শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:০০ অপরাহ্ন

১২ দিনের মধ্যে কুবি রেজিস্ট্রারের অপসারণ দাবি, আন্দোলন স্থগিত

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: সোমবার, ২৪ জানুয়ারী, ২০২২
  • ২০৫ সময় দেখুন
১২ দিনের মধ্যে কুবি রেজিস্ট্রারের অপসারণ দাবি, আন্দোলন স্থগিত


কুবি করেসপন্ডেন্ট

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) রেজিস্ট্রার অপসারণ ও বিভিন্ন দাবি আদায়ের লক্ষ্যে চলমান আন্দোলন আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত স্থগিত করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপউপাচার্য ও কোষাধ্যক্ষের আশ্বাসে ও তিন দফা দাবি রেখে আন্দোলনকারীরা আন্দোলন স্থগিত করেন। এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরের উপস্থিতে আন্দোলনকারীরা রেজিস্ট্রার দফতরের তালা খুলে দেন।

সোমবার (২৪ জানুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে বিভিন্ন পক্ষের আলোচনা শেষে এ সিদ্ধান্ত নেয় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী ঐক্য পরিষদ।

ভার্চুয়াল আলোচনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপউপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. হুমায়ুন কবির, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. আসাদুজ্জামান, শিক্ষক সমিতির সভাপতি ড. দুলাল চন্দ্র নন্দী, সাধারণ সম্পাদক ড. মোকাদ্দেস-উল-ইসলাম, প্রক্টর ড. কাজী মোহাম্মদ কামাল উদ্দিন।

এছাড়াও অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মো. আবু তাহের, সাধারণ সম্পাদক মো. আবদুল লতিফ, তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী সমিতির সভাপতি দীপক চন্দ্র মজুমদার, কর্মচারী সমিতির সভাপতি সাইফুল ইসলাম, বঙ্গবন্ধু কর্মচারী পরিষদের সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন ও শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ইলিয়াস হোসেন সবুজ আলোচনায় উপস্থিত ছিলেন।

বিশ্ববিদ্যালয় উপউপাচার্য অধ্যাপক ড. হুমায়ূন কবির বলেন, কর্মকর্তা-কর্মচারীরা আমার ওপর আস্থা রাখলে আমি তাদের সব যৌক্তিক দাবি আসন্ন সিন্ডিকেটে উপস্থাপন করব এবং সেগুলো পূরণে সর্বোচ্চ চেষ্টা করব। নতুন উপাচার্যের উপস্থিতিতেই আমরা এই দাবিগুলো পূরণ করব। ফলে আগামী রোববার পর্যন্ত সবাই একটু অপেক্ষা করুন এবং রেজিস্ট্রার দফতর থেকে তালা খুলে দিন।

বিশ্ববিদ্যালয় ট্রেজারার অধ্যাপক ড. আসাদুজ্জামান বলেন, উদ্ভূত যে পরিস্থিতি তার দ্রুত সমাধান আমাদের সকলেরই কাম্য। যেহেতু উপাচার্য অসুস্থ এবং উপউপাচার্য মহোদয় এককভাবে কোনো সিদ্ধান্ত দিয়ে সমাধান করতে পারবেন না, তাই সব কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সহনশীল হতে বলব। উপউপাচার্য যেহেতু সমাধানের বিষয়ে আশ্বস্ত করেছেন, সেহেতু পরিস্থিতিকে আর জটিল না করার আহ্বান করছি।

কর্মকর্তা-কর্মচারীদের তিন দফা দাবি হলো— আগামী ৬ ফেব্রুয়ারির মধ্যে বর্তমান রেজিস্ট্রারকে অপসারণ করে কর্মকর্তাদের মধ্যে থেকে রেজিস্ট্রারের দায়িত্ব না দিলে ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে আন্দোলন চলবে, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দাবি-দাওয়া আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারির ভিতরে সিন্ডিকেট করে বাস্তবায়ন করতে হবে। এছাড়া যেসব দাবি-দাওয়া সিন্ডিকেট ছাড়াও করা যায়, সেসব বাস্তবায়ন করতে হবে।

সারাবাংলা/টিআর





Source link

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর