রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:১১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
Aditya Dhar And Yami Gautam Leave Mumbai, Move Permanent Base To Himachal Pradesh: Report | Bollywood News EXCLUSIVE | Asian Games gold done, Neeru Dhanda eyes Olympic shotgun medal to end wait since Rajyavardhan Rathore’s 2004 silver | Asian Games 2026 News রাজশাহীতে ‘অপ-সাংবাদিকতা’ বন্ধে ব্যবস্থা চেয়ে ভূমিমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা ‘আজও কীভাবে ওসি লোকমান চাকরিতে আছেন’—প্রশ্ন সাবেক ছাত্রনেতা বিপ্লবের শ্যামনগরে সুন্দরবন প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদকের বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও প্রাণনাশের হুমকি আলেমদের সমাজের দায়িত্বও নিতে হবে: শফিকুর রহমান কর্ণফুলীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে মশক নিধন, পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও র‍্যালি অনুষ্ঠিত কমলনগরে শ্বশুরবাড়িতে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ, আত্মহত্যা নাকি হত্যা? দীর্ঘ বিরতির পর ‘ফেরা’য় ফিরল বাকৃবি মিউজিক্যাল রেজিমেন্ট হুতিদের বিরুদ্ধে ইয়েমেনে ১ লাখ সেনা পাঠানোর পরিকল্পনা সৌদি আরবের

টানা ৪০ দিন মসজিদে নামাজ আদায়: শিশুদের হাতে পুরস্কার হিসেবে সাইকেল তুলে দিল

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ২৪০ সময় দেখুন
টানা ৪০ দিন মসজিদে নামাজ আদায়: শিশুদের হাতে পুরস্কার হিসেবে সাইকেল তুলে দিল

নোয়াখালী প্রতিনিধি : কৈশোরের দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে থাকা একদল শিশু-কিশোরকে মসজিদমুখী করতে এক ব্যতিক্রমী উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন । টানা ৪০ দিন জামাতে নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করায় এলাকার ২০ জন শিশুকে পুরস্কার হিসেবে নতুন বাইসাইকেল উপহার দেওয়া হয়েছে।

শুক্রবার আসরের নামাজের পর নোয়াখালী পৌরসভার খন্দকার পাড়া জামে মসজিদের প্রাঙ্গণে এক আনন্দঘন ও উৎসবমুখর পরিবেশে এই পুরস্কার তুলে দেন পৌরসভার মেয়র পদপ্রার্থী আলহাজ্ব হারুন অর রশিদ। এ সময় শিশুদের পদচারণায় এবং অভিভাবকদের উপস্থিতিতে পুরো মসজিদ চত্বর এক অন্যরকম প্রাণচাঞ্চল্য রূপ নেয়।

মেয়র পদপ্রার্থী আলহাজ্ব হারুন অর রশিদ বলেন, বর্তমান প্রজন্মের শিশুরা যেন আধুনিক প্রযুক্তির অপব্যবহার থেকে দূরে থাকে এবং শৈশব থেকেই ধর্মীয় অনুশাসন, শৃঙ্খলা ও নৈতিক শিক্ষার মধ্যে বড় হয়ে ওঠে সেই ভাবনা থেকেই এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করাছি। টানা ৪০ দিন পাঁচ ওয়াক্ত মিস না করে মসজিদে এসে জামাতে নামাজ পড়ার এই শর্ত ৭০ জন থেকে ২০ জনকে যাচাই-বাছাই শেষে বিজয়ী শিশুদের হাতে এই বাহন তুলে দেওয়া হয়।

পুরস্কার হাতে পাওয়া শিশুদের চোখে-মুখে ছিল উচ্ছ্বাসের ঝিলিক। আনন্দিত এক শিশু জানায়, প্রথম কিছুদিন সকালের ফজর ও এশার নামাজে উঠতে একটু কষ্ট হতো। কিন্তু এখন নিয়মিত মসজিদে আসার অভ্যাস হয়ে গেছে। সাইকেল পেয়ে আমার খুব আনন্দ হচ্ছে।

স্থানীয়রা এমন মহতী উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে তারা বলেন, এ ধরনের ইতিবাচক প্রতিযোগিতামূলক কার্যক্রম সমাজে কিশোরদের নৈতিক চরিত্র গঠনে এবং সৎপথে চলতে গভীর প্রভাব ফেলবে। শুধু পুরস্কার প্রাপ্তরা নয়, বরং তাদের দেখাদেখি এলাকার অন্যান্য শিশু-কিশোররাও আগামীতে মসজিদে নিয়মিত হবে বলে আশা প্রকাশ করেন।

পরে দোয়া ও মোনাজাতের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানটির সমাপ্তি ঘটে দেশের শান্তি, সমৃদ্ধি এবং শিশুদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করা হয়।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর