শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৫৮ পূর্বাহ্ন

চীনে সরকারবিরোধী ধনকুবেরের জেল

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: বৃহস্পতিবার, ২৯ জুলাই, ২০২১
  • ৩৪৭ সময় দেখুন
চীনে সরকারবিরোধী ধনকুবেরের জেল


আন্তর্জাতিক ডেস্ক

চীনের সরকার সমালোচক বড় ব্যবসায়ীদের শাস্তির আওতায় আনার ধারাবাহিকতায় ধনকুবের সান দাওউকে ১৮ বছরের জেল দিয়েছে দেশটির আদালত।

বিবিসি জানিয়েছে, বিবাদ সৃষ্টিতে উসকানি দেওয়ার অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় চীনের কৃষিখাতের সবচেয়ে বড় ব্যবসায়ী সান দাওউকে এই শাস্তি দেওয়া হয়েছে।

সাধারণত সরকারবিরোধী আন্দোলনের কর্মীদের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ আনা হয়। ৬৫ বছর বয়সী সান এর আগে মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং স্পর্শকাতর রাজনৈতিক ব্যাপার নিয়ে সরকারের সমালোচনা করেছিলেন।

অন্যদিকে, অবৈধভাবে কৃষিজমি দখল, সরকারি প্রতিষ্ঠানে হামলার উদ্দেশ্যে লোক জমায়েত এবং সরকারি কর্মচারীদের কাজে বাধা দেওয়ার দায়েও সানকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। কারাদণ্ডের পাশাপাশি তাকে ৩১ লাখ ইউয়ান জরিমানাও করা হয়েছে।

চীনের সবচেয়ে বড় কোম্পানিগুলোর একটি সানের প্রতিষ্ঠানে মাংস প্রক্রিয়াকরণ থেকে শুরু করে পোষা প্রাণীর খাবার এবং স্কুল কিংবা হাসপাতালের খাবারও সরবরাহ করা হয়। জমি নিয়ে সরকারের সঙ্গে বিরোধের জেরে গত বছর ২০ জন ব্যবসায়িক সহযোগী এবং স্বজনসহ সান দাওউকে আটক করার খবর পাওয়া গেছে।

ওই ব্যবসায়ী সে সময় দাবি করেছিলেন, এই বিরোধের জেরে তার কয়েক ডজন কর্মী পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে আহত হয়েছেন।

সানের সঙ্গে বেশ কিছু ভিন্নমতাবলম্বী রাজনৈতিক ব্যক্তির যোগাযোগ এবং অতীতে সরকারের গ্রামীণ নীতির সমালোচনা করার বিষয়ে জানা যায় বলেও বিবিসি জানিয়েছে।

২০১৯ সালে আফ্রিকান সোয়াইন ফ্লু মহামারি আড়াল করা নিয়ে খোলাখুলিভাবে চীন সরকারের সমালোচনা করেন সান। সে সময় মহামারিতে তার খামার ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং বিপর্যস্ত হয় চীনের পোল্ট্রি শিল্প।

এর আগে ২০০৩ সালেও অবৈধভাবে তহবিল সংগ্রহের অভিযোগে তাকে কারাদণ্ড দিয়েছিল আদালত। তবে দেশের জনগণ এবং আন্দোলনের কর্মীদের দাবির মুখে ওই মামলা বাতিল করা হয়।

তবে সান তার বিরুদ্ধে আনা এসব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে নিজেকে কমিউনিস্ট পার্টির একজন সদস্য হিসেবে দাবি করেন। অবশ্য তিনি অনলাইনে ‘বার্তা’ দেওয়াসহ বেশ কিছু ভুলের কথা স্বীকার করে নিয়েছেন।

সান দাওউ বলেন, তারা যেভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করছে তাতে ঘনিষ্টরা কষ্ট পাচ্ছেন এবং নিন্দুকরা খুশি হচ্ছেন। বাকিদের মুক্তির বিনিময়ে যেসব দায় আনা হয়েছে সেসব কঠিন হলেও মেনে নিতে চান তিনি।

প্রসঙ্গত, প্রধান প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান আলিবাবা, দিদি এবং টেনসেন্টসহ বেশ কিছু বড় ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান নিয়ন্ত্রণ নীতি মানছে কিনা সে বিষয়ে তদন্ত চালাচ্ছে চীন।

সারাবাংলা/একেএম





Source link

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর