শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৩০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কালিয়াকৈরে ওষুধ কারখানায় আগুন, আহত ১ রাশিয়ার তেল-গ্যাস কেনায় নিষেধাজ্ঞা স্থগিত ট্রাম্পের, স্বস্তিতে ভারত গ্রিনমেট্রিক ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র‍্যাঙ্কিং ২০২৬-এ উত্তরা ইউনিভার্সিটির অর্জন, রাষ্ট্রপতির অভিনন্দন Ranabaali: Reviews And Ratings Of Vijay-Rashmika Film Disabled On BookMyShow After Court Order | Telugu Cinema News Under pressure and on the move: India coach flags mental fatigue in camp amid ‘jam-packed’ schedule | Cricket News বঙ্গভঙ্গ দিবসে কর্মসূচি না থাকায় বিএনপির সমালোচনা জেডিপির হাম ও হামের উপসর্গে ১৬ দিনে ৭৮ শিশুর মৃত্যু ডেঙ্গুতে ১৬ দিনে প্রাণ হারাল ৯০ জন মক্কায় মসজিদে ‘অশালীন কর্মকাণ্ডে’র দায়ে বাংলাদেশি নারী-পুরুষের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর মেধার স্বীকৃতিস্বরূপ ডিন’স অ্যাওয়ার্ড পেলেন খুবির ২০ শিক্ষার্থী

বাড়ির এই চার জায়গায় জুতো পায়ে যাবেন না, অন্যথায় জীবন থেকে দারিদ্র্য ঘুচবে না!

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: মঙ্গলবার, ২৫ মে, ২০২১
  • ৪২৩ সময় দেখুন
বাড়ির এই চার জায়গায় জুতো পায়ে যাবেন না, অন্যথায় জীবন থেকে দারিদ্র্য ঘুচবে না!

কলকাতা: পুরাণে জুতো আর ছাতা কী ভাবে আবিষ্কার হল, তা নিয়ে এক উপভোগ্য কাহিনি আছে। বলা হয় যে একদা ঋষি জমদগ্নি মেতে উঠেছিলেন তীর ছোঁড়ার খেলায়! তিনি তীর ছুঁড়ছিলেন আর তাঁর স্ত্রী রেণুকা সেটা কুড়িয়ে এনে দিচ্ছিলেন। সময়টা ছিল এই বৈশাখ মাসেরই খর গরম! সূর্যের প্রখর তাপে রেণুকার সর্বাঙ্গ যেন ঝলসে যাচ্ছিল, পায়ে ফোসকা পড়ছিল! তাই দৌড়ে গিয়ে তীর নিয়ে আসতে স্বাভাবিক ভাবেই দেরি হচ্ছিল তাঁর।

আর এতেই ঋষি গেলেন ক্ষেপে! রাগের মাথায় তিনি যখন স্ত্রীকে শাপ দিতে যাচ্ছেন, তখন রেণুকা বললেন যে এতে তাঁর কোনও দোষ নেই, দোষ যদি থাকে, তাহলে তা একমাত্র সূর্যের প্রখর তাপের! জমদগ্নি কথাটা ন্যায্য বিবেচনা করে যখন সূর্যকেই শাপ দিতে উদ্যত হলেন, সূর্য তাড়াতাড়ি এসে তাঁকে উপহার দিয়ে গেলেন ছাতা আর জুতো- যাতে তাঁর তেজও বজায় থাকে, সেই সঙ্গে মানুষের কষ্টও না হয়!

এই দিক বিবেচনা করে দেখলে জুতো খারাপ কিছু নয়। তা আমাদের পা দু’টিকে রক্ষা করে তাপ এবং ধুলো থেকে। ঘরের মধ্যেও এই কারণে আমরা অনেকেই জুতো পড়ে থাকি। কিন্তু ওই যে- আমাদের পা পরিষ্কার রাখলেও জুতো তো আর পরিচ্ছন্ন থাকে না, তার তলায় ময়লা লেগেই থাকে, সে যতই ঘরে পরা হোক না কেন! তাই গৃহের অধিষ্ঠাত্রী দেব-দেবীরা জুতো পায়ে সর্বত্র ঘুরে বেড়ালে অসন্তুষ্ট হন, অপমানিত বোধ করেন। পরিণামে আমাদের জীবন সুখের হয় না।

বাস্তুশাস্ত্র মতে দেখে নেওয়া যাক ঘরের কোন চার জায়গায় জুতো পায়ে একেবারেই যাওয়া উচিত নয়!

১. ভাঁড়ার ঘর- বাড়ির যে অংশে খাদ্যদ্রব্যাদি মজুত থাকে, তাকেই বলা হয় ভাণ্ডার বা ভাঁড়ার ঘর। খাদ্যের অধিষ্ঠাত্রী দেবী হলেন লক্ষ্মী। তাই বাড়ির এই অংশে জুতো পায়ে গেলে একই সঙ্গে দেবী এবং খাদ্যের অবমাননা করা হয়। পরিণামে দেবীর কোপে গৃহে খাদ্যের জোগানে টান পড়ে, পরিবারকে দারিদ্র্য গ্রাস করে।

২. সিন্দুক- আগেকার দিনে লোকের বাড়িতে বড় বড় সিন্দুকে টাকা রাখা থাকত। এখন সেই ভারি লোহার সিন্দুকের রেওয়াজ না থাকলেও আলমারি তো আছে! তাই ধনের অধিষ্ঠাত্রী দেবী লক্ষ্মী এবং ধনাধিপতি কুবেরকে সম্মান দিয়ে সিন্দুক, আলমারি বা যেখানে টাকা রাখা থাকে তার কাছে জুতো পায়ে যাওয়া উচিত নয়। অন্যথায় লক্ষ্মীর কোপে, কুবেরের শাপে জীবনে দারিদ্র্য নেমে আসে।

৩. রান্নাঘর- আজকাল অনেকের বাড়িতে আলাদা করে রান্নাঘর থাকে, অনেকের আবার থাকেও না! এক্ষেত্রে জুতো পায়ে রান্না করা উচিত নয়, তেমনই জুতো পায়ে রান্নাঘরে যাওয়াও উচিত নয়। এতে অন্নদাত্রী দেবী অন্নপূর্ণা অসন্তুষ্ট হন, তাঁর কোপে পরিবারে খাদ্যের অভাব দেখা দেয়।

৪. ঠাকুরঘর- উপরে লেখা বাড়ির তিন জায়গা পবিত্র তো বটেই, তবে ঠাকুরঘরে তো সাক্ষাৎ দেবদেবীর ছবি বা মূর্তি থাকে, সেখানে পূজার্চনা করা হয়ে থাকে। তাই কখনই ঠাকুরঘরে জুতো পায়ে যাওয়া উচিত নয়, অন্যথায় গৃহদেবতার কোপে পরিবার সর্বনাশের সম্মুখীন হয়!

Source link

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর