রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৩১ পূর্বাহ্ন

ঢাবিতে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় ছাত্রদলের বিক্ষোভ

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ২৮০ সময় দেখুন
ঢাবিতে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় ছাত্রদলের বিক্ষোভ


ঢাকা: বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) এলাকায় দুই জায়গায় তিনটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় প্রতিবাদ জানিয়ে বিক্ষোভ মিছিল করেছে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১১টার দিকে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল বের করে। মিছিলটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে টিএসসির রাজু ভাস্কর্যের সামনে গিয়ে শেষ হয়।

মিছিলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি গণেশ চন্দ্র রায় সাহস, সাধারণ সম্পাদক নাহিদুজ্জামান শিপন, সাংগঠনিক সম্পাদক নাসিরুদ্দিন শাওনসহ বিশ্ববিদ্যালয় ও হল পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় তারা ‘লীগ ধর, জেলে ভর’, ‘সন্ত্রাসীদের ঠিকানা, এই ক্যাম্পাসে হবে না’, ‘হৈ হৈ, রই রই, ছাত্রলীগ গেলি কইসহ বিভিন্ন স্লোগান দেয়।

মিছিল শেষে সমাবেশে ঢাবি ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাহিদুজ্জামান শিপন বলেন, ‘বাংলাদেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে যারা সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিল সেই সন্ত্রাসীদের ১৭ ও ১৮ জুলাই এই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাটি থেকে ছাত্র-জনতা বিতাড়িত করেছে। সর্বশেষ এই সন্ত্রাসীদের মাতা খুনি হাসিনাকে এ দেশের মানুষ ৫ আগস্ট নির্বাসনে পাঠিয়ে দিয়েছে। যাদের এ দেশের ছাত্র-জনতা লাল কার্ড দেখিয়ে নির্বাসনে পাঠিয়েছে তাদের বাংলাদেশের জনগণ রাজনীতিতে প্রত্যাবর্তনের সুযোগ দেবে না।’

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের একজন নেতাকর্মীর শরীরে একবিন্দু রক্ত থাকা পর্যন্ত সন্ত্রাসীদের বাংলাদেশে রাজনীতি করার ন্যূনতম সুযোগ দেওয়া হবে না।’ কর্মীদের সতর্ক করে শিপন বলেন, ‘আমাদের কাছে খবর আছে, ছাত্রলীগের কর্মীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে অস্থিতিশীল করার জন্য কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। এদের বিরুদ্ধে সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে। এদের বিষ দাঁত উপড়ে ফেলতে হবে।’

এদিকে, রাত সাড়ে ১২টার দিকে ক্যাম্পাসে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনার প্রতিবাদ ও ঘটনার তদন্তের দাবিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরের সঙ্গে দেখা করেন ছাত্রসংগঠন ‘জাতীয় ছাত্রশক্তি’র নেতারা। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে তারা ৩ দফা দাবি জানায়। দাবিগুলো হলো-

১. অবিলম্বে সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে হামলাকারী ও পরিকল্পনাকারীদের চিহ্নিত করতে হবে।
২. নিষিদ্ধ সন্ত্রাসী সংগঠন ছাত্রলীগের এখনো যেসব কর্মী ছদ্মবেশে ক্যাম্পাসে অবস্থান করছে তাদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নিতে হবে।
৩. ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা জোরদার করে অবিলম্বে শিক্ষার্থীদের জন্য শতভাগ নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।





Source link

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর