মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ১০:২৭ অপরাহ্ন

সরকারি চাকরির ভাইভাতে নম্বর বৃদ্ধির প্রতিবাদে তিতুমীরে ছাত্রশক্তির মানববন্ধন

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ২৩১ সময় দেখুন
সরকারি চাকরির ভাইভাতে নম্বর বৃদ্ধির প্রতিবাদে তিতুমীরে ছাত্রশক্তির মানববন্ধন


সরকারি চাকরির নিয়োগ পরীক্ষায় লিখিত পরীক্ষার নম্বর কমিয়ে ভাইভা পরীক্ষার নম্বর বাড়ানোর প্রস্তাব বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন করেছে জাতীয় ছাত্রশক্তি সরকারি তিতুমীর কলেজ শাখা। এ সময় প্রস্তাবিত সিদ্ধান্ত থেকে অবিলম্বে সরে আসতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান সংগঠনটির নেতারা।

আজ বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টায় কলেজের প্রধান ফটকের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের অন্যতম সূচনা হয়েছিল বৈষম্যমূলক কোটা ব্যবস্থার বিরুদ্ধে আন্দোলনের মধ্য দিয়ে। বিগত সরকারের আমলে সরকারি চাকরি ও আমলাতন্ত্রে নিয়োগ-বাণিজ্য ও দলীয়করণের অভিযোগ ছিল। বর্তমানে লিখিত পরীক্ষার নম্বর কমিয়ে ভাইভার নম্বর অযৌক্তিকভাবে বাড়ানোর প্রস্তাবও নিয়োগ-বাণিজ্য ও দলীয়করণের সুযোগ তৈরি করতে পারে।

তারা বলেন, প্রস্তাবিত নিয়োগ বিধিমালা বাতিল করে শিক্ষার্থী ও জনগণের মতামতের ভিত্তিতে নতুন সিদ্ধান্ত নিতে হবে। একই সঙ্গে ভাইভা পরীক্ষার নম্বর কমিয়ে লিখিত পরীক্ষার নম্বর বাড়াতে হবে। নিয়োগপ্রক্রিয়ায় মেধা ও যোগ্যতাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ারও দাবি জানান তারা।

বক্তারা আরও বলেন, দাবি মেনে নেওয়া না হলে বৈষম্য ও নিয়োগ-বাণিজ্যের বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতাকে সঙ্গে নিয়ে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। দ্রুত প্রস্তাবটি বাতিল করে মেধাভিত্তিক ও স্বচ্ছ নিয়োগব্যবস্থা নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা।

তিতুমীর কলেজ শাখা জাতীয় ছাত্রশক্তির সদস্যসচিব আল নোমান নিরব বলেন, ‘লিখিত পরীক্ষার নম্বর কমিয়ে ভাইভা পরীক্ষার নম্বর বাড়ানোর প্রস্তাব আমরা মেনে নিতে পারি না। অতীতে ভাইভাকে কেন্দ্র করে দলীয়করণ ও অনিয়মের অভিযোগ আমরা দেখেছি। এই প্রস্তাব বাস্তবায়িত হলে মেধাভিত্তিক নিয়োগব্যবস্থা প্রশ্নবিদ্ধ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘প্রস্তাবটি এখনো গেজেটভুক্ত হয়নি এবং আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে ভেটিংয়ের জন্য অপেক্ষমাণ রয়েছে। তাই অনতিবিলম্বে এই প্রস্তাব বাতিল করে আগের নিয়োগ বিধিমালা বহাল করতে হবে। পাশাপাশি পিএসসি সংস্কার করে সম্পূর্ণ মেধাভিত্তিক ও স্বচ্ছ নিয়োগ নিশ্চিত করতে হবে।’

১২ থেকে ২০তম গ্রেডের চাকরির পরীক্ষা কেন্দ্রীয়ভাবে নেওয়ার দাবি জানিয়ে নিরব বলেন, ‘এসব পরীক্ষা একটি কেন্দ্রীয় ও নিরপেক্ষ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে নেওয়া হলে দুর্নীতি কমবে এবং গরিব ও মেধাবী শিক্ষার্থীরা চাকরির ক্ষেত্রে সমান সুযোগ পাবে।’





Source link

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর