শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ১১:৩৬ পূর্বাহ্ন

এক মেয়াদের বেশি উপাচার্য থাকার দরকার নেই: ইউজিসি চেয়ারম্যান

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: সোমবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০২১
  • ২৭১ সময় দেখুন
এক মেয়াদের বেশি উপাচার্য থাকার দরকার নেই: ইউজিসি চেয়ারম্যান


জাবি করেসপন্ডেন্ট

জাবি: এক মেয়াদের বেশি উপাচার্য থাকার দরকার নেই বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক কাজী শহীদুল্লাহ। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) দুইদিন ব্যাপী ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান অ্যান্ড হিস লিগ্যাসি’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক সম্মেলনের সমাপনী অনুষ্ঠানে এ কথা জানান তিনি।

সোমবার (১৩ ডিসেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের জহির রায়হান মিলনায়তনের সেমিনার কক্ষে সম্মেলনের সমাপনী অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। সম্মেলন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ইউজিসি’র চেয়ারম্যান একথা জানান।

এ সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে অধ্যাপক কাজী শহীদুল্লাহ বলেন, ‘এক মেয়াদের বেশি উপাচার্য থাকার দরকার নেই। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য তৃতীয় মেয়াদে থাকবে কি না— সেটা সরকার জানে। তবে তৃতীয় মেয়াদে উপাচার্য হওয়ার নিয়ম আমার জানা নেই।’

তিনি আরও বলেন, ‘উপাচার্য ঘর থেকে অফিস করেন, সেটা করোনা পরিস্থিতি বিবেচনা করে। স্বাস্থ্যগত সমস্যা হলে তো কিছুই করার নেই। আর এ ব্যাপারে ইউজিসিতে কেউ লিখিতও দেয়নি। তবে অফিসে এসে কাজ করলে বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য ভালো।’

এক মেয়াদের বেশি উপাচার্য থাকার দরকার নেই: ইউজিসি চেয়ারম্যান
অনুষ্ঠানে অথিতিদের সম্মাননা প্রদান করা হয়, ছবি: সারাবাংলা

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রবীন্দ্র ভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক পবিত্র সরকার। এতে আরও বক্তব্য রাখেন— বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু চেয়ার অধ্যাপক আতিউর রহমান, জাবি উপ উপাচার্য (শিক্ষা) নূরুল আলম, কোষাধ্যক্ষ রাশেদা আখতার, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্য নাসিম বানু আরও অনেকে।

অনুষ্ঠানে অগ্রণী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং সিইও মোহাম্মদ শামস-উল-আলমকে বন্ধুবন্ধু কর্নারের প্রবক্তা হিসেবে সম্মাননা দেওয়া হয়।

‘বঙ্গবন্ধুর নান্দনিক নেতৃত্ব এবং মানবমুক্তির অগ্রযাত্রা’ শীর্ষক লিখিত প্রবন্ধ পাঠের সময় অধ্যাপক আতিউর রহমান বলেন, ‘স্বাধীনতার পরে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্ব বাংলাদেশকে শূন্য থেকে উন্নতির শীর্ষে নিয়ে গেছেন। ১৯৭২ সালে বঙ্গবন্ধু যখন দেশের হাল ধরেন তখন মাথাপিছু আয় ছিল ৯৩ মার্কিন ডলার। ১৯৭৫ সালে সেই আয় এসে ২৭৩ মার্কিন ডলারে পৌঁছায়। ৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করার পর মাথাপিছু আয়ের একই অবস্থায় পৌঁছতে এক দশকেরও বেশি সময় লেগে যায় বাংলাদেশের।’

আন্তর্জাতিক জন-ইতিহাস ইনস্টিটিউট, বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগ, প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ এবং বঙ্গবন্ধু তুলনামূলক সাহিত্য ও সংস্কৃতি ইনস্টিটিউট যৌথভাবে এ আয়োজন করে। অনলাইন ও সশরীরে দুই দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত এ সম্মেলনে শতাধিক গবেষণা প্রবন্ধ পাঠ করা হয়। জার্মানি, সুইডেন, কানাডা, ভারতসহ বিভিন্ন দেশের শিক্ষাবিদেরা এই সম্মেলনে অংশ নেন।

সারাবাংলা/এনএস





Source link

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর