বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৫২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
টঙ্গীবাড়ী ইসলামী ব্যাংকের স্কুল ব্যাংকিং ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত ঢাকার বার্তা মোদিকে জানাতে দিল্লি গেলেন দীনেশ ত্রিবেদী চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডেঙ্গুতে ব্যবসায়ীর মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৮৪ ২০২৭ সাল থেকে ষষ্ঠ শ্রেণিতে যুক্ত হচ্ছে নতুন ৪ বিষয় Bigg Boss 20’s ScoutOP Hints At Feelings For ‘Sister’ Love Gill: ‘Usse Pehle Friend Hota Hai Naa…’ | Television News Head coach Zinedine Zidane celebrates first home win as France crush Belgium 4-1 at Nations League | Football News কর্ণফুলীতে ডেঙ্গু পরীক্ষার কীট ও মশক নিধন সামগ্রিক বিতরণ কূটনীতিকদের সম্মানে খেলাফত মজলিসের নৈশভোজ কর্ণফুলীতে এস আলম গ্রুপের সীমানাপ্রাচীর ভেঙে অবৈধ দখল উচ্ছেদ কর্ণফুলীতে বিতর্ক উৎসবের উদ্বোধন, দিনব্যাপী কর্মশালা সম্পন্ন ‘আজকের বিতার্কিকরাই আগামীর বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দেবে’

আইনি জটিলতা এড়াতে বিদেশে গিয়ে বছরে ১৫০০ কিডনি প্রতিস্থাপন

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: সোমবার, ২৯ জুন, ২০২৬
  • ২১২ সময় দেখুন
আইনি জটিলতা এড়াতে বিদেশে গিয়ে বছরে ১৫০০ কিডনি প্রতিস্থাপন


ঢাকা: দেশে আইনি জটিলতা এড়াতে প্রতি বছর বিদেশে গিয়ে ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ জন মানুষ কিডনি প্রতিস্থাপন করছেন। বিদ্যমান আইনের সংশোধন করা গেলে এই বিপুল সংখ্যক রোগীর দেশেই চিকিৎসা সম্ভব।

সোমবার (২৯ জুন) সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবে ‘ষষ্ঠ বাংলাদেশ কোরিয়া ফ্রেন্ডশিপ কনফারেন্স’ উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক সেমিনারে এই তথ্য জানান বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা।

বিশেষজ্ঞরা বলেন, উন্নত বিশ্বে প্রায় ৭০ শতাংশ কিডনি প্রতিস্থাপনই সম্পন্ন হয় মরণোত্তর কিডনি দাতার মাধ্যমে। তবে আইনি জটিলতা এবং সচেতনতার অভাবে বাংলাদেশে এখনও এই মরণোত্তর অঙ্গদান কার্যক্রম কাঙ্ক্ষিত গতি পায়নি।

বক্তারা বলেন, উন্নত বিশ্বে ‘ব্রেইন ডেথ’ হওয়া রোগীদের অঙ্গ নিখুঁতভাবে সংরক্ষণ ও প্রতিস্থাপনের জন্য সুনির্দিষ্ট আইনি কাঠামো ও বিশ্বমানের হাসপাতাল সুবিধা রয়েছে। সেখানে মৃত্যুর আগে অঙ্গদানের অঙ্গীকার করার ব্যাপক প্রচলন রয়েছে। জীবিত নিকটাত্মীয়ের কাছ থেকে কিডনি নিলে দাতার ভবিষ্যৎ স্বাস্থ্যঝুঁকি থাকে। তাই উন্নত দেশগুলোতে মরণোত্তর অঙ্গদানকেই প্রধান বিকল্প হিসেবে বিবেচনা করা হয়। কিন্তু বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে অঙ্গ সংযোজন আইন কিছুটা সহজ করা হলেও মরণোত্তর প্রতিস্থাপন এখনো সেভাবে চালু করা সম্ভব হয়নি।

বিশেষজ্ঞরা জানান, দেশে প্রতিবছর প্রায় ৪০ হাজার মানুষের কিডনি বিকল হয়ে পড়ছে। এর মধ্যে অন্তত ১০ হাজার রোগীর জরুরি ভিত্তিতে কিডনি প্রতিস্থাপনের প্রয়োজন হয়। তবে নানা সীমাবদ্ধতায় দেশে বছরে গড়ে মাত্র ২৫০ জনের কিডনি প্রতিস্থাপন করা সম্ভব হচ্ছে।

আইনের বিদ্যমান সংশোধনী অনুযায়ী, নির্ধারিত ২৩ জন নিকটাত্মীয়ের বাইরে অন্য কেউ কোনো রোগীকে কিডনি দান করতে পারেন না। অথচ ভারত, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ডসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আত্মীয় না হলেও মানবিক কারণে বা আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কিডনি দানের সুযোগ রয়েছে। বাংলাদেশে এই আইনি সীমাবদ্ধতার কারণে তীব্র দাতা সংকট তৈরি হয়েছে।

সেমিনারে জানানো হয়, বর্তমানে বিশ্বজুড়ে ৮৫ কোটিরও বেশি মানুষ দীর্ঘস্থায়ী কিডনি রোগে আক্রান্ত। অত্যন্ত উদ্বেগজনক বিষয় হলো, এর মধ্যে প্রায় ৭৫ কোটি রোগীই জানেন না যে এই প্রাণঘাতী রোগটি নীরবে তাদের কিডনি বিকল করে দিচ্ছে। প্রতিবছর প্রায় ১ কোটি ৩০ লাখ মানুষ আকস্মিক কিডনি বিকল রোগে আক্রান্ত হন, যার ৮৫ শতাংশই বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশের নাগরিক।

সভায় কিডনি ফাউন্ডেশনের সভাপতি অধ্যাপক ডা. হারুন উর রশিদ, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ডা. রুহুল আমিন রুবেল, কোরিয়ান কিডনি বিশেষজ্ঞ ডা. কুরি এন এবং অস্ট্রেলিয়ান কিডনি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক জেরিমি চ্যাপম্যানসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।





Source link

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর