শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ১০:৩৭ অপরাহ্ন

যবিপ্রবিতে চাকরিপ্রার্থীদের আটকে মারধরের ঘটনায় তদন্ত কমিটি

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: রবিবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০২৩
  • ১০৯ সময় দেখুন
যবিপ্রবিতে চাকরিপ্রার্থীদের আটকে মারধরের ঘটনায় তদন্ত কমিটি


ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট

যশোর: যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) লিফট অপারেটরের নিয়োগ পরীক্ষা দিতে গিয়ে অন্তত ১৫ চাকরিপ্রার্থীর অপহরণের শিকার হওয়ার ঘটনা তদন্তে কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। তদন্ত কমিটিকে ৩০ ডিসেম্বরের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

শনিবার (৯ ডিসেম্বর) রিজেন্ট বোর্ডের সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক আনিছুর রহমানকে প্রধান করে পাঁচ সদস্যের এই তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।

তদন্ত কমিটির সদস্য সচিব করা হয়েছে প্রক্টর ড. হাসান মোহাম্মদ আল ইমরানকে। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন— ডিনস কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো. ইকবাল কবির জাহিদ, ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের ডিন ড. মো. মেহেদী হাসান ও পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো. আমিনুল হক।

সম্প্রতি লিফট অপারেটরের ১২টি পদে জনবল নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। আবেদনপত্র যাচাই-বাছাই শেষে ৩৮ প্রার্থীকে পরীক্ষার জন্য গত বৃহস্পতিবার (৭ ডিসেম্বর) ক্যাম্পাসে ডাকা হয়।

অভিযোগকারী চাকরিপ্রার্থীদের দাবি, পরীক্ষা দিতে গেলে যবিপ্রবি ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক থেকে তাদের নিয়ে ছাত্রাবাসের একটি কক্ষে ছয় ঘণ্টা আটকে রাখেন। এর মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছেও প্রার্থীদের অন্তত ১৫ জনকে ক্যাম্পাসের ছাত্র হলে নিয়ে আটকে রাখার খবর পৌঁছায়। পরে পুলিশ ক্যাম্পাসে পৌঁছালে বিকেলে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।

এ ঘটনায় এক ভুক্তভোগীর পরিবার বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে অভিযোগ দেয়। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বিষয়টি তদন্ত করতে গিয়ে সিসি ক্যামেরার হার্ডডিস্ক সংগ্রহ করতে গেলে সেটিও ছিনিয়ে নেন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।

ওই দিন রাতেই আরাফাত হোসেন নামের এক ভুক্তভোগী চাকরিপ্রার্থী বাদী হয়ে ছয়জনকে আসামি করে যশোর কোতোয়ালি থানাতে মামলা করেন। মামলার পর ঘটনার দিন দিবাগত রাত ২টার দিকে পুলিশ বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মসিয়ূর রহমান ছাত্র হলে অভিযান চালাতে যায়। ওই সময় হলের মূল ফটকে তালা ঝুলিয়ে ভেতরে সমবেত হন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য আনোয়ার হোসেন বলেন, রিজেন্ট বোর্ডের সভায় আমি গত বৃহস্পতিবারের অপহরণের ঘটনাটি অবহিত করেছি। রিজেন্ট বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তদন্ত কমিটি করা হয়েছে। কমিটিকে ৩০ ডিসেম্বর রিজেন্ট বোর্ডের সভায় প্রতিবেদন পেশ করতে বলা হয়েছে। এ ছাড়া চাকরিপ্রার্থীদের অপহরণ ও সিসি ক্যামেরার হার্ডডিস্ক ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনাতেও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন মামলা করবে।

সারাবাংলা/টিআর





Source link

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর