বুধবার , ২ আগস্ট ২০২৩ | ৯ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. ক্যারিয়ার
  4. খেলাধুলা
  5. জাতীয়
  6. তরুণ উদ্যোক্তা
  7. ধর্ম
  8. নারী ও শিশু
  9. প্রবাস সংবাদ
  10. প্রযুক্তি
  11. প্রেস বিজ্ঞপ্তি
  12. বহি বিশ্ব
  13. বাংলাদেশ
  14. বিনোদন
  15. মতামত

বৌদ্ধ মন্দিরে হামলা: ইউপি সদস্যসহ গ্রেফতার ২

প্রতিবেদক
bdnewstimes
আগস্ট ২, ২০২৩ ১:১৫ পূর্বাহ্ণ


স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট

চট্টগ্রাম ব্যুরো: তিন বছর আগে চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলায় বৌদ্ধ মন্দির ভাংচুরের ঘটনায় স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের এক সদস্যসহ দু’জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। এ ঘটনায় থানা পুলিশের দাখিল করা অভিযোগপত্রে বাদী অনাস্থা জানায়। এরপর পিবিআই তদন্তের দায়িত্ব পেয়ে দুজনকে গ্রেফতারের মধ্য দিয়ে মামলাটির গতি ফেরাতে সক্ষম হয়েছে।

সোমবার (৩১ জুলাই) রাতে লোহাগাড়ার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে দুজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলা পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার নাজমুল হাসান।

গ্রেফতার দুজন হলেন রবিউল ইসলাম রুবেল (৩৩) ও বশিরুল আলম শরীফ (৪৫)। এদের মধ্যে বশিরুল উপজেলার কলাউজান ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য। রবিউলের বাড়ি একই উপজেলার আমিরাবাদ গ্রামে।

২০২০ সালের ৩ মে ভোরে লোহাগাড়ার চরম্বা ইউনিয়নের বিবিরবিলা শান্তিবিহারে হামলা ও ভাংচুরের ঘটনা ঘটে। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, রাত ৩টার দিকে পুলিশ ও বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে আক্রমণাত্মক স্লোগান দিয়ে একটি মিছিল যায় শান্তিবিহারের সামনে। মিছিল থেকে ৪০ থেকে ৫০ জন যুবক বিহারে ঢুকে মূর্তি ভাংচুর করে। আসবাবপত্র তছনছ করে এবং বিহারের জানালা ও সীমানা প্রাচীর ভাংচুর করে। সকাল সোয়া ৭টার দিকে তারা গুলি ছুড়তে ছুড়তে চলে যায়।

এ ঘটনায় শান্তিবিহার পরিচালনা কমিটির সভাপতি জয়সেন বড়ুয়া বাদী হয়ে লোহাগাড়া থানায় মামলা দায়ের করেন। ওই মামলা তদন্ত শেষে লোহাগাড়া থানা পুলিশ ১৮ জনের নাম উল্লেখ করে অভিযোগপত্র দাখিল করে। কিন্তু মামলার বাদী এতে নারাজি আবেদন দাখিল করলে আদালত পিবিআইকে তদন্তের দায়িত্ব দেয়।

সূত্রমতে, লোহাগাড়া থানা পুলিশের তদন্তের সময় গ্রেফতার হওয়া তিন আসামি আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছিলেন। জবানবন্দিতে রুবেলের নাম থাকলেও অভিযোগপত্রে তাকে বাদ দেওয়া হয়।

এ অবস্থায় তদন্তের দায়িত্ব পাওয়া পিবিআই পুলিশ সুপার নাজমুল হাসান সারাবাংলাকে বলেন, ‘আমরা তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় হামলার সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত কয়েকজনকে শনাক্ত করি। এদের একজন ইউপি সদস্য বশিরুল, যাকে আমরা গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছি। এ ছাড়া দাখিল করা অভিযোগপত্রে যাদের ঠিকানা না পাওয়ায় আসামি করা যায়নি বলে উল্লেখ করা হয়েছে, এমন কয়েকজনের ঠিকানা বের করি। গ্রেফতার রুবেলকে ঠিকানা না পাওয়ায় আসামির তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছিল।’

মঙ্গলবার বিকেলে দুজনকে আদালতে হাজিরের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন পিবিআইয়ের এই কর্মকর্তা।

সারাবাংলা/আরডি/একে





Source link

সর্বশেষ - খেলাধুলা