শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:২৮ অপরাহ্ন

গলাচিপায় শিশু সন্তান ও বৃদ্ধ বাবাকে মারধর, মামলা করে বিপাকে প্রবাসী নারী

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: বৃহস্পতিবার, ২৩ জুন, ২০২২
  • ২১৬ সময় দেখুন
গলাচিপায় শিশু সন্তান ও বৃদ্ধ বাবাকে মারধর, মামলা করে বিপাকে প্রবাসী নারী


সজ্ঞিব দাস, গলাচিপা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি ::

পটুয়াখালীতে শিশু সন্তান ও বৃদ্ধ বাবার উপর হামলার ঘটনায় মামলা করে নিরাপত্তা হীনতায় ভুগছে এক প্রবাসী নারী। সংশ্লিষ্ট থানায় মামলা হওয়ার পরে আসামীরা আদালত থেকে জামিন নিয়ে বাদী মোসাঃ আজমিন কাজীর উপর হামলা করেছে। শুধু তাই নয়, ওই রাতে তাদের গ্রামের বাড়ীতেও হামলার প্রস্তুতি নিয়েছে অভিযুক্তরা।

পরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়ন করে বাদীর গ্রামের বাড়ীতে নিরাপত্তা দিয়েছে গলাচিপা থানার পুলিশ। পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার পানপট্টি এলাকায় এমন ঘটনা ঘটে। বুধবার পটুয়াখালী প্রেসক্লাবে হাজির হয়ে এমন অভিযোগ করেন সিঙ্গাপুরে থাকা প্রবাসী ওই নারী। প্রবাসী আজমিন কাজী বলেন, গত ১৭ জুন তার শিশু পুত্র আলিফ স্কুলে যাওয়ার সময় দেখতে পায় তাদের একটি গরু প্রতিবেশি মো. এনায়েত সওদাগর জোর করে নিয়ে যাচ্ছে। এসময় আলিফ কারন যানতে চাইলে এনায়েত গং আলিফকে এলোপাথারি ভাবে কিলঘুষি মারে। এ দৃশ্য আজমিন’র বৃদ্ধ পিতা সেরাজ কাজী দেখে এগিয়ে আসলে তাকেও মারধর করে এনায়েত। তাদের ডাক-চিৎকারে বৃদ্ধ মা মোসাঃ জোসনা বেগম বাড়ী থেকে আসলে তাকেও মারধর করেন এনায়েত। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় আহত সেরাজ কাজী ও তার সন্তান আলিফকে গলাচিপা স্বাস্থ্য কমেপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

এ ঘটনায় ১৮ জুন এনায়েত সহ তিন জনকে আসামী করে গলাচিপা থানায় মামলা করে প্রবাসী আজমিন।

আজমিন বলেন, তিনি দুই মাসের ছুটিতে দেশে এসেছেন। প্রবাসী হওয়ার তার তিন শিশু সন্তানকে তার বৃদ্ধ বাবা-মায়ের কাছে রাখতে হচ্ছে। গত ৫ জুন তিনি দেশে এসেছেন। এদিকে মঙ্গলবার (২১ জুন) গলাচিপা সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত থেকে জামিন নেয় অভিযুক্তরা। ওই দিন বিকালে আদালতের কাজ শেষ করে বাদী আজমিন মোটরসাইকেল যোগে বাড়ী ফিরছিলেন। বাড়ী পৌঁছানোর পূর্বে মুরাদনগর ব্রীজ এলাকা অতিক্রমকালে এনায়েত সওদাগরসহ ৪-৫ যুবক আজমিনের উপর হামলা করে টানা হেচড়া করে পড়নের পোশাক ছিড়ে ফেলে। এসময় মো. মাসুদ রানা নামে একজন বিক্রয় প্রতিনিধি ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে আজমিনকে উদ্ধার করে মোটরসাইকেল যোগে পটুয়াখালী পৌঁছে দেন।

ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে মাসুদ রানা বলেন, তিনি কোম্পানীর কাজ শেষ করে রাঙ্গাবালী উপজেলা থেকে পটুয়াখালীর দিকে ফিরছিলেন। মুরাদনগর পৌছাতে দেখেন ৪-৫ যুবক এক নারীকে টানা হেঁচড়া করছে। এসময় মাসুদ সে দৃশ্য মোবাইলে ধারনের প্রস্তুতি নিলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।

অপরদিকে বুধবার বিকালে পুন:রায় অভিযুক্ত ব্যক্তিরা আজমিনের বাড়ীতে গিয়ে তার বৃদ্ধ বাবাকে বিভিন্ন ভাবে ভয়-ভীতি দেখিয়েছেন বলে মোবাইল ফোনে জানায় সে।

এ প্রসঙ্গে গলাচিপা থানার অফিসার ইনচার্জ শওকত আনোয়ার বলেন, ঘটনা শুনে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু অভিযুক্তরা গা ঢাকা দেয়। এর আগে অভিযুক্তদের ধরতে অভিযান চালিয়েছে পুলিশ, কিন্তু পায়নি।



Source link

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর