বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৩৭ অপরাহ্ন

৩ লাখের বেশি ভিসা বাতিল করেছে ট্রাম্প প্রশাসন

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬
  • ৬১ সময় দেখুন
৩ লাখের বেশি ভিসা বাতিল করেছে ট্রাম্প প্রশাসন


যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ৩ লাখের বেশি ভিসা বাতিল করেছে।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) এ তথ্য জানিয়েছে।

পররাষ্ট্র দফতর বলেছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতা নেওয়ার পর থেকে এসব ভিসা বাতিল করা হয়েছে।

এর আগে গত ১০ আগস্ট সর্বশেষ ভিসা বাতিল করা নিয়ে তথ্য প্রকাশ করেছিল পররাষ্ট্র দপ্তর। তখন জানানো হয়েছিল, ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে ট্রাম্পের বর্তমান মেয়াদ শুরুর পর থেকে ১ লাখ ৭৫ হাজারের বেশি ভিসা বাতিল করা হয়েছে।

এমন এক সময় এ তথ্য সামনে এল, যখন ট্রাম্প প্রশাসন যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসনবিরোধী ব্যাপক অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। প্রকাশিত তথ্যে দেখা গেছে, সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোয় ভিসা বাতিলের সংখ্যা বেড়েছে।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানান, অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা জোরদার করার জন্য অভিবাসনবিরোধী অভিযান ও বহিষ্কার কর্মসূচি এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। আর এজন্যই বাতিল করা হচ্ছে একের পর এক ভিসা।

অধিকারকর্মীদের বলছেন, ট্রাম্প প্রশাসনের এমন নির্বিচার অভিযানে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া মানা হচ্ছে না। মানুষের অধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে। এ ছাড়া এসব অভিযান যুক্তরাষ্ট্রে অনিরাপদ পরিবেশ তৈরি করছে। বিশেষত জাতিগত সংখ্যালঘুদের মধ্যে উদ্বেগ বেড়েছে। তাদের আশঙ্কা, জাতিগত পরিচয়ের ভিত্তিতে অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে পররাষ্ট্র দফতরের মুখপাত্র টমি পিগট বলেন, ‘ইতিহাসের যেকোনো প্রশাসনের চেয়ে দ্রুতগতিতে’ বেশি বেশি ভিসা বাতিল করেছে ট্রাম্প প্রশাসন।

টমি পিগট সতর্ক করে আরও বলেন, ‘ভিসা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করার সময় কোনো বিদেশি আইন ভাঙলে, প্রতারণা করলে কিংবা আমাদের জাতীয় নিরাপত্তা ক্ষুণ্ন করলে তার প্রতি এখনকার প্রশাসন কোনো সহনশীলতা দেখাবে না।’

ফিলিস্তিনের পক্ষে যেসব বিদেশি যুক্তরাষ্ট্রে বিক্ষোভে শামিল হয়েছিলেন, তাদের ভিসাও গণহারে বাতিল করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। এ নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের তীব্র সমালোচনা করেছেন অধিকারকর্মীরা।

এ ছাড়া ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ রক্ষণশীল ভাষ্যকার চার্লি কার্ক হত্যাকাণ্ড নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মন্তব্য করায় বিদেশিদের ভিসা বাতিলের ঘটনাও ঘটেছে।

বিক্ষোভে অংশ নেওয়া বিদেশিদের ভিসা বাতিল করা ছাড়াও মার্কিন প্রশাসন অভিবাসনপ্রত্যাশী ও ভিসা আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কার্যক্রম আরও কঠোরভাবে যাচাই করছে।

অধিকারকর্মীদের অভিযোগ, এসব ক্ষেত্রে ট্রাম্প প্রশাসনের সমালোচকদের লক্ষ্যবস্তু বানাতে জাতীয় নিরাপত্তার যুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে। এ ছাড়া প্রতারণার কিছু ঘটনাকে সামনে এনে মিনেসোটার সোমালি-মার্কিনদের মতো অভিবাসী জনগোষ্ঠীকে ব্যাপকভাবে লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে।





Source link

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর