সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:০৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সিএমপি বাকলিয়া থানা পুলিশ কর্তৃক পরিচালিত অভিযানে চোরাইকৃত মালামাল উদ্ধার সহ ০১(এক) জন পেশাদার চোর গ্রেফতার। Udta Teer Box Office Day 3: Ayushmann Khurrana-Sara Ali Khan Film Beats Expectations With Rs 19.45 Crore | Bollywood News ‘I don’t think we can reveal on live TV’: Shadab Khan on chat with Haris Rauf | Cricket News ঠাকুরগাঁও-১ উপ নির্বাচনে সেনা মোতায়েন চায় জামায়াত হাম উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১৩৫৬ দীর্ঘ ৩ যুগ পর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় রেল স্টেশনে ট্রেনের যাত্রাবিরতি শুরু আগাম ভোটে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই, ক্ষমতা পুনরুদ্ধারে নজর ডেমোক্র্যাটদের ইনস্টাগ্রাম ইউজারনেম পরিবর্তনের সহজ উপায় Udta Teer Box Office Day 2: Ayushmann Khurrana, Sara Ali Khan’s Film Picks Up Pace, Earns Rs 7 Crore | Bollywood News Asian Para Games bronze leaves Suhas Yathiraj hungry for gold amid IAS duties and badminton | Asian Para Games 2026 News

৬ দফা দিবস উপলক্ষে বিশেষ ই-পোস্টার প্রকাশ

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: সোমবার, ৭ জুন, ২০২১
  • ৪৫৮ সময় দেখুন
৬ দফা দিবস উপলক্ষে বিশেষ ই-পোস্টার প্রকাশ


ডেস্ক রিপোর্ট:: ঐতিহাসিক ৬ দফা দিবস উপলক্ষে প্রকাশ করা হয়েছে বিশেষ ই-পোস্টার যার শিরোনাম রাখা হয়েছে ‘৭ জুন বাঙালির মুক্তির সনদ ঐতিহাসিক ৬ দফা দিবস: জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা’।

রোববার (০৬ জুন) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির উপপ্রধান তথ্য কর্মকর্তা মুহম্মদ মোহসিন রেজা।

দিবসটি উপলক্ষে সোমবার (০৭ জুন) বিশেষ আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি। বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ওই অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে।

সন্ধ্যা ৭টা থেকে অনুষ্ঠানটি বাংলাদেশ টেলিভিশনসহ সব টেলিভিশন, অনলাইন সংবাদমাধ্যম ও সোশাল মিডিয়ায় প্রচারিত হবে।

প্রতি বছরের ৭ জুন ঐতিহাসিক ৬ দফা দিবস হিসেবে পালন করা হয়। বাঙালি জাতির স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে অনন্য একটি দিন। বাঙালির অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে ৬ দফা ধীরে ধীরে বাঙালির অকুণ্ঠ সমর্থন লাভ করে। রচিত হয় স্বাধীনতার রূপরেখা। ৬ দফাভিত্তিক আন্দোলন-সংগ্রামের ধারাবাহিকতায় বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলন স্বাধীনতা সংগ্রামে রূপ নেয়।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি তাসখন্দ চুক্তিকে কেন্দ্র করে লাহোরে অনুষ্ঠিত সম্মেলনের সাবজেক্ট কমিটিতে ৬ দফা উত্থাপন করেন এবং পরের দিন সম্মেলনের আলোচ্যসূচিতে ৬ দফাকে স্থান দিতে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ করেন। সম্মেলনে বঙ্গবন্ধুর অনুরোধ উপেক্ষা করে ৬ দফার প্রতি আয়োজকপক্ষ গুরুত্ব না দিয়ে তা প্রত্যাখ্যান করে। এর প্রতিবাদে বঙ্গবন্ধু ওই সম্মেলনে আর যোগ দেননি। তবে লাহোরে অবস্থানকালেই ৬ দফা উত্থাপন করেন বঙ্গবন্ধু।

এর মধ্য দিয়ে পশ্চিম পাকিস্তানের খবরের কাগজে বঙ্গবন্ধুকে বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা তকমা দিয়ে সংবাদ ছাপানো হয়। পরে বঙ্গবন্ধু ঢাকায় ফিরে ১৩ মার্চ ৬ দফা এবং দলের অন্যান্য বিস্তারিত কর্মসূচি দলের কার্যনির্বাহী সংসদে পাস করিয়ে নেন।

৬ দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে শুরু হয় আওয়ামী লীগের আন্দোলন। হরতালও ডাকা হয়। হরতাল চলাকালে নিরস্ত্র জনতার ওপর পুলিশ ও তৎকালীন ইপিআর গুলিবর্ষণ করে। এতে ঢাকা এবং নারায়ণগঞ্জে মনু মিয়া, সফিক ও শামসুল হকসহ ১১ জন শহীদ হন।

ক্রমেই ৬ দফার প্রতি ব্যাপক জনসমর্থন তৈরি হয়। জনপ্রিয়তা বেড়ে যায় বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বের। বঙ্গবন্ধুর জনপ্রিয়তায় ভীত হয়ে সামরিক জান্তা আইয়ুব খানের নেতৃত্বাধীন স্বৈরাচারী সরকার ১৯৬৬ সালের ৮ মে বঙ্গবন্ধুকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠায়।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঘোষিত ৬ দফা আন্দোলন ১৯৬৬ সালের ৭ জুন নতুন মাত্রা পায়।

৬ দফাভিত্তিক ১১ দফা আন্দোলনের পথপরিক্রমায় শুরু হয় ঊনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থান। সর্বোপরি ১৯৭০-এর সাধারণ নির্বাচনে বাংলার জনগণ আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীদের একচেটিয়া রায় প্রদান করেন। জনগণ বিজয়ী করলেও স্বৈরাচারী পাকিস্তানি শাসকরা বিজয়ী দলকে সরকার গঠন করতে না দিলে বঙ্গবন্ধু জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করে স্বাধীনতার পক্ষে আন্দোলন শুরু করেন। এরই ধারাবাহিকতায় বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে ১৯৭১ সালে সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অভ্যুদয় ঘটে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের।

৬ দফার মূল বক্তব্য ছিল- প্রতিরক্ষা ও পররাষ্ট্র বিষয় ছাড়া সব ক্ষমতা প্রাদেশিক সরকারের হাতে থাকবে। পূর্ববাংলা ও পশ্চিম পাকিস্তানে দুটি পৃথক ও সহজে বিনিময়যোগ্য মুদ্রা থাকবে। সরকারের কর ও শুল্ক ধার্য ও আদায় করার দায়িত্ব প্রাদেশিক সরকারের হাতে থাকাসহ দুই অঞ্চলের অর্জিত বৈদেশিক মুদ্রার আলাদা হিসাব থাকবে এবং পূর্ববাংলার প্রতিরক্ষা ঝুঁকি কমানোর জন্য এখানে আধা-সামরিক বাহিনী গঠন ও নৌবাহিনীর সদর দফতর স্থাপনের দাবি জানানো হয়।

Print Friendly, PDF & Email



Source link

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর