শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:২৩ অপরাহ্ন

একই খাবার একেক হলে ভিন্ন দাম, শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: মঙ্গলবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩
  • ৯৬ সময় দেখুন
একই খাবার একেক হলে ভিন্ন দাম, শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ


রিয়াদুল ইসলাম, নোবিপ্রবি করেসপনডেন্ট

নোয়াখালী: নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) একই আইটেমের খাবার হল ভেদে ভিন্ন ভিন্ন দামে বিক্রি করা হচ্ছে। আর এ বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শিক্ষার্থীরা।

নোবিপ্রবিতে মোট পাঁচটি আবাসিক হল রয়েছে। সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, মালেক উকিল হলে মাছের মূল্য ৪৫ টাকা যেখানে বঙ্গমাতা, বঙ্গবন্ধু ও খাদিজা হলে বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায়। পোল্ট্রি মুরগি মালেক উকিল হলে ৫০ টাকা, যেখানে বঙ্গবন্ধু হলে বিক্রি হচ্ছে ৩৫ টাকায়। বঙ্গমাতা ও খাদিজা হলে একই জিনিস বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায়।

ডিম ও সবজির দাম বঙ্গমাতা, বঙ্গবন্ধু, খাদিজা হলে ৩০ টাকায় বিক্রি হলেও মালেক উকিল হলে সেটি বিক্রি হচ্ছে ৩৫ টাকায়।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, দুই-একটি হলের খাবারের মান ভালো হলেও বাকিগুলোর মান খুবই নিম্ন।

সালাম হলের শিক্ষার্থী মুশফিকুর রহমান বলেন, আমাদের হলে খাবারে যে দাম রাখা হয় সে তুলনায় মান খুবই নিম্ন। অথচ মেয়েদের হলগুলোতে খাবারের দাম তুলনামূলক কম।

মালেক হলের শিক্ষার্থী নইমুল হাসান বলেন,‘আমাদের হলের বেশিরভাগ শিক্ষার্থী বাইরের ছোট দোকান থেকে খাবার কিনে খায়। কারণ এখানে দাম অনেক বেশি। আবার খাবারের মানও ভালো নয়। কম দামে যদি বাইরে ভালো খাবার পাওয়া যায় তাহলে শিক্ষার্থীরা এখান থেকে খাবে কেন? আর একই খাবার একেক হলে একেক দাম এটা মেনে নেওয়া যায় না। আশা করি হল প্রশাসন বিষয়টি দেখবেন।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল ও বিবি খাদিজা হলে খাবারের দাম কম। আর এ বিষয়ে হলের ডাইনিং ম্যানেজার জাহাঙ্গীর মিয়া বলেন, অন্যান্য হলের চেয়ে আমাদের হলে কর্মচারী কম, ভাড়াও বেশি না। বিদ্যুৎ বিল মওকুফ হওয়ায় অন্য হলের চেয়ে কম মূল্য বিক্রি করতে পারছি। তাছাড়া আমাদের হলে নাস্তার আইটেম বেশি থাকায় ওদিকে খাবার আইটেমে লস হলেও এটা দিয়ে পুষিয়ে নিতে পারি।

বীর মুক্তিযোদ্ধা সাবেক স্পীকার আবদুল মালেক উকিল হল ও ভাষা শহীদ আব্দুস সালাম হলের ডাইনিং ম্যানেজার মো. ইয়াসিন মিয়া বলেন, আমাদের হলের কর্মচারীর সংখ্যা বেশি হওয়ায় মজুরি বাবদ বড় অংকের টাকা চলে যায়। হল ভাড়া, বিদ্যুৎ বিল সব মিলিয়ে অন্যান্য হলের চেয়ে খরচটাও অনেক বেশি, তাই বেশি দামে বিক্রি করা হয়। তাছাড়া আমাদের হলের খাবারের মান অনেক ভালো।

বিষয়টি নিয়ে নোবিপ্রবি উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আব্দুল বাকী বলেন, হলগুলোতে খাবার দামের পার্থক্যটা জানা ছিল না। বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

নোবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ দিদার-উল-আলম বলেন, ছাত্র হলে খাবারের দাম ছাত্রী হলের চেয়ে বেশি হবে কেন। মালেক হলের বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য হল প্রশাসনকে বলব। হলগুলোর খাবারের দামের পার্থক্যের বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সারাবাংলা/এনইউ





Source link

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর