শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০২:২৪ পূর্বাহ্ন

মইজ্জ‍্যারটেকে আবাসিক হোটেলের আড়ালে দেহ ব্যবসার অভিযোগ

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬
  • ১৩১ সময় দেখুন
মইজ্জ‍্যারটেকে আবাসিক হোটেলের আড়ালে দেহ ব্যবসার অভিযোগ

বেলায়েত হোসেন, কর্ণফুলী (চট্টগ্রাম) :

চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলার মইজ্জ‍্যারটেকে রাফা আবাসিক হোটেল ব‍্যবসার আড়ালে দেহ ব‍্যবসার অভিযোগ উঠেছে। এতে যুব সমাজে নৈতিক চরিত্র অবক্ষয়ের আশঙ্কা প্রকাশ করছে স্থানীয় জনসাধারণ। অন‍্যদিকে স্কুল-কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের নিয়ে উদ্বেগে থাকেন অভিভাবকেরা।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) রাতে চট্টগ্রামের মইজ্জ‍্যারটেক রাফা আবাসিক হোটেল থেকে পরপুরুষের সাথে রাত্রি যাপনে আসা এক নারীকে আটক করে কর্ণফুলী থানা পুলিশ ।

সূত্রে জানা যায় তাসলিমা (ছদ্মনাম) মহেশখালী থেকে পরপুরুষের সাথে ডাক্তার দেখানো নামে মইজ্জ‍্যারটেকের রাফা হোটেলে উঠেন রাত্রি যাপনের উদ্দেশ্য স্থানীরা তাদের গতিবিধি সন্দেহ করে পুলিশ প্রশাসন ও গণমাধ্যমকর্মীদের সংবাদ দিলে সন্দেহভাজন পুরুষ ঘটনাস্থল ত‍্যাগ করে।

এমন অভিযোগে মঙ্গলবার রাতে কয়েকজন গণমাধ্যমকর্মী সেখানে প্রবেশ করে হোটেল অভ‍্যর্থনায় নিয়োজিত ব‍্যক্তির সাথে কথা বলতে গেলে হোটেলে থাকা কয়েকজন যুবক তেড়ে আসে। ঘটনাস্থলে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে মহিলাটিকে আটক করে থানায় নেওয়া হয় এবং পুলিশের নিকট ঘটনার সত‍্যতা স্বীকার করেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, হোটেলটিতে নিয়মিত সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের যাতায়াত করতে দেখা যায়। বিশেষ করে রাতের বেলায় যুবক-যুবতিদের অবাধ বিচরণ লক্ষ্য করা যায় এই হোটেলে।

এদিকে মইজ্জ‍্যারটেক এলাকায় আবাসিক হোটেল উদ্বোধনী ব‍্যানার লাগানো হয় কর্ণফুলী আব্দুল জলিল চৌধুরী ডিগ্রী কলেজ এর মূল ফটকে, তখন থেকে স‍্যোসাল মিডিয়ায় নানান গুনজন শুরু হয়। ফেসবুকে অনেকেই মন্তব্য করেন কলেজ ছাত্র ছাত্রীরা কি হোটেলে উঠবে
পরবর্তীতে জনরোষের চাপে পড়ে হোটেল কর্তৃপক্ষ ব‍্যানার সরিয়ে নিতে বাধ্য হয়।

স্থানীয়দের দাবী, দিনের বেলা এই হোটেলটিতে তেমন কারও আনাগোনা আমরা দেখা যায় না। আমরা ভাবতাম, লোকজন না আসলে হোটেল কীভাবে চলে? কিন্তু পরে বুঝতে পারলাম এখানে যৌনকর্মী এনে দেহ ব্যবসা করা হয়। এই ঘটনার সাথে যারা জড়িত আমরা তাদের বিচার চাই।

কর্ণফুলীর মাটিতে এই অপকর্মের বীজ যারা রোপণ করেছে রাফা হোটেল, তাদের বিরুদ্ধে আলেম-ওলামা একজোট হয়ে ব্যবস্থা নেবে। এই ধরনের অপকর্ম কর্ণফুলীতে আমরা মেনে নেব না।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত হোটেল মালিক মোহাম্মদ আলম ও মোহাম্মদ সুমনের সাথে যোগাযোগ করতে হোটেলে গিয়ে তাদের পাওয়া যায়নি। পরে নিউজ না করার জন্য বিভিন্ন উপায়ে তদবির চালানো চেষ্টা করে।

এ বিষয়ে কথা হয় কর্ণফুলী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নূর আহমদ সাথে। তিনি জানান বিষয়টি আমরা পর্যবেক্ষণে রেখেছি, কর্ণফুলীতে হোটেল ব‍্যবসার আড়ালে কোনো অসামাজিক কার্যকলাপ সুযোগ দেওয়া হবে না, আটক মহিলাটির ব‍্যাপারে আইনগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর