Last Updated:
বসিরহাট, জুলফিকার মোল্যা: বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্মৃতি জড়িয়ে আছে পানিতরের ধুনির ঘরের দুর্গাপুজোয়। যা আজও বয়ে আনে ঐতিহ্যের গন্ধ। বাংলা সাহিত্য জগতে পানিতর নামটি এক অনন্য স্মৃতিবাহী গ্রাম। ভারত–বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া এই গ্রামের পাশ দিয়েই বয়ে গিয়েছে ইছামতি নদী। সাহিত্যিক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্ত্রীর বাড়ি ছিল এখানেই।
সেই বাড়িতেই আজও পূজিত হয় ধুনির ঘরের দুর্গা, যা একসময় দুই বাংলার মানুষের কাছে হয়ে উঠেছিল অন্যতম আকর্ষণ। আজ আর জমিদারবাড়ির জৌলুস নেই। তবু হারায়নি পুজোর আভিজাত্য। অষ্টমী ও নবমীতে গ্রামের প্রতিটি মানুষ ভিড় জমান মহাভোজে, যা স্থানীয়রা ‘ভজরাম’ নামে চেনেন। বছরের এই কয়েকটি দিন পানিতর যেন ফিরে পায় তার অতীত ঐশ্বর্য।
স্ত্রীর শোকে ভেঙে পড়া বিভূতিভূষণ দীর্ঘদিন কাটিয়েছেন এই গ্রামে। এখানেই তিনি লিখেছেন ‘পথের পাঁচালী’ ও ‘ইছামতী’-র মতো অমূল্য সৃষ্টি। আজও ধুনির ঘরের এই পুজো কেবল পুজো নয়, বহু ঐতিহাসিক ও সাহিত্যিক স্মৃতির বাহক। স্থানীয়দের পাশাপাশি ওপার বাংলার মানুষদেরও ভিড় জমে এখানে। বিভূতিভূষণের স্পর্শে ধন্য এই পুজো তাই শুধু ঐতিহ্যের নয়, সাহিত্যপ্রেমীদের কাছেও সমান তাৎপর্যপূর্ণ।
Kolkata [Calcutta],Kolkata,West Bengal
September 15, 2025 5:41 PM IST
সীমান্ত গ্রামের ধুনির ঘরেই আজও পূজিত হন মা দুর্গা! জমিদারবাড়ির জৌলুস নেই, কিন্তু গন্ধ মিশে আছে ‘পথের পাঁচালী’র