1/ 5
Facebook, Twitter এবং WhatsApp সহ আরও অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়ার উপর ভারত সরকারের নতুন তথ্যপ্রযুক্তি আইন লাগু হওয়ার পর থেকেই এই অ্যাপগুলি ইদানিং বারে বারে উঠে আসছে খবরের শিরোনামে। ইতিমধ্যেই শেষ হয়েছে এই সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলির উপর সরকারের বেঁধে দেওয়া একগুচ্ছ গাইডলাইনের সময়সীমা। এরই মধ্যে বিগত কয়েকদিন ধরেই বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে ঘোরাফেরা করছে একটি মেসেজ। যেখানে দাবি করা হচ্ছে, ভারত সরকার না কি WhatsApp-এ নজরদারি চালাচ্ছে!
2/ 5
এই মেসেজে আরও বলা হচ্ছে যে, নতুন তথ্য প্রযুক্তি আইন কার্যকর হলেই WhatsApp ব্যবহারকারীদের কল এবং মেসেজ রেকর্ড করবে ভারত সরকার। তবে ফরোয়ার্ডেড এই মেসেজ এক্কেবারে ভুয়ো। এগুলি একেবারেই বিশ্বাস করবেন না। আমাদের মনে রাখতে হবে WhatsApp-এর সব কল ও মেসেজ এন্ড টু এন্ড এনক্রিপ্টেড দ্বারা সুরক্ষিত। তাই এগুলি রেকর্ড করা সম্ভব নয়।
3/ 5
তবে এখানেই শেষ নয়। WhatsApp-এ ঘুরে বেড়ানো এই ভুয়ো মেসেজ থেকে জানা যাচ্ছে, ব্যবহারকারীদের সমস্ত সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টগুলোতেও নজরদারি চালানো হবে। ব্যবহারকারীদের ফোন কেন্দ্রীয় মন্ত্রকের সঙ্গে সংযুক্ত করা হবে। সরকারের বিরোধিতা মূলক কোনও পোস্ট বা ভিডিও অন্য কারও সঙ্গে শেয়ার করতেও বারে বারে মানা করা হচ্ছে এই মেসেজে। কারণ মেসেজের তথ্য অনুসারে সরকারের বিরুদ্ধে কিছু পোস্ট করা হলেই ওই ব্যবহারকীদের গ্রেফতার করা হতে পারে এবং সাইবার ক্রাইমের অধীনে তাদের অভিযুক্ত করা হতে পারে।
4/ 5
একই সঙ্গে সেই মেসেজে বলা হয়, গ্রাহকরা কোনও মেসেজ পাঠানোর পরে যদি তাতে তিনটি ‘টিক’ চিহ্ন পড়ে তাহলে বুঝতে হবে কেন্দ্রীয় সরকার আপনার ওই মেসেজটি সংরক্ষিত করছে। গ্রাহক যদি মেসেজে দু’টি নীল টিক ও একটি লাল টিক দেখতে পান, তাহলে বুঝতে হবে ওই মেসেজের জন্য ব্যবহারকারীর উপর আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে। এছাড়া দু’টি লাল ও একটি নীল টিক এলে বুঝতে হবে সরকার ব্যবহারকারীর তথ্য যাচাই করছে। আর যদি তিনটি টিকই লাল হয় তবে বুঝতে হবে গ্রাহকের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই সমস্ত ব্যবস্থা নিয়ে ফেলেছে সরকার এবং তাকে শীঘ্রই কোর্ট থেকে তলব করা হতে পারে।
5/ 5
কিন্তু এই সব তথ্যই আগাগোড়া মিথ্যা। এই ধরনের কোনও মেসেজ যদি আপনিও পেয়ে থাকেন তবে তা অন্য কারও সঙ্গে শেয়ার না করায় আপনার জন্য ভালো। কারণ এই ধরনের মেসেজ শেয়ার করলে আপনার বিপদে পড়ার ঝুঁকি থাকতে পারে!