শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:২৯ অপরাহ্ন

সব ঘাঁটি গুটিয়ে ইরাক ছাড়ল মার্কিন বাহিনী

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৩০৪ সময় দেখুন
সব ঘাঁটি গুটিয়ে ইরাক ছাড়ল মার্কিন বাহিনী


দুই দশক পর ইরাকের ঘাঁটিগুলো থেকেও নিজেদের সমস্ত সৈন্য প্রত্যাহার করে নিয়েছে মার্কিন প্রশাসন। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) মধ্যপ্রাচ্যের দেশটি ছেড়েছেন সেখানে থাকা অবশিষ্ট মার্কিন সেনারা।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) ইরাকের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, সেপ্টেম্বরের শেষ দিন সব মার্কিন সেনা ইরাক ছাড়ার কথা থাকলেও একদিন আগেই সব সেনা প্রত্যাহার করে নেয় যুক্তরাষ্ট্র।

এদিকে সাড়ে চার হাজার আমেরিকান সৈন্যের প্রাণহানির পর দুই দশকের বেশি সময় ধরে চলা এই যুদ্ধের সমাপ্তিকে নিজেদের রাজনৈতিক বিজয় হিসেবে উদযাপন করছে তেহরান ও তার আঞ্চলিক মিত্ররা। তবে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের ফলে দেশটিতে বড় ধরনের নিরাপত্তা শূন্যতা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, মার্কিন সেনা চলে যাওয়ায় দেশটিতে নিরাপত্তা শূন্যতা তৈরি হতে পারে। যেখানে ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো আরও শক্তিশালী হতে পারে এবং পুনরুত্থানশীল ইসলামিক স্টেট (আইএস) আবারও সংগঠিত হওয়ার সুযোগ পেতে পারে।

অপরদিকে মার্কিন বাহিনীর প্রস্থানের ইরাকের সাধারণ মানুষের সমর্থন থাকলেও অনেকেই নিরাপত্তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন। তাদের মতে, আমেরিকার প্রশিক্ষণ ও অর্থায়নে পরিচালিত ইরাকি বাহিনী এখনো এককভাবে পুরো দেশের সুরক্ষা দিতে প্রস্তুত নয়।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের আমলে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের এই চুক্তি হলেও ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক লড়াই জারি রাখার মধ্যেই চূড়ান্তভাবে এই বিদায় সম্পন্ন করছে।

২০০৩ সালে ওই বাহিনী তৎকালীন প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেনকে ক্ষমতাচ্যুত করে এবং শিয়া নেতৃত্বাধীন সরকার প্রতিষ্ঠা করে। কয়েক বছর ধরে বিদ্রোহ দমন অভিযান চালায় তারা। প্রথমে সাদ্দাম-সমর্থকদের বিরুদ্ধে এবং পরে আল-কায়েদার বিরুদ্ধে লড়াই করে মার্কিন বাহিনী। এর পর দেশটিতে ব্যাপক অস্থিরতা ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়, যার ধারাবাহিকতায় ইসলামিক স্টেট বা আইএসের উত্থান ঘটে।





Source link

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর