শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৩১ পূর্বাহ্ন

প্রবাসী অস্ট্রেলিয়ানদের দেশত্যাগে কড়াকড়ি

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: শুক্রবার, ৬ আগস্ট, ২০২১
  • ২৯৩ সময় দেখুন
প্রবাসী অস্ট্রেলিয়ানদের দেশত্যাগে কড়াকড়ি


আন্তর্জাতিক ডেস্ক

দেশের বাইরে বসবাসরত অস্ট্রেলিয়ার নাগরিকরা ফেরার পর চাইলেই আবার দেশত্যাগ করতে পারবেন না। খবর বিবিসি।

শুক্রবার (৬ আগস্ট) দেশটির কেন্দ্রীয় সরকার এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে।

১১ আগস্ট থেকে কার্যকর হতে যাওয়া এই নতুন বিধিনিষেধের কারণে দেশে ফিরে আটকে যেতে পারেন অনেক প্রবাসী অস্ট্রেলিয়ান।

এর আগে, ২০২০ সালের মার্চ থেকে করোনা সংক্রমণ মোকাবিলায় অস্ট্রেলিয়ার নাগরিকদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চলমান রয়েছে।

তবে, প্রবাসী অস্ট্রেলিয়ানরা ওই নিষেধাজ্ঞার বাইরে ছিলেন। শুধুমাত্র পাসপোর্ট দেখিয়েই তারা দেশ ছাড়তে পারতেন। কিন্তু, এখন সাধারণ অস্ট্রেলিয়ানদের মতো তাদেরও দেশত্যাগ করতে হলে বিশেষ অনুমতির প্রয়োজন পড়বে।

এদিকে, নতুন এই নিষেধাজ্ঞার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে অস্ট্রেলিয়ায় সম্প্রতি করোনা সংক্রমণ ব্যাপকভাবে বাড়ছে। বছরের মধ্যে এই মুহূর্তে সংক্রমণের হার সর্বোচ্চ। করোনা সংক্রমণে নিয়ন্ত্রণ আনতেই এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

অন্যদিকে, প্রবাসী নাগরিকদের জন্য অস্ট্রেলিয়ায় ইতোমধ্যেই সাপ্তাহিক কোটার ব্যবস্থা রয়েছে। আর অনুমতি সাপেক্ষে গুটিকতক ব্যক্তি বাদে যে কোনো বিদেশি নাগরিকের অস্ট্রেলিয়ায় প্রবেশ সম্পূর্ণ নিষেধ।

করোনার বিস্তার রোধে অনেক দেশই আন্তর্জাতিক চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। আর এইদিক থেকে বিশ্বের অন্যতম দেশ অস্ট্রেলিয়া। সরকারের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, দেশের অন্তত ৮০ শতাংশ মানুষকে ভ্যাকসিনের আওতায় আনার আগ পর্যন্ত এই বিধিনিষেধ ওঠানোর কোনো সম্ভাবনা নেই।

বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ায় মোট জনসংখ্যার মাত্র ১৯ শতাংশ করোনা ভ্যাকসিনের পরিপূর্ণ ডোজ নিয়েছেন। ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের প্রকোপে দেশটির অর্ধেকের বেশি মানুষ লকডাউনে রয়েছেন। সবচেয়ে বেশি আক্রান্তের খবর পাওয়া যাচ্ছে সিডনি থেকে।

অপরদিকে, কেন্দ্রীয় সরকারের নতুন এই সিদ্ধান্তে অস্ট্রেলিয়ার সিংহভাগ মানুষের সমর্থন থাকলেও সমালোচনাও করছেন অনেকে।

যুক্তরাষ্টে প্রবাসী এক নারী টুইটারে লিখেছেন, ঘুম থেকে উঠে শোনা গেলো নিজ দেশেই নির্বাসিত।

বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, বিধিনিষেধের কারণে এক বছর ধরে অনেক অস্ট্রেলিয়ান তাদের অসুস্থ আত্মীয় স্বজনের সঙ্গে দেখা পর্যন্ত করতে পারছেন না। এই সব সিদ্ধান্তের ব্যাপারে তারা ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন।

সারাবাংলা/একেএম





Source link

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর