রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:০৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :

পিরোজপুরে প্রাথমিক শিক্ষকের বিরুদ্ধে অসদাচরণের অভিযোগে তদন্ত কমিটি গঠন

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬
  • ৬১ সময় দেখুন
পিরোজপুরে প্রাথমিক শিক্ষকের বিরুদ্ধে অসদাচরণের অভিযোগে তদন্ত কমিটি গঠন

পিরোজপুর প্রতিনিধি:
পিরোজপুর সদর উপজেলার ৭৭ নম্বর করিমুন্নেছা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক দোলা সর্বণের বিরুদ্ধে অসদাচরণ, অনিয়ম ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির প্রধান করা হয়েছে ভান্ডারিয়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বদিউজ্জামানকে। কমিটির অন্য দুই সদস্য হলেন জিয়ানগর উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নুরুল আমিন সিকদার ও কাউখালী উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম। তবে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অসুস্থতাজনিত ছুটিতে থাকায় এখনো তদন্ত কার্যক্রম শুরু হয়নি।

গত ১৪ অক্টোবর ভান্ডারিয়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে জারি করা এক চিঠিতে তদন্ত কমিটি গঠনের বিষয়টি জানানো হয়।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শিপ্রা রানী মণ্ডল তদন্ত কমিটি গঠনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, সহকারী শিক্ষক দোলা সর্বণের বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাচারিতা, অনিয়ম ও অসদাচরণের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে এ কমিটি গঠন করা হয়েছে। তিনি অসুস্থতাজনিত ছুটিতে থাকায় তদন্ত কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হয়নি। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার সঙ্গে আলোচনা হয়েছে আগামী সপ্তাহে তদন্ত কার্যক্রম শুরু করা হবে।

তদন্ত কমিটির প্রধান ও ভান্ডারিয়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. বদিউজ্জামান রোববার (১ নভেম্বর) গণমাধ্যমকে বলেন, সহকারী শিক্ষক দোলা সর্বণের বিরুদ্ধে প্রধান শিক্ষক ও অন্য শিক্ষকদের সঙ্গে অসদাচরণ, অনিয়ম ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ তদন্তের জন্য এ কমিটি গঠন করা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক চিকিৎসাজনিত ছুটিতে ছিলেন। তিনি প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পেয়েছেন। প্রধান শিক্ষক সুস্থ হয়েছেন বলে শুনেছেন। শিগগিরই তদন্ত কার্যক্রম শুরু করা হবে।

পিরোজপুর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. আনিসুর রহমান বলেন, সহকারী শিক্ষক দোলা সর্বণের বিরুদ্ধে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকসহ আটজন শিক্ষকের আনা কয়েকটি অভিযোগ তদন্তে এ কমিটি গঠন করা হয়েছে। প্রধান শিক্ষক অসুস্থ থাকায় তদন্ত কার্যক্রম এগোয়নি। তিনি সুস্থ হলে এ বিষয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

এ বিষয়ে জানতে সহকারী শিক্ষক দোলা সর্বণের সঙ্গে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। প্রথমবার তিনি পরে কথা বলবেন বলে জানান। পরবর্তী সময়ে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর