রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:৫০ অপরাহ্ন

যুদ্ধ বিধ্বস্ত অর্থনীতিকে পুনর্গঠনের জন্য পরিকল্পনা কমিশন গঠিত হয়

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: রবিবার, ১৫ আগস্ট, ২০২১
  • ৩৭৬ সময় দেখুন
যুদ্ধ বিধ্বস্ত অর্থনীতিকে পুনর্গঠনের জন্য পরিকল্পনা কমিশন গঠিত হয়


মোঃ আল জাবেদ সরকার::
আজ ১৫ আগস্ট, ২০২১ পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের পরিকল্পনা বিভাগ সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৬ তম শাহাদাৎবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভার আয়োজন করে।

উক্ত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী জনাব এম.এ মান্নান এম.পি,বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম এবং সভাপতিত্ব করেন পরিকল্পনা বিভাগের সচিব মোহাম্মদ জয়নুল বারী।

৭৫ এর ১৫ আগস্টে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ তাঁর পরিবারের শহীদদের বিনম্র চিত্তে স্মরণ করে বিশেষ অতিথির বক্তব্য শুরু করেন ড. শামসুল আলম।

যুদ্ধ বিধ্বস্ত একটি দেশকে পুনর্গঠন করতে বঙ্গবন্ধুর আপ্রাণ চেষ্টা অব্যাহত ছিল। ড. শামসুল আলম বলেন, “স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু মাত্র সাড়ে তিন বছর সময় পেয়েছিলেন। সদ্য স্বাধীন দেশকে তিনি এগিয়ে নিতে সর্বাত্মক চেষ্টা করেছিলেন।

বিধ্বস্ত অর্থনীতিকে কিভাবে উন্নত করা যায় সেই দিকটিকে গুরুত্ব দিয়ে বঙ্গবন্ধু গঠন করেন পরিকল্পনা কমিশন।প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম তাঁর বক্তব্যে বঙ্গবন্ধু কর্তৃক পরিকল্পনা কমিশন গঠনের বিষয়টি চমৎকার ভাবে তুলে ধরেছেন।

“যুদ্ধ বিধ্বস্ত অর্থনীতিকে পুনর্গঠনের জন্য দেশের সেরা বুদ্ধিজীবীদের নিয়ে মাত্র ২০ দিনের মাথায় পরিকল্পনা কমিশন গঠন করেন।”

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সাড়ে তিন বছরে দ্রুততম বৈপ্লবিক পদক্ষেপ গ্রহণ করে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনেন। স্বল্প সময়ে দেশের জন্য অতীব জরুরি কিছু প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠায় বঙ্গবন্ধু অভূতপূর্ব ভূমিকা রেখেছিলেন। যা পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্যে উঠে এসেছে।

” বিএডিসি, পারমানবিক কৃষি গবেষনা কমিশন, তুলা উন্নয়ন বোর্ড, বিএআরসি, প্রভৃতি প্রতিষ্ঠা করে দেশকে এগিয়ে নিচ্ছিলেন তিনি। “

ড. আলম আরও বলেন, “পৃথিবীর অন্যতম সুন্দর একটি সংবিধান হলো বাংলাদেশের সংবিধান। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে এই সংবিধান তৈরি হয়েছে। “

বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে বলতে গিয়ে প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, “বিশুদ্ধ পুঁজিবাদী ব্যবস্থা তিনি চাননি, ছিলেন গণতান্ত্রিক, সমাজতান্ত্রিক, মানবতাবাদী, মূল্যবোধের ধারক ও বাহক “।

জাতির জনক যখন তাঁর স্বপ্নের সোনার বাংলা বাস্তবায়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছিলেন, দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন। ঠিক তখনই তাকে নিস্তব্ধ করে দেয়া হলো।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ড. আলম বলেন, “১ম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় বঙ্গবন্ধু দেশ ঠিকই এগিয়ে নিচ্ছিলেন। প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার পর দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ পরিকল্পনায় সে অর্থে আর্থ-সামাজিক বৈষম্যহীন সমাজের চাহিদার প্রতিফলন ঘটেনি। “

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যে স্পৃহায় দেশকে এগিয়ে নিতে চেয়েছিলেন তা ঘাতকরা বাধাগ্রস্ত করে ফেলে ১৫ আগস্টেই।

” বঙ্গবন্ধুকে হারিয়ে আমরা কয়েক দশক উন্নয়নে পিছিয়ে পড়ে ছিলাম। ” বঙ্গবন্ধু আজ আমাদের মাঝে নেই ঠিকই, কিন্তু তাঁর সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বিশ্বনেত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে পিতা মুজিবের স্বপ্নের সোনার বাংলা বাস্তবায়নের পথেই দেশ এগিয়ে চলছে।

পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী বলেন, “২০৪১ সালে দেশে দারিদ্র্য থাকবে না,কেউ বেকার থাকবে না, ২০৪১ সালেই সোনার বাংলায় পরিনত হবো আমরা। “

দেশের মানুষের মৌলিক অধিকারগুলো নিশ্চিত করে পরিকল্পনা অনুসরণ করে দেশকে এগিয়ে নেওয়ার কথা সংবিধানেও লিপিবদ্ধ হয়েছে।

” সংবিধানের ১৫ তম অনুচ্ছেদেও দেশ পরিকল্পনা মোতাবেক এগিয়ে যাবে সে ব্যাপারে বলা হয়েছে। ” পরিশেষে ১৫ আগস্টের শোক থেকে শক্তি, শোক থেকে জাগরণ এটিকে হৃদয়ে ধারণ করে, বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও চেতনায় এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম।

Print Friendly, PDF & Email



Source link

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর