শুক্রবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৬:১৬ পূর্বাহ্ন

বাঁশখালীতে পুলিশ-বিএনপি সংঘর্ষে ৩ মামলা

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: রবিবার, ২৮ আগস্ট, ২০২২
  • ২৭ সময় দেখুন
বাঁশখালীতে পুলিশ-বিএনপি সংঘর্ষে ৩ মামলা


স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট

চট্টগ্রাম ব্যুরো: চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলায় পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায় বিএনপির প্রায় ৪০০ নেতাকর্মীকে আসামি করে তিনটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি জাফরুল ইসলাম চৌধুরী, বর্তমান আহ্বায়ক আবু সুফিয়ান ও সদস্য সচিব মোস্তাক আহমেদসহ ৬৬ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

শুক্রবার (২৬ আগস্ট) রাতে বাঁশখালী থানার ৩ পুলিশ কর্মকর্তা বাদী হয়ে পৃথকভাবে মামলা তিনটি দায়ের করেন।

পুলিশের ওপর হামলা ও কর্তব্যকাজে বাধাদানের অভিযোগে উপ-পুলিশ পরিদর্শক (এসআই) গোলাম কিবরিয়া বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন। এস আই গোলাম মোস্তফা বাদী হয়ে বিশেষ ক্ষমতা আইনে আরেকটি মামলা দায়ের করেছেন। এছাড়াও পুলিশকে লক্ষ্য করে ককটেল বিস্ফোরণের অভিযোগে এসআই মো. শহীদ বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছেন।

বাঁশখালী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) এসএম আরিফুর রহমান সারাবাংলাকে বলেন, ‘পৃথকভাবে তিনটি মামলা দায়ের হয়েছে। প্রত্যেক মামলায় ৬৬ জনের নাম উল্লেখ করে ৩০০ থেকে ৪০০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে। ঘটনার পর সাতজনকে আটক করা হয়েছিল। তাদের এসব মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।’

শুক্রবার বিকেলে চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার পশ্চিম গুণাগরীতে বিএনপি নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের দফায় দফায় সংঘর্ষে অন্তত ৩০ জন আহত হন। এ সময় পুলিশ লাঠিচার্জের পাশাপাশি রাবার বুলেট নিক্ষেপ করে। আহতদের মধ্যে সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) ও বাঁশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ (ওসি) অন্তত ১৫ জন পুলিশ সদস্য আছেন।

বাঁশখালী উপজেলা বিএনপি পুকুরিয়া ইউনিয়নে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিলের ডাক দিয়েছিল। এই কর্মসূচির খবর পেয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা বাঁশখালীর প্রধান সড়কসহ বিভিন্ন ইউনিয়নে অবস্থান নিয়ে দুপুর থেকে সভা-সমাবেশ শুরু করে। এতে বিএনপি পুকুরিয়ায় কর্মসূচি বাতিল করে পশ্চিম গুণাগরীতে জাফরুল ইসলাম চৌধুরীর বাড়িতে সমাবেশ করে। জাফরুল ইসলাম চৌধুরী, আবু সুফিয়ানসহ জেলার জ্যেষ্ঠ্য নেতারা এতে বক্তব্য রাখেন।

সমাবেশ শেষে বিকেল ৪টার দিকে জাফরুল ইসলাম ও আবু সুফিয়ানের নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। মিছিল গ্রামীণ সড়ক ছেড়ে প্রধান সড়কে ওঠার সময় সেখানে পুলিশ তাদের ঘিরে রাখে। এরপর সংঘর্ষ শুরু হয়। বিকেল ৪টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দফায় দফায় সংঘর্ষ চলে।

সারাবাংলা/আরডি/এএম





Source link

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর