শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:১৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কালিয়াকৈরে শিল্পাঞ্চল পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলনের পর অনেকটায় স্বাভাবিক কর্ণফুলীতে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস সিজন-২-এর উদ্বোধন ডেঙ্গুতে আরও ৩ মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১৫৩৫ অধ্যক্ষকে ক্যাম্পাসে অবাঞ্ছিত ঘোষণা, শিক্ষার্থীদের ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম ইরান, গাজা, ইউক্রেনের জন্য মধ্যবর্তী নির্বাচনে ট্রাম্পের পরাজয়ের মানে কী Ramayana Box Office Collection Day 1: Ranbir Kapoor, Yash’s Film Mints Rs 64.85 Crore On Opening Day | Bollywood News ‘Ordinary bowler’: Ex-India captain slams CSK’s ‘confusing’ trade, says SRH are the real winners | Cricket News শিল্পকারখানায় অস্থিরতা সৃষ্টিতে পলাতক আ.লীগের ইন্ধন রয়েছে: রিজভী মইজ্জ‍্যারটেকে আবাসিক হোটেলের আড়ালে দেহ ব্যবসার অভিযোগ ‎শ্যামনগরে লবণাক্ততা নিরসন ও কৃষি অভিযোজনবিষয়ক প্রশিক্ষণ ও পরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত

নীলফামারীর ১০ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাস করেনি কেউ

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: বৃহস্পতিবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৫
  • ১৯৩ সময় দেখুন
নীলফামারীর ১০ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাস করেনি কেউ


নীলফামারী: ২০২৫ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় নীলফামারীতে ১০ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কেউ পাস করেনি। বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) প্রকাশিত ফলাফল থেকে এই তথ্য জানা যায়।

জানা যায়, এই ১০টি কলেজ থেকে ৪০ জন পরিক্ষার্থী অংশ নিয়েছিল।

প্রতিষ্ঠানগুলো হলো- জলঢাকা উপজেলার বাগুলাগাড়ী স্কুল ও কলেজ, একই উপজেলার চাওড়াডাংগী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ, গোলমুন্ডা আদর্শ কলেজের, কিশোরগঞ্জ উপজেলার নয়ান খাল স্কুল ও কলেজ, ডিমলা উপজেলার নাউতারা বালিকা স্কুল ও কলেজ, জেলা পরিষদ স্কুল ও কলেজ, সীমান্ত কলেজ, গয়াখড়িবাড়ী বালিকা কলেজ, নীলফামারী সদর উপজেলার লক্ষিচাপ সৃজনশীল কলেজ ও সাতপাই হাই স্কুল ও কলেজ।

নাম সর্বস্ব এসব কলেজ স্থানীয় শিক্ষার্থীদের জীবন ধ্বংস করছে বলে অভিযোগ অভিভাবকদের। নীলফামারী সদরের লক্ষীচাপ গ্রামের সৃজনশীল কলেজে ছাত্রছাত্রী তো দূরের কথা ক্লাস রুমে নেই কোনো চেয়ার বেঞ্চ বা শিক্ষা উপকরণ। কলেজটির জমিদাতা মজিবুল ইসলাম অভিযোগ করেন, এখানে প্রিন্সিপ্যাল-প্রফেসর কেউ নাই। ছাত্ররা কে কোথায় পরীক্ষা দিল এ ব্যাপারে কিছু জানেন না তিনি।

অভিভাবক নূর উদ্দীন বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে কলেজটি বন্ধ অবস্থায় আছে। ছেলে মেয়েদের লেখাপড়ার কিছুই হচ্ছে না। এই ধরনের কলেজ এলাকায় শিক্ষার্থীদের জীবন নষ্ট করছে। এমন কলেজ থাকার চেয়ে না থাকা ভালো।’

ডিমলা উপজেলার জেলা পরিষদ স্কুল অ্যান্ড কলেজে একসময় অনেক ছাত্র ছিল। নিয়োগকে কেন্দ্র করে শিক্ষকদের আভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে লেখাপড়া, ছাত্র সংখ্যা সবই শূন্যের কোঠায় বলে জানাচ্ছিলেন কলেজের প্রভাষক মো. জাকারিয়া ইসলাম।

এই কলেজের অনেক শিক্ষক ২০২৪ সালের আগস্ট অভ্যুত্থানের পর থেকে আর কলেজে আসেন না বলেও জানান তিনি।





Source link

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর