতে শেষে মঞ্চে আসন গ্রহণ করেন। জনসভা মঞ্চে উঠে উপস্থিত নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে হাত নেড়ে অভিবাদন জানান। প্রায় ১১ বছর পর চট্টগ্রামে আওয়ামী লীগের জনসভায় উপস্থিত থাকলেন আওয়ামী লীগ সভাপতি বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা।

আওয়ামী লীগের সমাবেশ ঘিরে চট্টগ্রাম মহানগরীতে উৎসবমুখরর আমেজের সৃষ্টি হয়। পলোগ্রাউন্ড মাঠ থেকে শুরু করে শহরের বিভিন্ন সড়কে জনতার বিশাল উপস্থিতি হয়। পলোগ্রাউন্ড মাঠ জনতার মহাসমুদ্রে পরিণত হয়। জনসভা ঘিরে আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনী কঠোর নিরাপত্তা জোরদার করে।

সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চট্টগ্রামের ভাটিয়ারিতে বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমিতে (বিএমএ) রাষ্ট্রপতি কুচকাওয়াজ-২০২২-এ যোগদান করেন এবং সেখানে বক্তব্য রাখেন। সেখান থেকে দুপুরে হেলিকপ্টারে চট্টগ্রামের এম এ আজিজ স্টেডিয়ামে নামেন। স্টেডিয়াম থেকে গাড়িতে প্রধানমন্ত্রী পলোগ্রাউন্ডের জনসভায় যোগ দেন

১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর আত্মসমর্পণের কথা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সারেন্ডারের আগে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী বুদ্ধিজীবী হত্যা শুরু করে। ১০ ডিসেম্বর ইত্তেফাকের সাংবাদিক সিরাজুদ্দিন হোসেনকে তারা তুলে নিয়ে যায়। পিটিআই’র একজন সাংবাদিক ছিল নাজমুল হক তাকে তুলে নিয়ে যায়। এরকম বহুজনকে তুলে নিয়ে ১০ ডিসেম্বর থেকেই বুদ্ধিজীবী হত্যা শুরু করেছিল।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে বলতে হয়, সেই ১০ ডিসেম্বর বিএনপির খুব প্রিয় একটা তারিখ। বোধহয় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর পদলেহনকারী দোসর ছিল বলেই ১০ ডিসেম্বর নাকি তারা ঢাকা শহর দখল করবে? আর আওয়ামী লীগ সরকারকে উৎখাত করবে? আমি তাদের একটা কথা বলে দিতে চাই, খালেদা খালেদা ১৯৯৬ সালে ১৫ ফেব্রুয়ারি জনগণের ভোট চুরি করে ক্ষমতায় এসেছিল। আর ভোট চুরি করে ক্ষমতায় এসেছিল বলেই তাকে বাংলাদেশের মানুষ মেনে নেয়নি। সারা বাংলাদেশ ফুঁসে উঠেছিল। আমরা জনতার মঞ্চ করেছিলাম। খালেদা জিয়া বাধ্য হয়েছিল। ৩০ মার্চ অর্থ্যাৎ দেড় মাসও ইলেকশন যায়নি, খালেদা জিয়া পদত্যাগে বাধ্য হয়েছিল। সে কথা বিএনপির মনে রাখা উচিত। জনগণের ভোট যদি কেউ চুরি করে বাংলাদেশের মানুষ মেনে নেয় না।’

ভোট চুরি করে সরকারে এলে জনগণ তা মেনে নেয় না জানিয়ে জনতার উদ্দেশ্যে আওয়ামী লীগ সভাপতি আরও বলেন, ‘মেনে নেয় বলেন? মেনে নেয় না। ওরা তারা ভুলে গেছে। ওরা ভোট যেতে চায় না। ওরা ভাবে জিয়াউর রহমান যেমন জাতির পিতাকে হত্যা করে, সংবিধান লঙ্ঘন করে, সেনা আইন লঙ্ঘন করে ক্ষমতা দখল করেছিল ওদের ধারণা ওইভাবে তারা ক্ষমতায়…গণতান্ত্রিক ধারা তারা পছন্দ করে না।’

আজকে গণতান্ত্রিক ধারা আছে বলেই তো বাংলাদেশের উন্নয়ন হয়েছে। দীর্ঘদিন গণতন্ত্র আছে বলেই তো এদেশ এগিয়ে যাচ্ছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।

আজকে আপনাদের কাছে এই বিজয়ের মাসে আপনার জন্য উপহার নিয়ে এসেছি। কিছুক্ষণ আগে ২৯টি প্রকল্পের উদ্বোধন করেছি আর ছয়টা প্রকল্পের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেছি। বিজয়ের মোসে চট্টগ্রামবাসীর জন্য আমার উপহার বলেন প্রধানমন্ত্রী।

চট্টগ্রাম নগর উত্তর ও দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের আয়োজনে অনুষ্ঠিত সভার সভাপতিত্ব করছেন নগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী। সভার শুরুতে দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সংসদ সদস্য মোছলেম উদ্দিন চৌধুরী সভাপতিত্ব করার জন্য নাম প্রস্তাব করেন। তা সমর্থন করেন উত্তর জেলার সভাপতি এম এ সালাম। শুরুতে প্রয়াত নেতাদের স্মরণে দাঁড়িয়ে ১ মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

যৌথভাবে জনসভা সঞ্চালনা করেন চট্টগ্রাম নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দীন, উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ আতাউর রহমান ও দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান। আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের মধ্যে দলের সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, সভাপতিমন্ডলীর সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, কৃষিমন্ত্রী ড. আবদুর রাজ্জাক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদসহ অনেকে।

সারাবাংলা/এনআর/একে





Source link

সর্বশেষ - খেলাধুলা