বুধবার , ২ নভেম্বর ২০২২ | ১৫ই মাঘ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ক্যারিয়ার
  5. খেলাধুলা
  6. জাতীয়
  7. তরুণ উদ্যোক্তা
  8. ধর্ম
  9. নারী ও শিশু
  10. প্রবাস সংবাদ
  11. প্রযুক্তি
  12. প্রেস বিজ্ঞপ্তি
  13. বহি বিশ্ব
  14. বাংলাদেশ
  15. বিনোদন

ফেসবুক ম্যাসেঞ্জারে ঝগড়া, এরপর ডেকে নিয়ে খুন

প্রতিবেদক
bdnewstimes
নভেম্বর ২, ২০২২ ৭:৩১ অপরাহ্ণ


স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট

চট্টগ্রাম ব্যুরো: সাত-আট জনের ‘কিশোর গ্যাং’, যাদের সবাই উঠতি বয়সের তরুণ ও যুবক। ফেসবুক-টিকটকে সরব, একসঙ্গে নানা ভিডিও বানিয়ে প্রচার করেন। একজনের কিশোরী প্রেমিকাকে ভাগিয়ে নিয়ে সম্পর্ক গড়ে তাদের মধ্যেই আরেকজন। কিন্তু ওই তরুণও ছাড়ার পাত্র নয়, সাড়া পাবার আশায় কিশোরীকে বারবার ফেসবুকের ম্যাসেঞ্জারে ‘টোকা’ দিতে থাকেন। বিরক্ত কিশোরী সেটা জানিয়ে দেয় প্রেমিককে। এ নিয়ে কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যদের মধ্যে শুরু হয় বিরোধ, ফেসবুকের মেসেঞ্জারে তুমুল ঝগড়া। সেই ঝগড়া শেষ পর্যন্ত ছুরিকাঘাতে কেড়ে নেয় এক প্রাণ।

খুনের ঘটনাটি ঘটেছে গত ৩১ অক্টোবর বিকেলে নগরীর বাকলিয়া থানার বলিরহাট ঘাটকূল এলাকায়। ঘটনার সঙ্গে জড়িত দু’জনকে গ্রেফতারের পর বুধবার (২ নভেম্বর) পুলিশ খুনের নেপথ্যের এসব তথ্য প্রকাশ করেছে।

নিহত রাকিবুল ইসলামের (২০) বাসা নগরীর চান্দগাঁও থানার খাজা রোডের কমিশনার গলিতে। স্থানীয় একটি মাদরাসার ছাত্র পড়তেন।

গ্রেফতার দু’জন হলেন- গোলাম কাদের হৃদয় (১৯) ও মো. সাকিব (২১)। তাদের বাসাও রাকিবুলের একই এলাকায়।

নগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি-দক্ষিণ) নোবেল চাকমা সারাবাংলাকে বলেন, ‘হৃদয়, সাবিক ও রাকিবুলসহ সাত থেকে আটজনের একটি এলাকাভিত্তিক কিশোর গ্যাং ছিলেন। এর মধ্যে রাকিবুলকে হত্যায় জড়িত ছিলেন হৃদয় ও সাকিবসহ পাঁচজন। আরও তিনজনকে গ্রেফতারে অভিযান চলছে। হৃদয় ও সাকিব হত্যাকাণ্ডের পর আনোয়ারা উপজেলায় এক আত্মীয়ের বাসায় গিয়ে আত্মগোপনে ছিলেন। তাদের অবস্থান শনাক্ত করে আমরা গ্রেফতার করেছি। চন্দনাইশ থেকে রাকিবুলকে খুনে ব্যবহৃত ছোরাটিও উদ্ধার করেছি।’

গ্রেফতার দু’জনকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তিনি জানান, কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা বিভিন্ন ধরনের ভিডিও করে তাদের টিকটক ও ফেসবুক গ্রুপে প্রচার করতেন। ফেসবুক-টিকটকের মাধ্যমেই রাকিবুলের সঙ্গে এলাকার ১৬ বছর বয়সী এক মেয়ের প্রেমের সম্পর্ক হয়। তবে সম্প্রতি ওই মেয়ে রাকিবুলের সঙ্গে বিচ্ছেদ ঘটিয়ে সাকিবের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলেন। তা-ও ফেসবুকের মাধ্যমেই।

কিন্তু রাকিবুল বারবার ফেসবুকের মেসেঞ্জারে মেয়েটির সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করতে থাকেন। বিষয়টি সাদ্দাম জানার পর কিশোর গ্যাংয়ের ফেসবুক মেসেঞ্জার গ্রুপে ৫-৭ দিন ধরে তাদের মধ্যে ঝগড়া চলছিল।

‘সাদ্দাম-হৃদয়সহ পাঁচজন মিলে রাকিবুলকে খুনের পরিকল্পনা করেন। সে-অনুযায়ী তাকে ডেকে নেওয়া হয় বাকলিয়ার বলিরহাট এলাকায়। সাদ্দাম তাকে পেছন থেকে ধাক্কা দিয়ে ঝগড়ার সূত্রপাত ঘটায়। ঝগড়ায় সাদ্দামের পক্ষে আরও চারজন যোগ দেন। একপর্যায়ে হৃদয় কাঠ দিয়ে রাকিবুলের মাথায় আঘাত করেন। সাদ্দাম পিঠে ও পেটে ছুরিকাঘাত করেন। এতে মৃত্যু হয় রাকিবুলের।’- বলেন এডিসি নোবেল চাকমা

বাকলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুর রহিম সারাবাংলাকে বলেন, ‘নিহত রাকিবুল যদি-ও মাদরাসায় পড়তেন, কিন্তু এরা সবাই পরিবারের অবাধ্য বখাটে হিসেবে এলাকায় পরিচিত। এলাকায় মারামারি করতেন তারা। গ্রেফতার সাকিবের বিরুদ্ধে চাঁন্দগাও থানায় মাদকের মামলা আছে। রাকিবুল খুনের ঘটনায় তার বাবার দায়ের করা মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে সাদ্দাম ও ‍হৃদয়কে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।’

সারাবাংলা/আরডি/ইআ





Source link

সর্বশেষ - খেলাধুলা

আপনার জন্য নির্বাচিত