বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৪৫ পূর্বাহ্ন

ধর্মে ধর্মে সংঘাত সৃষ্টিকারীদের সতর্ক করলেন নওফেল

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: শনিবার, ৯ অক্টোবর, ২০২১
  • ৩৩৫ সময় দেখুন
ধর্মে ধর্মে সংঘাত সৃষ্টিকারীদের সতর্ক করলেন নওফেল


স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট

চট্টগ্রাম ব্যুরো : ধর্মে ধর্মে সংঘাত সৃষ্টিকারীদের সতর্ক করেছেন শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল। দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে কেউ এ ধরনের সুযোগ নেওয়ার চেষ্টা করলে কঠোরভাবে দমন করা হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

শুক্রবার (৮ অক্টোবর) বিকেলে নিজ সংসদীয় এলাকার দুর্গাপূজা মণ্ডপে অনুদান প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল বলেন, ‘বাংলাদেশে হিন্দু-মুসলমান-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান সবাই যার যার ধর্ম যথাযথভাবে পালন করে। একে অন্যের ধর্মীয় অনুষ্ঠান বা উৎসবে সামিল হয়ে ধর্মীয় অনুষ্ঠানসমূহকে সার্বজনীন করে। কিন্তু মুষ্টিমেয় মানুষ আছে, তারা সবসময় সুযোগের সন্ধানে থাকে। এক ধর্মের সঙ্গে অন্য ধর্মের সংঘাত লাগিয়ে নিজেদের অসৎ ফায়দা হাসিল করতে চায়।’

‘এই বাংলাদেশ হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ। এই দেশ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বাংলাদেশ। এই দেশে যারা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের চেষ্টা করবে, তাদের কঠোর হস্তে দমন করা হবে। দুর্গাপূজায় এসব সুযোগ সন্ধানীদের বিষয়ে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।’

শারদীয় শুভেচ্ছা জানিয়ে নওফেল বলেন, ‘আবহমান কাল ধরে এ দেশের হিন্দু সম্প্রদায় উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা করে আসছে। দুর্গাপূজা কেবল ধর্মীয় উৎসব নয়, সামাজিক উৎসবও। দুর্গোৎসব উপলক্ষে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই একত্রিত হন, মিলিত হন আনন্দ-উৎসবে। তাই এ উৎসব সার্বজনীন। এবারের শারদীয় দুর্গোৎসব সকলের জীবনে মঙ্গল ও সুখ বয়ে আনুক, এই কামনা করি। পূজামণ্ডপে যাওয়ার সময় মাস্ক পরিধান করে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলবেন।’

শিক্ষা উপমন্ত্রী চট্টগ্রাম-৯ (কোতোয়ালী-বাকলিয়া) আসনের আওতাধীন ১২০টি পূজামণ্ডপে ব্যক্তিগত তহবিল থেকে ১২ লাখ টাকা অনুদান দেন।

নগরীর ওয়াসার মোড়ে প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিটোরিয়ামে চট্টগ্রাম মহানগর পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি আশীষ কুমার ভট্টাচার্যের সভাপতিত্বে এবং শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক রাহুল দাশের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক হিল্লোল সেন উজ্জ্বল, নগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শফিক আদনান, প্রচার সম্পাদক শফিকুল ইসলাম ফারুক, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক চন্দন ধর, উপ-দফতর সম্পাদক কাউন্সিলর জহর লাল হাজারী, চিকিৎসক বিদুৎ বড়ুয়া, প্রয়াত এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক বোরহানুল হাসান চৌধুরী সালেহীন, চসিকের কাউন্সিলর সলিমুল্লাহ বাচ্চু, নুরুল হক, শৈবাল দাশ সুমন, ওয়াসিম উদ্দিন চৌধুরী, আবুল হাসনাত মোহাম্মদ বেলাল, পুলক খাস্তগীর, আব্দুর ছালাম মাসুম, নিলু নাগ, আঞ্জুমান আরা, রুমকি সেনগুপ্ত, মহানগর পূজা উদযাপন পরিষদের সহ-সভাপতি অর্পণ কান্তি ব্যানার্জি ও প্রদীপ শীল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বিপ্লব সেন, সজল দত্ত, অঞ্জন দত্ত, সুকান্ত মহাজন টুটুল, সিনিয়র সদস্য দেবাশীষ নাথ দেবু ও শাওন ঘোষ।

সারাবাংলা/আরডি/এএম





Source link

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর