শেকৃবি করেসপন্ডেন্ট
ঢাকা: রাজধানীর শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) বিভিন্ন ক্ষেত্রে উন্নয়নের ছোঁয়া লাগলেও অপূর্নাঙ্গ রয়ে গেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার। প্রতি বছর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী সংখ্যা বাড়লেও, বাড়েনি গ্রন্থাগারের আসন সংখ্যা। ফলে পড়ালেখার সুষ্ঠু পরিবেশ পাচ্ছেন না শিক্ষার্থীরা।
জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিকাংশ শিক্ষার্থী আবাসিক হলে থাকেন। তবে হলের রিডিংরুম অপেক্ষাকৃত ছোট হওয়ায় কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের ওপরই নির্ভরশীল তারা।
সরেজমিনে দেখা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচ হাজার শিক্ষার্থীর বিপরীতে গ্রন্থাগারের আসন সংখ্যা মাত্র ১৩০টি। তাছাড়াও চাকরি প্রত্যাশীরা নির্দিষ্ট আসনে বই রেখে যাওয়ায় আসন সংখ্যা আরও কমে যায়।
এদিকে, গ্রন্থাগার ভবনটি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত না হওয়ায় সংরক্ষিত বই নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে এবং শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার উপযুক্ত পরিবেশও বিঘ্নিত হচ্ছে। ভবনটি ছয় তলা হওয়া সত্ত্বেও মাত্র তিন তলা লাইব্রেরি হিসেবে ব্যাবহৃত হচ্ছে। পাশাপাশি প্রয়োজনের অর্ধেকের কম জনবল নিয়ে চালাতে হচ্ছে লাইব্রেরির সকল কার্যক্রম।
এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যানিমেল সায়েন্স এন্ড ভেটেরিনারি মেডিসিন অনুষদের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থীর সিফাতুল্লাহ আমিন বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় চলাকালীন শিক্ষার্থীদের চাপ থাকায় লাইব্রেরিতে আসন পাওয়া যায় না। অনেক আসন বই দিয়ে আটকানো থাকে। আসন সংখ্যা না বাড়ানোর কারণে বিশেষত পরীক্ষার আগে শিক্ষার্থীদের জন্য সমস্যার সৃষ্টি করে।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রন্থাগারিক ড. মোঃ আনোয়ারুল ইসলাম জানান, “লাইব্রেরিতে পর্যাপ্ত পরিমাণ বই, রিসার্চ পেপার ও আর্টিকেল রয়েছে। শিক্ষার্থীরা অনলাইনে বা সশরীরে এসে প্রয়োজনীয় বই সংগ্রহ করতে পারে। তবে সরঞ্জামের সংকটে আসন সংখ্যা বাড়ানো যাচ্ছে না। উপরের তিন তলায় কম্পিউটার ল্যাব এবং দুইটি আর্কাইভ তৈরির জন্য বরাদ্ধ করা হয়েছে তবে ষষ্ঠ তলায় শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা করার পরিবেশ তৈরি করার পরিকল্পনা রয়েছে।’
সারাবাংলা/একেএম