শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৩৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সাজেকে পর্যটকদের জীবন রক্ষা ও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেনাবাহিনীর ভূমিকার প্রশংসায় পার্বত্য নাগরিক অধিকার পরিষদ সিএমপি’র চকবাজার থানার অভিযানে আলোচিত ডিডিএন অফিসে হামলা-ভাঙচুরের ঘটনায় সিসিটিভি ফুটেজে শনাক্ত অন্যতম হামলাকারী মোঃ রাজ্জাক ওরফে চিকনা রাজু গ্রেফতার হামের উপসর্গে প্রাণ গেল আরও ৭ শিশুর সিএমপি বাকলিয়া থানার পুলিশ কর্তৃক পরিচালিত অভিযানে চোরাইকৃত মালামাল উদ্ধার সহ এক জন চোর গ্রেফতার হরমুজ প্রণালিতে ইরানের হামলায় ৭টি জাহাজে আগুন সহপাঠীদের কাঁদিয়ে না ফেরার দেশে রাবির সেই চেসি ত্রিপুরা Raghav Chadha Calls Himself ‘Luckiest Husband In The World’ As He Celebrates Parineeti Chopra’s Birthday | Photos | Bollywood News Asian Para Games 2026: Harvinder Singh, Vijay Sundi strike gold in men’s recurve doubles | Asian Para Games 2026 News সাজেক পরিস্থিতিতে সঠিক পদক্ষেপ নিতে জামায়াত আমিরের আহ্বান ভারতীয় ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করার আশ্বাস দিলেন দীনেশ ত্রিবেদী

‘সেনাবাহিনীকে প্রফেশনাল করতে পারলে বিশ্ব সম্মান জানাতে বাধ্য’

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: সোমবার, ১২ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ২৫৭ সময় দেখুন
‘সেনাবাহিনীকে প্রফেশনাল করতে পারলে বিশ্ব সম্মান জানাতে বাধ্য’


ঢাকা: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, সেনাবাহিনীকে প্রফেশনাল বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে পারলে বিশ্ব আমাদের সম্মান করতে বাধ্য হবে।

সোমবার (১২ জানুয়ারি) রাত ৮টায় রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে সশস্ত্র বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় অনুষ্ঠানের প্রথম পর্বে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

জামায়াত আমির বলেন, আমরা চাই, বিশ্বের সপ্তম বৃহৎ জনগোষ্ঠীর প্রিয় সেনাবাহিনী বাংলাদেশকে বিশ্বের দরবারে উঁচু করে তুলে ধরবে। আমাদের সেনাবাহিনী মূলত আমাদের দেশের জন্য। বিশ্বে যে সার্ভিস দিয়ে থাকে তা ঐচ্ছিক। দেশের সেবা দেওয়া বাধ্যতামূলক।

তিনি বলেন, আমরা যদি সেনাবাহিনীকে প্রফেশনাল একটা বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে পারি, তাহলে দুনিয়া আমাদেরকে সমীহ করুক বা না করুক, সম্মান করতে বাধ্য হবে। কেউ আমাদের দিকে লাল চোখ তুলে তাকানোর সাহস পাবে না।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমাদের সেনাবাহিনীর সাইজ কত, সেটা বড় কথা নয়। আমাদের সেনাবাহিনীর উইশডম, কারেজ ও টেকটেক—এই তিন জায়গায় আমাদের সেনাবাহিনী কোথায় আছে, সেটাই বড় কথা। আমরা এই তিন জায়গাকে একদম আয়রনিক করে দেখার পক্ষে।

তিনি বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন হবে। জাতীয় জীবনে এই নির্বাচনের গুরুত্ব সীমাহীন। আমরা এমন একটা নির্বাচন চাই, যেখানে প্রত্যেকটা নাগরিক নিশ্চিন্তে ভোট দিতে পারে এবং ফলাফলে তার প্রতিফলন ঘটে। সেই পরিবেশ নিশ্চিত করতে পারলে এই নির্বাচন হবে সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও অবাধ।

জামায়াত আমির বলেন, জনগণের ওপর আমাদের শতভাগ আস্থা আছে। জনগণ যাকে ইচ্ছা ভোট দিক। কিন্তু সেই পরিবেশ সরকার ও নির্বাচন কমিশনকে নিশ্চিত করতে হবে। তিনি সশস্ত্র বাহিনীর সাবেক কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিতে আপনাদের সামাজিক দায়বদ্ধতা আছে। এজন্য জামায়াতে যোগদান করা জরুরি নয়, তবে পরবর্তী প্রজন্মের জন্য ভালো কিছু আমাদের করতে হবে।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, চব্বিশের জটিল সময়ে সেনাবাহিনীর ভূমিকার কারণে জাতি নির্ঘাত একটা সিভিল ওয়ার থেকে রক্ষা পেয়েছে। চব্বিশের আন্দোলনে আপামর জনগণ যেভাবে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল, সে সময় রাওয়া ক্লাবে প্রেস কনফারেন্স এবং মিরপুর ডিওএইচএসে অবসরপ্রাপ্ত সেনা অফিসারদের ভূমিকা রাস্তা দেখানোর মতো।

তিনি বলেন, জাতি হিসেবে মাথা উঁচু করে দাড়ানোয় যারা নেতৃত্ব দেবেন, তাদেরকে আমাদের অন্তরে ধারণ করতে হবে। দেশ ও জাতির জন্য জীবন দেওয়ার শপথ নিয়ে সার্ভিসে ঢোকার আর কোনো নজির নেই।

জামায়াত আমির বলেন, ২৩ বছর পাকিস্তানের একটি প্রদেশ হিসেবে আমরা একসঙ্গে চলেছি। সেই সময় যারা পশ্চিম পাকিস্তানে ছিলেন, তারা পূর্বপাকিস্তানের জনগণের সঙ্গে ইনসাফপূর্ণ আচরণ করেননি। এই ডিসপ্রায়োরিটির বিরুদ্ধে একটা দ্রোহ ছিল ৭০ এর নির্বাচন। পরবর্তীতে এই নির্বাচনের হাত ধরে আমাদের মুক্তিযুদ্ধ অসংখ্য জীবন দান, বিপুল ক্ষয়ক্ষতির পুনরায় দ্বিতীয় স্বাধীনতা বাংলাদেশের জন্ম। এখানে লক্ষণীয় বিষয় ৭১ এর মুক্তিযুদ্ধে কোনো সিভিলিয়ানের মুখ দিয়ে মুক্তিযুদ্ধে ঘোষণাটা প্রচারিত হয়নি। হয়েছে আপনাদের মুখ দিয়ে। আপনাদেরকে স্যালুট। এ বিষয়ে একবারই ইতিহাস রচনা হয়েছে, এটা অক্ষুণ্ন থাকবে। অনেক এই বিষয়টাকে অগ্রাহ্য করতে চান, ম্লান করতে চান। এটা আনজাস্ট, এটা হয় না। অবশ্যই এ দায়িত্ব ছিল রাজনীতিবিদদের। তারা এ দায়িত্ব পালন করলে সেনাবাহিনীর একজন অফিসারকে এগিয়ে আসার প্রয়োজন হতো না। তারা এই দায়িত্ব পালন করেননি বলেই সেনাবাহিনীর একজন অফিসার এই মহান দায়িত্ব পালন করেছেন। জাতির জন্য তার এই অবদান কেউ অস্বীকার করলে নিজেকে ভুলে যাওয়ার শামিল হবে।

তিনি আরও বলেন, এই জাতির গর্বের দৌড়ে আরও কিছু নাম অবশ্যই গৌরবের। মুক্তিযুদ্ধের সময় যিনি নেতৃত্ব দিয়েছিলেন, আপনাদেরই অগ্রজ জেনারেল আতাউল গণি ওসমানী। তাকেও এ জাতির মানসপট থেকে ভুলিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। স্বাধীনতার পতাকা প্রথম উত্তোলন করেছিলেন একজন যুবক আ স ম আবদুর রব। তার নামটাও আসে না। যার যেখানে অবদান তাকে সেই স্বীকৃতি না দিলে এ জাতির জন্য কেউ এগিয়ে আসবে না। কোনো বীরেও জন্ম হবে না। বীরদেরকে অবশ্যই আমাদের স্বীকৃতি দিতে হবে সম্মান জানাতে হবে।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন ঢাকা-১৬ আসনের জামায়াত প্রার্থী কর্নেল (অব.) আব্দুল বাতেন।

আরও বক্তব্য দেন কর্নেল (অব.) হাসিনুর রহমান বীর প্রতীক, মেজর জেনারেল (অব.) মাহাবুব উল আলম, মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান, মেজর (অব.) ব্যারিস্টার সরোয়ার হোসেন প্রমুখ।

দলের নেতাদের মধ্যে সহকারি সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম ও সহকারি সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের মঞ্চে উপবিষ্ট ছিলেন।





Source link

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর