
ইউনাইটেড নিউজ২৪ ডেস্ক:: টানা ১৯ দিন পর শিথিল হলো বিধিনিষেধ। আজ বুধবার (১১ আগস্ট) সকাল থেকে রাস্তায় চলাচল করছে গণপরিবহন।বুধবার সকাল থেকে সব আসনে যাত্রী নিয়ে সড়কে চলাচল করছে বাস। এছাড়া চালু হয়েছে সরকারি-বেসরকারি অফিসসহ আর্থিক প্রতিষ্ঠান। তবে, সবকিছু খুলে দেওয়া হলেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধই থাকছে। বন্ধ থাকছে পর্যটনকেন্দ্র, রিসোর্ট, কমিউনিটি সেন্টার ও বিনোদনকেন্দ্র।
রাজধানীর বিভিন্ন রুটে এ চিত্র দেখা গেছে। কোথাও কোথাও দাঁড়িয়ে যাত্রী নিয়ে বাস চলাচল করতেও দেখা গেছে। পূর্ণ আসনে যাত্রী নেওয়ায় স্বাভাবিক ভাড়ায় যাত্রী সাধারণ চলাচল করতে পারছেন।বলা চলে আজ (১১ জুলাই) থেকে চিরচেনা রূপে ফিরতে শুরু করেছে রাজধানী ঢাকা।
সম্প্রতি এক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সব আসনে যাত্রী পরিবহণ করলেও মোট পরিবহণের অর্ধেক রাস্তায় নামবে।
সড়কের পাশাপাশি বুধবার থেকে সারা দেশে রেল ও নৌ যোগাযোগও চালু হয়েছে। সোমবার রেলের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হয়।
করোনা সংক্রমণ রোধে সর্বশেষ কঠোর বিধিনিষেধ শেষ হলো মঙ্গলবার রাতে। বুধবার থেকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে প্রায় সবকিছু খুলে দেওয়া হয়েছে। আজ থেকে বিপণিবিতান, দোকানপাট, রেস্তোরাঁও খুলেছে। ব্যাংক-আর্থিক প্রতিষ্ঠানও পুরোদমে কার্যক্রম চালু করেছে।
শপিং মল-মার্কেট-দোকানপাট সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে খোলা রাখা যাবে। সব ধরনের শিল্প-কলকারখানা চালু থাকবে। খাবারের দোকান, হোটেল-রেস্তোরাঁয় অর্ধেক আসন খালি রেখে সকাল ৮টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা রাখা যাবে। তবে সব ক্ষেত্রে মাস্ক পরিধান নিশ্চিত করার পাশাপাশি স্বাস্থ্য অধিদপ্তর প্রণীত স্বাস্থ্যবিধি যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও গণজমায়েতের স্থান বিশেষ করে বিনোদনকেন্দ্র বন্ধ রয়েছে।
এর আগে, করোনা সংক্রমণ রোধে ১ জুলাই ১৪ জুলাই পর্যন্ত কঠোর বিধিনিষেধ জারি করে সরকার। তবে, কুরবানির ঈদ উপলক্ষে ও জীবন-জীবিকার প্রশ্নে ১৫ জুলাই থেকে ২২ জুলাই পর্যন্ত বিধিনিষেধ শিথিল করা হয়। এরপর ঈদ উদযাপন শেষে ২৩ জুলাই থেকে ফের কঠোর বিধিনিষেধ জারি করা হয়, যা শেষ হয় ১০ আগস্ট।