শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:২৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কালিয়াকৈরে শিল্পাঞ্চল পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলনের পর অনেকটায় স্বাভাবিক কর্ণফুলীতে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস সিজন-২-এর উদ্বোধন ডেঙ্গুতে আরও ৩ মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১৫৩৫ অধ্যক্ষকে ক্যাম্পাসে অবাঞ্ছিত ঘোষণা, শিক্ষার্থীদের ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম ইরান, গাজা, ইউক্রেনের জন্য মধ্যবর্তী নির্বাচনে ট্রাম্পের পরাজয়ের মানে কী Ramayana Box Office Collection Day 1: Ranbir Kapoor, Yash’s Film Mints Rs 64.85 Crore On Opening Day | Bollywood News ‘Ordinary bowler’: Ex-India captain slams CSK’s ‘confusing’ trade, says SRH are the real winners | Cricket News শিল্পকারখানায় অস্থিরতা সৃষ্টিতে পলাতক আ.লীগের ইন্ধন রয়েছে: রিজভী মইজ্জ‍্যারটেকে আবাসিক হোটেলের আড়ালে দেহ ব্যবসার অভিযোগ ‎শ্যামনগরে লবণাক্ততা নিরসন ও কৃষি অভিযোজনবিষয়ক প্রশিক্ষণ ও পরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত

‘শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে বৈঠক রোববার’

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: শনিবার, ৮ জানুয়ারী, ২০২২
  • ২৩৮ সময় দেখুন
‘শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে বৈঠক রোববার’


স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: করোনার ঊর্ধ্বমুখী সংক্রমণের ঝুঁকি থাকলেও এই মুহূর্তে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চালু রাখার পক্ষে মত শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির। তবে রোববার (৯ জানুয়ারি) এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসতে পারে বলে জানিয়েছেন তিনি। শনিবার (৮ জানুয়ারি) রাজধানীর একটি কলেজের অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান শিক্ষামন্ত্রী।

ডা. দীপু মনি বলেন, ‘রোববার করোনা সংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির সঙ্গে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে বৈঠকে বসতে যাচ্ছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। বৈঠকে সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’

এ সময় শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের ধারণা ছিল, মার্চে গিয়ে সংক্রমণ বাড়বে। কিন্তু এখন জানুয়ারির গোড়ায় বাড়তে শুরু করেছে। কাজেই আমাদের পরিকল্পনায় কিছুটা সমন্বয় দরকার। আমরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করতে চাই না। আমরা চাই, প্রত্যেক শিক্ষার্থী যেন করোনার ভ্যাকসিন নিয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আসে। সেটিরও ব্যবস্থা করা হচ্ছে।’

ডা. দীপু মনি বলেন, ‘করোনা পরিস্থিতির কারণে গত দেড় বছর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখতে হয়েছে। নতুন করে আর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করতে চায় না সরকার। এ কারণে শিক্ষার্থীদের ভ্যাকসিন কার্যক্রমের ওপর বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। তবে এর আওতায় প্রাথমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের আনা সম্ভব হচ্ছে না।’

তিনি বলেন, ‘নতুন করে করোনা সংক্রমণ বেড়ে গেলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে শিক্ষা ব্যবস্থা। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আবারও বন্ধ করে দিলে কতদিনে আবার সচল করা সম্ভব হবে তা অনিশ্চিত।’ সে কারণেই শিক্ষার্থীদের টিকার আওতায় এনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠদান চালিয়ে যেতে চাচ্ছেন শিক্ষামন্ত্রী।

উল্লেখ্য, এর আগে মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে ২০২০ সালের মার্চ মাস থেকে টানা ১৮ মাস বন্ধ ছিল দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।

সারাবাংলা/টিএস/পিটিএম





Source link

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর