শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:৪০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কালিয়াকৈরে শিল্পাঞ্চল পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলনের পর অনেকটায় স্বাভাবিক কর্ণফুলীতে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস সিজন-২-এর উদ্বোধন ডেঙ্গুতে আরও ৩ মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১৫৩৫ অধ্যক্ষকে ক্যাম্পাসে অবাঞ্ছিত ঘোষণা, শিক্ষার্থীদের ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম ইরান, গাজা, ইউক্রেনের জন্য মধ্যবর্তী নির্বাচনে ট্রাম্পের পরাজয়ের মানে কী Ramayana Box Office Collection Day 1: Ranbir Kapoor, Yash’s Film Mints Rs 64.85 Crore On Opening Day | Bollywood News ‘Ordinary bowler’: Ex-India captain slams CSK’s ‘confusing’ trade, says SRH are the real winners | Cricket News শিল্পকারখানায় অস্থিরতা সৃষ্টিতে পলাতক আ.লীগের ইন্ধন রয়েছে: রিজভী মইজ্জ‍্যারটেকে আবাসিক হোটেলের আড়ালে দেহ ব্যবসার অভিযোগ ‎শ্যামনগরে লবণাক্ততা নিরসন ও কৃষি অভিযোজনবিষয়ক প্রশিক্ষণ ও পরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত

চবিতে নিয়োগ নিয়ে বিতর্ক, তদন্তের আশ্বাস প্রশাসনের

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৫২৪ সময় দেখুন
চবিতে নিয়োগ নিয়ে বিতর্ক, তদন্তের আশ্বাস প্রশাসনের


চবি: চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) বিগত দেড় বছরে হওয়া নিয়োগ কার্যক্রম ঘিরে তীব্র বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। স্বল্প সময়ে বিপুল সংখ্যক নিয়োগ দেওয়া হলেও এর স্বচ্ছতা, নীতিমালা অনুসরণ এবং জবাবদিহিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন সংশ্লিষ্টরা।

সদ্য বিদায়ী উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইয়াহ্‌ইয়া আখতারের আমলে সম্পন্ন হওয়া এসব নিয়োগকে কেন্দ্র করেই মূলত বিতর্কের সূত্রপাত।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৬ সালের মার্চ পর্যন্ত সময়ে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী মিলিয়ে মোট ৪২৫ জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়। অল্প সময়ে এমন ব্যাপক নিয়োগই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে।

অভিযোগ রয়েছে, মাত্র পাঁচটি সিন্ডিকেট সভার মাধ্যমে এসব নিয়োগ অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, যেখানে গড়ে প্রতি সভায় প্রায় ৮৫ জনের নিয়োগ পাস হয়েছে। দ্রুত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সাপ্তাহিক ও জাতীয় ছুটির দিনেও সভা আয়োজন করা হয়েছে বলেও জানা গেছে। এ ছাড়া, নিয়োগ বোর্ড গঠন ও নীতিমালায় পরিবর্তনের মাধ্যমে নির্দিষ্ট প্রার্থীদের সুবিধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

স্বজনপ্রীতির অভিযোগও এই বিতর্ককে আরও উসকে দিয়েছে। প্রশাসনের ঘনিষ্ঠদের পরিবারের সদস্যদের নিয়োগ পাওয়া, কিছু ক্ষেত্রে প্রয়োজন না থাকা সত্ত্বেও শিক্ষক নিয়োগ এবং যোগ্যতার মানদণ্ড শিথিল করার অভিযোগ সামনে এসেছে।

এদিকে, এসব অভিযোগের প্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) একাধিকবার নিয়োগ প্রক্রিয়া স্থগিতের নির্দেশ দেয়। পাশাপাশি দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) বিষয়টি তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দিয়েছে।

নিয়োগের বিষয়ে সদ্য বিদায়ী উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইয়াহ্‌ইয়া আখতারের বক্তব্য জানতে একাধিক ফোনকল করা হলেও বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

তবে বর্তমান প্রশাসন বলছে, পূর্ববর্তী সময়ের নিয়োগ নিয়ে ওঠা অভিযোগগুলো গুরুত্বসহকারে খতিয়ে দেখা হবে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-ফোরকান বলেন, ‘পূর্বে অনেকগুলো নিয়োগ হয়েছে। নিয়োগগুলো খতিয়ে দেখা হবে। অনিয়মের প্রমাণ মিললে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’





Source link

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর