রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:০০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ফোন নম্বর ছাড়াই হোয়াটসঅ্যাপ: আসছে ‘ইউজারনেম’ সুবিধা চুয়েটের নতুন উপাচার্যকে লাল কার্ড শিক্ষার্থীদের, দেয়ালে প্রতিবাদী গ্রাফিতি অপুষ্টির কারণে হামে বাড়ছে জটিলতা: স্বাস্থ্যমন্ত্রী Avengers: Endgame Returns With A Bang! Encore Release Opens At Rs 7 Crore | Hollywood News Ex-India captain Asunta Lakra leads protest against Hockey India officials | Hockey News শেখ হাসিনাকে রাজনৈতিকভাবে পুনর্বাসনের ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে: রিজভী কালিয়াকৈরে পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিরতা করার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ ও সমাবেশ জাতিসংঘ নিখুঁত নয়, তবে অপরিহার্য: ড. খলিলুর প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে প্রহসনের নজির স্থাপন করেছে সরকার: নাহিদ ইসলাম জাতিসংঘের প্রতিরোধমূলক সক্ষমতা বাড়ানোর আহ্বান বাংলাদেশের

নন্দীগ্রাম নিয়ে হাইকোর্টে মমতা

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: শুক্রবার, ১৮ জুন, ২০২১
  • ৩১২ সময় দেখুন
নন্দীগ্রাম নিয়ে হাইকোর্টে মমতা


আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রামে নিজের একসময়ের সহচর শুভেন্দু অধিকারীর কাছে পরাজয়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে উচ্চ আদালতের শরণাপন্ন হয়েছেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গণনায় কারচুপিসহ একাধিক অভিযোগ তুলে তিনি ভারতের হাইকোর্টে পিটিশন দায়ের করেছেন।

ভারতীয় গণমাধ্যমগুলোর খবর বলছে, বৃহস্পতিবার (১৭ জুন) এই পিটিশন দায়ের করেন মমতা। শুক্রবার (১৮ জুন) স্থানীয় সময় সকাল ১১টার দিকে (বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে ১১টা) আদালতে এর শুনানি হতে পারে।

পশ্চিমবঙ্গের এবারের বিধানসভা নির্বাচনে অন্যতম আলোচিত ছিল নন্দীগ্রামে মমতা-শুভেন্দুর লড়াই। ভোটের দিন ফলগণনার সময়ও এই আসনটি নিয়ে নাটকীয়তা কম হয়নি। একের পর এক কেন্দ্র থেকে যখন ফল আসছিল, একবার মমতা এগিয়ে যাচ্ছিলেন তো আরেকবার এগিয়ে যাচ্ছিলেন শুভেন্দু। একপর্যায়ে নির্বাচন কমিশন মমতাকে ১২শ ভোটে জয়ী ঘোষণা করে। পরে জানা যায়, গণনায় জটিলতার কারণে ভুল হয়েছে। প্রকৃতপক্ষে জয়ী হয়েছেন শুভেন্দু।

আরও পড়ুন-

নন্দীগ্রাম নিয়ে হাইকোর্টে মমতা

নির্বাচনি কর্মকর্তার শেষ ঘোষণা অনুযায়ী নন্দীগ্রামে শুভেন্দু ১ লাখ ১০ হাজার ৭৬৪ ভোট পেয়ে জয়ী হন। মমতা পেয়েছিলেন ১ লাখ ৮ হাজার ৮০৮ ভোট। দু’জনের ভোটের ব্যবধান মাত্র ১ হাজার ৯৫৬।

রাজ্যে জিতে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে আরেক মেয়াদ নিশ্চিত হলেও নিজের আসনে পরাজয়, তাও নিজেরই সাবেক সহচরের কাছে— সেটি মেনে নিতে পারেননি। ফল ঘোষণার পরপরই ক্ষুব্ধ মমতা জানিয়েছিলেন, কারচুপি হয়েছে। তিনি আদালতে যাবেন। নির্বাচনের পর তৃণমূলের সরকার গঠনের প্রায় দেড় মাস পর এসে তিনি গেলেন আদালতে।

আনন্দবাজারের খবরে বলা হয়েছে, বিধানসভা নির্বাচনের ফলগণনার সময়ে দুই ঘণ্টার জন্য সার্ভার চলে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছিল। এ নিয়ে বার বার প্রশ্ন তুলেছে তৃণমূল। এর মধ্যে একবার মমতাকে বিজয়ী ঘোষণার পর শুভেন্দুকে চূড়ান্ত বিজয়ী ঘোষণার ঘটনাটিকে ভালো চোখে দেখেনি তারা।

তৃণমূলের সাংসদ সৌগত রায় বলেছেন, মুখ্যমন্ত্রী আগেই বলেছিলেন গণনা নিয়ে তার অভিযোগ আছে। সঙ্গে অন্যান্য অভিযোগ আছে। নিয়ম মেনেই মুখ্যমন্ত্রী দেড় মাসের মধ্যে পিটিশনটি জমা দিয়েছেন। ২ মে ভোটের ফলাফল বেরিয়েছে। ১৭ জুন দেড় মাসের মেয়াদ শেষ হয়েছে। তার আগেই মুখ্যমন্ত্রী পিটিশন দায়ের করায় শুক্রবার থেকে মামলা শুরু হয়ে যাচ্ছে।

পশ্চিমবঙ্গের বিরোধী দল বিজেপি অবশ্য বলছে, মমতার উচিত ছিল নির্বাচন কমিশনের ফল মেনে নেওয়া। দলের মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মনের কোণের গোপন ব্যথা প্রকাশ হয়েছে আদালতে যাওয়ার ফলে। একসময় ভারতবর্ষের সবচেয়ে ছোট দলের সাংসদ দেবেগৌড়া প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন। তখন সবচেয়ে বড় দল ছিল বিরোধী দলে। এটিই ভারতীয় গণতন্ত্রের উৎকর্ষ। এটা মেনে নেওয়া উচিত। ভারতীয় গণতন্ত্রের নিয়ম মেনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হেরেও মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন। অন্যদিকে, শুভেন্দু জিতেও বিরোধী দলের নেতা হয়েছেন। এটাই গণতন্ত্রের নিয়ম। এটা মেনে নেওয়া উচিত।

সারাবাংলা/টিআর





Source link

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর