রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:০১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ফোন নম্বর ছাড়াই হোয়াটসঅ্যাপ: আসছে ‘ইউজারনেম’ সুবিধা চুয়েটের নতুন উপাচার্যকে লাল কার্ড শিক্ষার্থীদের, দেয়ালে প্রতিবাদী গ্রাফিতি অপুষ্টির কারণে হামে বাড়ছে জটিলতা: স্বাস্থ্যমন্ত্রী Avengers: Endgame Returns With A Bang! Encore Release Opens At Rs 7 Crore | Hollywood News Ex-India captain Asunta Lakra leads protest against Hockey India officials | Hockey News শেখ হাসিনাকে রাজনৈতিকভাবে পুনর্বাসনের ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে: রিজভী কালিয়াকৈরে পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিরতা করার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ ও সমাবেশ জাতিসংঘ নিখুঁত নয়, তবে অপরিহার্য: ড. খলিলুর প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে প্রহসনের নজির স্থাপন করেছে সরকার: নাহিদ ইসলাম জাতিসংঘের প্রতিরোধমূলক সক্ষমতা বাড়ানোর আহ্বান বাংলাদেশের

গৃহ বধু থেকে ব্যবসায়ী

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: শুক্রবার, ৩১ ডিসেম্বর, ২০২১
  • ৭৬৬ সময় দেখুন
গৃহ বধু থেকে ব্যবসায়ী

আমি সুলতানা আক্তার সুমি, ডাক নাম সুমি।
আমি ছোট বেলা থেকেই পড়াশোনা, খেলাধুলা সবকিছুতেই এগিয়ে। খুবই দুরন্ত ছিলাম! যেহেতু ছাত্রী ভালো ছিলাম, তাই স্বপ্ন ছিলো একজন প্রাইমারীর শিক্ষক হবো। কিন্তু এতো তাড়াতাড়ি যে বিয়ে হয়ে যাবে তা স্বপ্নেও ভাবিনি।
২০১১ সালের ফেব্রুয়ারীর ১১ তারিখ বিয়ে হয়, মাত্র ১৪+ বছর বয়সে। তখন আমি মাত্র দশম শ্রেণিতে পড়ি।
সবাই ভাবছিলো আমার লেখা পড়া এখানেই শেষ কিন্তু না, ভাগ্য আমার সহায় ছিলো।
শশুর শাশুড়ী, স্বামী পড়াশোনার ব্যাপারে আগ্রহী,, আমিও সুযোগটা কাজে লাগালাম, চালিয়ে গেলাম পড়াশোনা।
এভাবে পড়াশোনার মধ্যেই একটা বেবি নিলাম।
বেবিও বড়ো হচ্ছে, এদিকে পড়াশোনাও শেষ পর্যায়ে!
কি করা যায়! একটা জব করার খুব ইচ্ছে কিন্তু আমি চেয়েছিলাম বেবিকে সাথে নিয়ে কিছু একটা করবো, এমন কিছু একটা করতে হবে যেন বেবিকে চোখের সামনেই রাখা যায়। তখন দেখলাম অনেকেই অনলাইন বিজনেস করছে, বাসায় বসে, ফ্যামিলিতে সময় দিয়ে।
ব্যাপারটাতে আমি বেশ আগ্রহী হলাম কিন্তু কিভাবে শুরু করবো বুঝতে পারছিলাম না।
হাজবেন্ড কে বললাম সাপোর্ট পেলাম না। তখন আমার এক চাচাতো ননদ মেশক আরা শিশু আপুর সাথে কথা হলো,, তখন আপু আমাকে হেল্প করলো। একটা অনলাইন পেইজ খুললাম ছেলের নামে Sami’s fashion world. আমি কাজ শুরু করেছিলাম প্রথমে বাটিক ড্রেস নিয়ে তারপর ধীরে ধীরে আইটেম বাড়ালাম।
এখন আমার উদ্যোগে রয়েছে, ওয়ান পিস কুর্তি, শাড়ি, বোরকা, থ্রি পিস, শাল আরও অনেক কিছু। যখন শুরু করেছি, তখন
আমার একটা এন্ড্রয়েড ফোন ও ছিলো না মিশু আপু কিনে দিলো।

সে আমার হাজবেন্ড কে বুঝালো, ধীরে ধীরে হাজবেন্ড ও বুঝলো, এখন পরিবারের সবাই সাপোর্ট করে আলহামদুলিল্লাহ।
বিজনেস যখন স্টার্ট করেছিলাম আমার বিজনেস সম্পর্কে ধারণা ছিলো শূন্যের কোঠায়। তবে ঘাটতে ঘাটতে শিখেছি, আলহামদুলিল্লাহ এখন আমি মোটামুটি একটা পর্যায়ে আসতে পেরেছি।
তবে লাইফ থেকে সবচেয়ে বড়ো একটা শিক্ষা পেয়েছি সেটা হচ্ছে লেগে থাকা।
তুমি যে কাজই করো মন দিয়ে করো, জাস্ট লেগে থাকো, ফল একদিন আসবে ইনশাআল্লাহ।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর