রবিবার , ১২ নভেম্বর ২০২৩ | ৩০শে আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. ক্যারিয়ার
  4. খেলাধুলা
  5. জাতীয়
  6. তরুণ উদ্যোক্তা
  7. ধর্ম
  8. নারী ও শিশু
  9. প্রবাস সংবাদ
  10. প্রযুক্তি
  11. প্রেস বিজ্ঞপ্তি
  12. বহি বিশ্ব
  13. বাংলাদেশ
  14. বিনোদন
  15. মতামত

টাঙ্গাইলে একটানা ৪০দিন জামাতে নামাজ পড়ে ৩৩ জন শিশু পুরষ্কার পেল সাইকেল

প্রতিবেদক
bdnewstimes
নভেম্বর ১২, ২০২৩ ১১:২১ অপরাহ্ণ

মোঃ মশিউর রহমান,টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধিঃ টাঙ্গাইলে একটানা ৪০দিন জামাতে নামাজ আদায় করে ৩৩ জন শিশু পুরষ্কার পেল বাই সাইকেল। টাঙ্গাইল জেলা শহরের আদি টাঙ্গাইল ছাপড়া মসজিদ কর্তৃপক্ষ শিশু-কিশোরদের নামাজে আকৃষ্ট করতে বাইসাইকেল পুরষ্কারের ঘোষণা দিয়েছিলেন। ওই ঘোষণায় আকৃষ্ট হয়ে একটানা ৪০দিন জামাতে নামাজ পড়ে বাইসাইকেল পুরষ্কার জিতে নিয়েছে আদি টাঙ্গাইল এলাকার ৩৩ জন শিশু কিশোর। আদি টাঙ্গাইল বায়তুল আমান জামে মসজিদের (ছাপড়া মসজিদ) ইমাম ও খতিব মুফতি মোহাম্মদ ইসমাইল হোসাইনের উদ্যোগে ওই মসজিদের পরিচালনা কমিটি এ পুরষ্কার প্রদান করেছে। শিশু-কিশোরদেরকে নামাজের প্রতি আকৃষ্ট করে মসজিদমুখী করার লক্ষ্যে এমন উদ্যোগ সামাজিক-যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে। আদি টাঙ্গাইল বায়তুল আমান জামে মসজিদের উদ্যোগে এই আয়োজনকে এলাকার সবাই স্বাগত জানিয়েছেন। জানা যায়, মাস দেড়েক আগে মসজিদের ইমাম ঘোষণা দিয়েছিলেন ১৫ বছরের কম বয়সের কিশোররা যদি একটানা ৪০ দিন পাঁচ ওয়াক্ত জামাতের সাথে নামাজ আদায় করে তাহলে তাদের একটি করে বাইসাইকেল পুরষ্কার দেওয়া হবে। স্থানীয় ৩৩ কিশোর ওই আহ্বানে সারা দিয়ে পুরষ্কার জিতে নিয়েছে। নামাজে অংশ নেওয়া রুলীন রাহাত, শিমরোজ হাসান শিহাদ, সাবিদ হোসেন’সহ অনেকেই জানায়, শুধুমাত্র পুরষ্কারের জন্য নয় বরং মহান আল্লাহকে সন্তষ্ট করতেই তারা নামাজ আদায় করেছে। তবে পুরষ্কারের ঘোষণা দেওয়ায় নামাজের প্রতি তাদের আগ্রহটা আরও বেড়ে যায়। তারা ধারাবাহিকভাবে নামাজ আদায় করবে বলেও জানায়। মসজিদের ইমাম মোহাম্মদ ইসমাইল হোসাইন বলেন, মূলত কিশোরদের নামাজের প্রতি আগ্রহ এবং যাতে কিশোররা নামাজ সহি-শুদ্ধভাবে শিখতে পারে সেই উদ্দেশে টানা ৪০দিন জামাতের সাথে নামাজ পড়ার ঘোষণা দেওয়া হয়। ঘোষণার পর থেকে প্রায় ৭০ জন কিশোর মসজিদে নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত জামাতের সঙ্গে নামাজ আদায় করা শুরু করে। তারা ঠিকমত নামাজ আদায় করছে কিনা হিসাব রাখার জনপ্রতি ওয়াক্ত নামাজের পর হাজিরা নেওয়া হতো। যদি কেউ কোনো ওয়াক্তে অনুপস্থিত থাকতো তখন তার গণনা বন্ধ করে দেওয়া হতো। প্রতিযোগিতা চলাকালীন সময়ে তাদের শুধু নামাজই পড়ানো হয়নি। সঠিকভাবে নামাজ শিক্ষা ও নামাজ সম্পর্কে জরুরি মাসয়ালাও শেখানো হয়। নামাজের প্রতি মানুষকে আহ্বানের পাশাপাশি দ্বীনি ইসলাম সম্পর্কে শিক্ষা দেওয়া হয়েছে।
পুরষ্কার বিতরণকালে উপস্থিত ছিলেন, মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি মাওলানা মোসলেম উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন, কোষাধ্যক্ষ মোহাম্মদ ইছহাক উদ্দিন, কার্যকরী কমিটির সদস্য মুয়াজ্জিন হাফেজ মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন প্রমুখ।

সর্বশেষ - খেলাধুলা

আপনার জন্য নির্বাচিত