বৃহস্পতিবার , ১৯ অক্টোবর ২০২৩ | ৩১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. ক্যারিয়ার
  4. খেলাধুলা
  5. জাতীয়
  6. তরুণ উদ্যোক্তা
  7. ধর্ম
  8. নারী ও শিশু
  9. প্রবাস সংবাদ
  10. প্রযুক্তি
  11. প্রেস বিজ্ঞপ্তি
  12. বহি বিশ্ব
  13. বাংলাদেশ
  14. বিনোদন
  15. মতামত

‘সৌরবিদ্যুতের জন্য ভূমি নয়, অভাব সরকারের সদিচ্ছার’

প্রতিবেদক
bdnewstimes
অক্টোবর ১৯, ২০২৩ ৪:৩০ পূর্বাহ্ণ


শিক্ষানবীশ প্রতিবেদক

চট্টগ্রাম ব্যুরো: সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে ভূমির অভাবকে শুধুই অজুহাত বলে মন্তব্য করে চট্টগ্রামে এক সেমিনারে বক্তারা বলেছেন, সরকারের সদিচ্ছা থাকলে সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন সম্ভব, যার মাধ্যমে জ্বালানি সংকটে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত হওয়া রোধ করা যাবে।

বুধবার (১৮ অক্টোবর) সকালে চট্টগ্রাম নগরীর জিইসি মোড়ে এক রেস্তোঁরায় ‘বাংলাদেশে সৌর বিদ্যুতের সম্ভাবনা: ভূমি স্বল্পতার অজুহাত ও বাস্তবতা’ শীর্ষক এক সেমিনার ও কর্মশালায় এ বক্তব্য উঠে আসে। পরিবেশবাদী দুটি সংগঠন বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা) ও ক্লিন এ সেমিনারের আয়োজন করে।

সেমিনারে বেলার প্রধান নির্বাহী সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, ‘দেশে বর্তমানে জ্বালানি সংকটের কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। বিদ্যুৎকেন্দ্রের অধিকাংশ পরিচালিত হয় জীবাশ্ম জ্বালানির মাধ্যমে, যা পৃথিবীর ওজন স্তরকে ধ্বংস করে দিচ্ছে। আগে সরকার থেকে বলা হতো, ঘন বসতিপূর্ণ দেশ হওয়ায় সোলার পাওয়ার প্ল্যান্ট স্থাপন করা দুরূহ। কিন্তু গবেষণায় দেখা যাচ্ছে, জায়গার অভাব নেই। সরকার ইচ্ছে করলেই শতভাগ পুনঃব্যবহারযোগ্য জ্বালানি উৎপাদন করা সম্ভব।’

সেমিনারে উত্থাপন করা গবেষণাপত্রে বলা হয়, চট্টগ্রাম বিভাগের ৮ জেলার পতিত খাস জমির মাত্র ৩২ শতাংশ ব্যবহার করে ১৪ হাজার ৯১৫ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব, যা বর্তমানে দেশের মোট বিদ্যুৎ চাহিদার প্রায় সমান। এ আট জেলায় মোট খাস জমির পরিমাণ ৭ লাখ ৯০ হাজার ৩৬১ একর। এর মধ্যে ৮৪ হাজার ১২৪ একর এখনও বরাদ্দ হয়নি, যা চাহিদা পেলেই জেলা প্রশাসন থেকে বরাদ্দ দেওয়া যেতে পারে।

এতে আরও বলা হয়, চট্টগ্রাম বিভাগের সাড়ে ৩২ শতাংশ পতিত খাস জমি অর্থাৎ ৩৫ হাজার ৩৫৬ একর জমিতে গ্রাউন্ড-মাউন্টেড সোলার পিভি স্থাপন করে কমপক্ষে ১৪ হাজার ৯১৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব।

সেমিনারে বক্তারা বলেন, শুধু খাস জমি নয়, কৃষকের পরিত্যক্ত জমি, অগভীর জলাশয়, রাস্তার এবং রেললাইনের পাশের জমিতেও সোলার পাওয়ার প্ল্যান্ট স্থাপন করা যায়। দেশে পুনঃব্যবহারযোগ্য জ্বালানি যত বেশি ব্যবহার করা হবে, পরিবেশ বিপর্যয় তত কম হবে।

সেমিনারে ক্লিন’র প্রধান নির্বাহী মেহেদী হাসান, চুয়েটের ইলেকট্রিক অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স বিভাগের অধ্যাপক ড. নূর মোহাম্মদ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বন গবেষণা ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মোশাররফ হোসেন, কাপ্তাই সোলার পাওয়ার প্ল্যান্টের সহকারি প্রকৌশলী জাহাঙ্গীর আলম, বিদ্যুৎ বিভাগের প্রকৌশলী সাঈদ পারভেজ, পরিবেশ অধিদফতরের জ্যেষ্ঠ রসায়নবিদ রুবাইয়েত সৌরভ বক্তব্য দেন।

সারাবাংলা/ওইউ/পিটিএম





Source link

সর্বশেষ - খেলাধুলা