মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:০৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কর্ণফুলীতে গভীর রাতে সরকারি গাছ কেটে জমি দখলের চেষ্টা বিএনপি নেতাসহ সংঘবদ্ধ চক্রের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তদন্তের নির্দেশ ইউএনওর জ্ঞানভিত্তিক বাংলাদেশ গড়তে নতুন প্রজন্মকে বইমুখী হতে হবে: খাদ্যমন্ত্রী প্রতিটি ইউনিয়নে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ইউনিট স্থাপন করা হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী হাতিয়ায় ২০০০ লিটার চোরাই ডিজেল ও মবিল জব্দ, গ্রেফতার ১ দিল্লিতে ছাত্রাবাসধসে নিহত বেড়ে ৬, আরও শিক্ষার্থী আটকা পড়ার শঙ্কা Taapsee Pannu On Not Being Offered More Big-Scale Films Post Dunki: ‘I Lag Behind In Contacts’ | Exclusive | Bollywood News ‘Pakistan cricket on a ventilator’: Shoaib Akhtar’s brutal verdict as ‘nothing’ is expected from squad | Cricket News রাজশাহীতে এদিন’র পত্রিকার প্রতিনিধি সম্মেলন যবিপ্রবি পদার্থবিজ্ঞান বিভাগে নিয়োগ ও পদোন্নতি জটিলতা, স্থবির একাডেমিক কার্যক্রম সংসদে ‘ট্রান্সফার অব প্রপার্টি বিল’ উত্থাপন, বিরোধীদলের ওয়াকআউট

‘অফিসিয়াল সিক্রেটস আইন সাংবাদিকদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়’

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: শনিবার, ২২ মে, ২০২১
  • ৪১৬ সময় দেখুন
‘অফিসিয়াল সিক্রেটস আইন সাংবাদিকদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়’


ডেস্ক রিপোর্ট:: যুদ্ধকালীন গুপ্তচরবৃত্তি রোধে করা অফিসিয়াল সিক্রেটস আইন সাংবাদিকদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। তা ছাড়া এ আইনটি সংবিধান এবং দুটি আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি ও সাংবাদিকরা এ মন্তব্য করেছেন। তারা বলছেন, সাংবাদিক রোজিনা ইসলামের বিরুদ্ধে করা মামলাটি ভুলে ভরা।

১০০ বছরের পুরনো অফিসিয়াল সিক্রেটস আইনের করা মামলায় দেশের ইতিহাসে এই প্রথম কেউ বিচারের মুখোমুখি। সাংবাদিক রোজিনা ইসলাম গ্রেপ্তারের পর কী আছে এই আইনে, কেনইবা পুরনো আইনটি এতটা প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠল তা নিয়ে চলছে আলোচনা-সমালোচনা।

আইনটি বিশ্লেষক করে বিশিষ্টজনরা বলছেন-যুদ্ধকালীন সময়ে গুপ্তচরবৃত্তি রোধে ব্রিটিশদের বানানো এ আইন শুধু সরকারি কর্মকর্তাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।

সিনিয়র সাংবাদিক মনজুরুল আহসান বুলবুল বলেন, জনস্বার্থে যদি আপনি কোনো তথ্য প্রকাশ করেন আপনি সরকারি কর্মকর্তা ও যে কেউ হন আপনাকে প্রটেকশন ব্যবস্থা দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। এ ছাড়া ফোজদারি দণ্ডবিধি ৫০১ ও ৫০২ ধারায় বলা হয়েছে, কোনো সাংবাদিক যদি অপরাধ করে থাকেন; তার বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট জারি হবে না। সমন জারি হবে।

অবসরপ্রাপ্ত একজন বিচারপতি বলছেন- আইনটি সংবিধানসহ অন্তত দুটি আইনের সঙ্গে সরাসরি সাংঘর্ষিক।

অবসরপ্রাপ্ত আপিল বিভাগের বিচারপতি এইচ এম শামসুদ্দিন মানিক বলেন, যে এজাহার আমি পত্রপত্রিকা দেখেছি। সেটা আইনের দৃষ্টিতে মোটেও টিকে না। মারাত্মক একটি ভুল করেছে, যার জন্য মামলা টিকবে না। সেটি হলো এ মামলায় এজাহার করতে এমন ব্যক্তিরা দ্বারা, যাকে রাষ্ট্র এজাহার করার ক্ষমতায় দিয়েছে।

তবে ভারত ও পাকিস্তানে এই আইনে যাদের সাজা হয়েছে তারা সবাই সরকারি কর্মকর্তা। ভারতের মন্ত্রিসভার গোপন নথি ফাঁসের অভিযোগে একজন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা হলেও আদালতে তা টিকেনি। দিল্লি হাইকোর্ট বলেছেন, নথি ফাঁস হলে সেটা গোপন আখ্যা দিয়ে সাংবাদিককে দোষী করা যায় না।

 

Print Friendly, PDF & Email



Source link

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর