শুক্রবার , ৪ নভেম্বর ২০২২ | ২৬শে মাঘ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ক্যারিয়ার
  5. খেলাধুলা
  6. জাতীয়
  7. তরুণ উদ্যোক্তা
  8. ধর্ম
  9. নারী ও শিশু
  10. প্রবাস সংবাদ
  11. প্রযুক্তি
  12. প্রেস বিজ্ঞপ্তি
  13. বহি বিশ্ব
  14. বাংলাদেশ
  15. বিনোদন

টাঙ্গাইলে ভাসানীর অবরুদ্ধ ভিসিকে ৫২ ঘণ্টা পর মুক্ত করলো শিক্ষার্থীরা

প্রতিবেদক
bdnewstimes
নভেম্বর ৪, ২০২২ ৮:৫০ অপরাহ্ণ

মোঃ মশিউর রহমান,টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধিঃ টাঙ্গাইলে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অবরুদ্ধ ভিসিকে ৫২ ঘণ্টা পর মুক্ত করলো শিক্ষার্থীরা। অবরুদ্ধ দশা থেকে মুক্ত হয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে জুমার নামাজ আদায় করতে যায় মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (ভিসি)। প্রশাসনিক ভবনের সামনে এসে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে উপাচার্য ফরহাদ হোসেন বলেন, ‘আমি গর্বিত। এমন কিছু সন্তান পেয়েছি- যারা সত্য, ন্যায় এবং বাস্তবতা বুঝতে পেরেছে। শুক্রবার দুপুরে নিজ কার্যালয় থেকে বের হতে পেরেছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল শিক্ষার্থী শুক্রবার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে উপাচার্যকে নিয়ে মসজিদে গিয়ে নামাজ আদায় করে। ঘটনার বিবরণে জানা যায়, তৃতীয় শ্রেণির ২২ জনের চাকরি স্থায়ীকরণসহ ১৪ দফা দাবিতে ভিসিকে নিজ কার্যালয়ে বুধবার সকাল সোয়া ৯টা থেকে অবরুদ্ধ করেন তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারীরা। এ সময় থেকেই ভিসির কার্যালয়ের সামনে অবস্থান ধর্মঘট শুরু করেন তারা। এ বিষয়ে উপাচার্য (ভিসি) মো. ফরহাদ হোসেন জানান, ২০১৯ সালে তৎকালীন উপাচার্য তৃতীয় শ্রেণির ২২ জন কর্মচারীকে এডহক ভিত্তিতে নিয়োগ দিয়েছিলেন। এর মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন থেকে দুই দফায় ১৫টি পদের অনুমোদন পাওয়া গেছে। ওই ১৫ পদে নিয়োগ প্রক্রিয়া চলছে। এদিকে, ওই ১৫ পদের বিপরীতে ২২ জনকে নিয়োগ দেয়ার দাবি তুলেছে তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী সমিতি। কোনো লিখিত পরীক্ষা ছাড়া শুধু মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে চাকরি স্থায়ী করার দাবি তাদের। এ অবস্থায় বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার, প্রক্টর, শিক্ষক সমিতির নেতারা তাদের সঙ্গে কয়েক দফা আলোচনায় বসেন। কিন্তু দাবির বিষয়ে অনড় থাকে কর্মচারী সমিতি। শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শতাধিক শিক্ষার্থী মিছিল নিয়ে ভিসির কার্যালয়ে যায়। তারা দুর্নীতিমুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় গড়ার পক্ষে বিভিন্ন শ্লোগান দেয়। মিছিলটি উপাচার্যের কার্যালয়ে আসার পর সেখানে অবস্থান ধর্মঘটে থাকা কর্মচারীরা চলে যান। পরে শিক্ষার্থীরা তালা খুলে ভিসির কার্যালয়ে প্রবেশ করে ভিসিকে বাইরে আসার অনুরোধ জানায়। সে সময় ভিসি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বাইরে না এলেও দুপুরে ছাত্রদের সঙ্গে গিয়ে মসজিদে নামাজ আদায় করেন। মিছিল নিয়ে ভিসির কার্যালয়ে যাওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে মাহমুদুল হাসান দুলাল বলেন, ‘অযৌক্তিক কিছু দাবি আদায়ের জন্য তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারীরা ভিসি স্যারকে অবরুদ্ধ করে রাখে। এটা খুবই দুঃখজনক। যারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে আমরা তাদের উপযুক্ত শাস্তি চাই।’ নামাজ শেষে প্রশাসনিক ভবনের সামনে এসে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে উপাচার্য ফরহাদ হোসেন বলেন, ‘আমি গর্বিত। এমন কিছু সন্তান পেয়েছি- যারা সত্য, ন্যায় এবং বাস্তবতা বুঝতে পেরেছে। তোমাদের মতো সন্তানরা থাকলে এই বিশ্ববিদ্যালয় অনেক দূর এগিয়ে যাবে, এ দেশ অনেক দূর এগিয়ে যাবে।’ সামগ্রিক বিষয়ে তৃতীয় শেণির কর্মচারী সমিতির সভাপতি এসএম মাহফুজুর রহমান জানান, তাদের কর্মবিরতি এখনও অব্যাহত আছে। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তাদের আন্দোলন চলবে। তিনি বলেন, ‘ভিসি কার্যালয়ের বাইরে বের হতে আমরা কোনো বাধার সৃষ্টি করিনি। অবস্থান ধর্মঘট শুরুর পরই স্যারকে আমরা জানিয়েছিলাম, সকালে হাঁটা বা বিশেষ কোনো প্রয়োজন হলে তিনি কার্যালয়ের বাইরে বের হতে পারবেন। কিন্তু স্যার নিজ থেকেই বের হননি।

সর্বশেষ - খেলাধুলা