শনিবার , ২৬ আগস্ট ২০২৩ | ৬ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. ক্যারিয়ার
  4. খেলাধুলা
  5. জাতীয়
  6. তরুণ উদ্যোক্তা
  7. ধর্ম
  8. নারী ও শিশু
  9. প্রবাস সংবাদ
  10. প্রযুক্তি
  11. প্রেস বিজ্ঞপ্তি
  12. বহি বিশ্ব
  13. বাংলাদেশ
  14. বিনোদন
  15. মতামত

বদলি হওয়ায় ভূঞাপুর থানার এসি টেলিভিশন ও সোফা খুলে নিলেন ওসি

প্রতিবেদক
bdnewstimes
আগস্ট ২৬, ২০২৩ ১১:৪৭ অপরাহ্ণ

মোঃ মশিউর রহমান,টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধিঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ফরিদুল ইসলাম বদলি হওয়ায় থানায় লাগানো এসি, টেলিভিশন, আইপিএস ও সোফা খুলে নিয়েছেন। আসবাবপত্রগুলো থানা থেকে তার কোয়ার্টারের সামনে রাখা হয়। এভাবে থানার জিনিসপত্র খুলে নেয়ার ঘটনায় আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। ইতিপূর্বেও তিনি তার বিভিন্ন কর্মকান্ডের জন্য সাংবাদিকদের সংবাদের শিরোনাম হয়েছেন। এদিকে এ ঘটনায় থানার সৌন্দর্যবর্ধনের জন্য যারা জিনিসগুলো উপহার দিয়েছেন তারা বিরূপ মন্তব্য করেছেন। স্থানীয়রা জানায়, গত শুক্রবার রাত ৯টার দিকে থানার পুলিশ সদস্য উদয় ও বহিরাগত আরিফ এবং ভ্যানচালকের সহায়তায় থানার এসব জিনিসপত্র খোলা হয়। এরপর সেগুলো থানা থেকে ভ্যানযোগে ওসির কোয়ার্টারে নেয়া হয়।

জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার স্বাক্ষরিত এক আদেশে ভূঞাপুর থানার ওসি ফরিদুল ইসলামকে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়। তার এই বদলির আদেশের পরের দিন শুক্রবার রাতে থানার এসি, টেলিভিশন, সোফা ও আইপিএস খুলে নেয়া হয়। নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক ব্যবসায়ীরা জানান, জিনিসপত্র ব্যক্তিগত কাউকে দেয়া হয় না। থানায় যে ওসি আসবেন তিনি ব্যবহার করবেন, এ জন্যই জিনিসপত্রগুলো কেনার জন্য টাকা দেয়া হয়েছিল। থানার পুলিশ সদস্য উদয় বলেন, ওসি স্যারের নির্দেশে এসব জিনিসপত্র খুলে নেয়া হয়েছে। এরপর সেগুলো ভ্যানযোগে ওসির কোয়ার্টারে রাখা হয়েছে।

নিকরাইল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভপতি জুরান মণ্ডল বলেন, ‘থানার সৌন্দর্যবর্ধন ও থানায় যিনি ওসি হিসেবে আসবেন তিনি যেন সুবিধাটা ভোগ করতে পারেন, সে জন্য বালুমহালের টাকা দিয়ে জিনিসপত্রগুলো দেয়া হয়েছে থানার স্বার্থে, কারও ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য নয়।শুনেছি তিনি সেগুলো খুলে নিয়ে যাচ্ছেন, এটা ঠিক না। তাকে ব্যক্তিগতভাবে দেয়া হয়নি, তার চেয়ারটাকে সম্মান দেয়া হয়েছে।’ ভূঞাপুর থানার ওসি (তদন্ত) মো. লুৎফর রহমান বলেন, ‘ওসির টাকায় কেনা জিনিসপত্র হলে তো তিনি নিতেই পারেন। এ বিষয়ে আমার কোনো মন্তব্য নেই।’

বদলি হওয়া ভূঞাপুর থানার ওসি ফরিদুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, ‘যেগুলো থানা হতে খোলা হয়েছে সেগুলো ব্যক্তিগত টাকা দিয়ে কেনা। সুতরাং সেগুলো আমি নিতেই পারি।’ টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার বলেন, ‘কারও অনুদানের টাকায় কিনে থাকলে সেগুলো ওসি নিতে পারেন না। যদি ব্যক্তিগত টাকায় কেনা হয়, তাহলে নিতে পারবেন। যদিও এ বিষয়ে কিছুই জানি না।

সর্বশেষ - খেলাধুলা