শুক্রবার , ১৮ নভেম্বর ২০২২ | ২৬শে মাঘ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ক্যারিয়ার
  5. খেলাধুলা
  6. জাতীয়
  7. তরুণ উদ্যোক্তা
  8. ধর্ম
  9. নারী ও শিশু
  10. প্রবাস সংবাদ
  11. প্রযুক্তি
  12. প্রেস বিজ্ঞপ্তি
  13. বহি বিশ্ব
  14. বাংলাদেশ
  15. বিনোদন

৫৭তে চবি, বর্ণিল আয়োজনে উদযাপন

প্রতিবেদক
bdnewstimes
নভেম্বর ১৮, ২০২২ ৯:৪৪ অপরাহ্ণ


চবি করেসপন্ডেন্ট

চট্টগ্রাম ব্যুরো: পাহাড় ঘেরা ও সবুজের সমারোহে প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি দুই হাজার একশ একরের চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) ক্যাম্পাস। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে আয়তনে দেশের সবচেয়ে বৃহৎ এই ক্যাম্পাসে ইতিহাস, ঐতিহ্যে সমৃদ্ধ। নগরীর কোলাহল আর যান্ত্রিকতা থেকে ২২ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস।

শহর থেকে ক্যাম্পাসে আসা-যাওয়ার জন্য শিক্ষার্থীদের একমাত্র যাতায়াত বাহন রয়েছে শাটল ট্রেন। এছাড়াও ঋতুর পালাবদলে ক্যাম্পাসের প্রকৃতিও ঋতুর সঙ্গে তাল মিলিয়ে নতুনত্ব নিয়ে হাজির হয়। শাটলের এই ক্যাম্পাস আজ ৫৬ বসন্ত পেরিয়ে ৫৭ পা রেখেছে। এই বিশ্ববিদ্যালয় দিবসে দিনব্যাপি বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে মহাসমারোহে বর্ণিল আয়োজনে উদযাপিত হয়েছে।

এই উপলক্ষে সকাল সাড়ে ৯টায় টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বরে উপাচার্য অধ্যাপক ড. শিরীণ আখতার বেলুন-ফেস্টুন উড়িয়ে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন। এবং শান্তির প্রতীক পায়রা অবমুক্ত করা হয়। পরে সুসজ্জিত ব্যান্ড দলের সুরের মুর্ছনায় আনন্দ শোভাযাত্রা শুরু হয়ে বঙ্গবন্ধু চত্বরে এসে শেষ হয়। এরপর বঙ্গবন্ধু চত্বরে উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার এবং অতিথিদের সঙ্গে নিয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

৫৭তে চবি, বর্ণিল আয়োজনে উদযাপন

সকাল ১১ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের জারুলতলায় অনুষ্ঠান মঞ্চে উপাচার্য প্রধান অতিথি তথ্যমন্ত্রী ও চবি অ্যালামনাই ড. হাছান মাহমুদ, উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) বেনু কুমার দে সহ বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে ৫৭ তম চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের কেক কাটেন। এরপর আলোচনা সভা ও স্মৃতিচারণ অনুষ্ঠিত হয়।

প্রধান অতিথি বক্তব্যে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, আমি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্র। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় আমার হৃদয়ের মনিকোঠায় সবসময় সবুজ ও সতেজ। দেশের অন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে এই ক্যাম্পাস সবচেয়ে সুন্দর। এখানে যখন আসি তখন আমি স্মৃতিকাতর হয়ে যাই। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা শিক্ষা-গবেষণা, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিভিন্ন ক্ষেত্রে কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখেছেন। দেশ ও সমাজ গঠনে অপরিসীম ভূমিকা রেখে চলেছেন।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় বঙ্গবন্ধু চেয়ার বিশিষ্ট ইতিহাসবিদ অধ্যাপক ড. মুনতাসীর মামুন বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় অর্থ হলো এখানে বিভিন্ন মতের শিক্ষার্থী আসবে। তারা যুক্তির মাধ্যমে জীবনকে গড়ে তুলবে। বিশ্ববিদ্যালয় সবসময় প্রগতির কেন্দ্র। বিভিন্ন শাসকের সময় বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকরা রুখে দাঁড়িয়েছিল। আগে রাজনীতিবিদরা আসতেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে, এখন বিশ্ববিদ্যালয় যায় রাজনীতির কাছে। এইযে বদলটা হয়ে গেছে সেটি আমাদের জন্য শুভফল বয়ে আনেনি। এটা কিন্তু আমাদের মনে রাখা দরকার। উন্নয়নের ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যা করেছেন বাংলাদেশে অন্যকেউ তা করেন নি। তিনি আধুনিক বাংলাদেশের ভিত্তি রচনা করে দিয়েছেন।

সভাপতির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড.শিরীণ আখতার বলেন, দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ চট্টগ্রাম বিশ্বিদ্যালয় হলো জ্ঞান-গবেষণার অন্যতম তীর্থস্থান। দেশে বহুমাত্রিক দক্ষতা সম্পন্ন যোগ্য ও আলোকিত মানবসম্পদ তৈরীতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে। এই ধারা অব্যাহত রাখতে সততা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার নিরিখে কাজ করে যাচ্ছে।

অনুষ্ঠানে সহকারী প্রক্টর মরিয়ম ইসলাম সঞ্চালনায় সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. শিরীণ আখতার। এছাড়াও বক্তব্য রাখেন, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) প্রফেসর বেনু কুমার দে, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এলামনাই এসোসিয়েশনের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রীর সাবেক মুখ্য সচিব আবদুল করিম, সাধারণ সম্পাদক চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রির প্রেসিডেন্ট মাহবুবুল আলম। আলোচনা সভায় প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় বঙ্গবন্ধু চেয়ার বিশিষ্ট ইতিহাসবিদ প্রফেসর ড. মুনতাসীর মামুন।

অনুষ্ঠানে অনলাইনে যুক্ত হয়ে বক্তব্য দেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সিনিয়র সচিব এন এম জিয়াউল আলম পিএএ, চবি সাবেক উপ-উপাচার্য ও উপাচার্য (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. মো আলাউদ্দিন, চট্টগ্রাম মহানগর মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোজাফফর আহমেদ, সাবেক চাকসু ভিপি মাজহারুল হক শাহ ও নাজিম উদ্দিন। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিশ্বিবদ্যালয়ের প্রক্টর ও ৫৭তম বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উদযাপন কমিটির সদস্য-সচিব অধ্যাপক ড. রবিউল হাসান ভূঁইয়া।

অনুষ্ঠানে চবি সিনেট ও সিন্ডিকেট সদস্য, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, শিক্ষক সমিতি, রেজিস্ট্রার, কলেজ পরিদর্শক, বিভিন্ন হলের প্রভোস্ট, বিভাগীয় সভাপতি, ইনস্টিটিউট ও গবেষণা কেন্দ্রের পরিচালক, ছাত্র-ছাত্রী পরামর্শ ও নির্দেশনা’র পরিচালক, আইকিউএসি’র অতিরিক্ত পরিচালক, আইসিটি সেলের পরিচালক ও সহকারী পরিচালক, প্রক্টরিয়াল বডি, শিক্ষক, অফিস প্রধান, অফিসার সমিতি, কর্মচারী সমিতি, কর্মচারী ইউনিয়ন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এলামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীরাসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

সারাবাংলা/সিসি/এনইউ





Source link

সর্বশেষ - খেলাধুলা