আজকাল রেফ্রিজারেটর ছাড়া কোনও সংসার প্রায় কল্পনাই করা যায় না। ভারতের মতো উষ্ণ-আর্দ্র আবহাওয়ার দেশে খাবারদাবার সংরক্ষণ করতে রেফ্রিজারেটর খুব জরুরি। প্রায় প্রতি বছরই নির্মাতা সংস্থাগুলি নতুন নতুন মডেলের রেফ্রিজারেট নিয়ে আসেন বাজারে। যে কোনও বৈদ্যুতীন পণ্যের মতোই রেফ্রিজারেটরেও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের জন্য স্টার রেটিং দেওয়া হয়।
এক নজরে দেখে নেওয়া যাক সেরা ৫টি রেফ্রিজারেটরের তালিকা—
১. Samsung –এর ৩ স্টার ২৫৩ লিটার ডবল ডোর। এটি সংস্থার সেরা রেফ্রিজারেটর মডেলগুলির একটি। অটো-ডিফ্রস্ট ফিচার-সহ এই রেফ্রিজারেটরে একটি টেকসই ডিজিটাল ইনভার্টার কম্প্রেসারও রয়েছে, যা বিদ্যুৎ সাশ্রয় করে, শব্দও কম হয়। এছাড়া রয়েছে, ডিজিটাল ডিসপ্লে, স্লাইজ শেলফ, ১০০V থেকে ৩০০V পর্যন্ত স্টেবিলাইজার ফ্রি ব্যবহার সম্ভব। এটি একটি রঙেই পাওয়া যায়।
আরও পড়ুন: চলতে চলতে ফ্যানের স্পিড কমে গিয়েছে? নতুন এর মতো ঝড়ের গতির জন্য করুন এই কাজ
২. LG ৩ স্টার ২৪২ লিটার ফ্রস্ট-ফ্রি ডবল ডোর। এর বিশেষত্বই হল ফ্রস্ট-ফ্রি প্রযুক্তি, দরজাও ঠান্ডা হয়। এতে রয়েছে স্মার্ট ইনভার্টার কম্পেসর যা, দীর্ঘক্ষণ ঠান্ডা রাখে। তবে এই মডেলটি সামান্য বেশি শব্দ করে।
৩. Whirlpool ৩ স্টার ২৪৫ লিটার ফ্রস্ট-ফ্রি ডবল ডোর। এতে রয়েছে ফ্রেশফ্লো এয়ার টাওয়ার এবং ফ্লেক্সি ভেন্ট, যা ১২ দিন পর্যন্ত সতেজতার প্রতিশ্রুতি দেয়। এই এয়ার টাওয়ারটি ইউনিফর্ম কুলিং দেয়। দরজায় রাখা বোতল ৪০ শতাংশ দ্রুত ঠান্ডা করতে পারে। সমস্যা হল এর দরজায় তালা লাগানোর ব্যবস্থা নেই।
৪. Whirlpool ৩ স্টার ২৬৫ লিটার ফ্রস্ট-ফ্রি ডবল ডোর। এত রয়েছে অনেকখানি জায়গা। ‘ফাইভ ইন ওয়ান’ মোড-এর মধ্যে রয়েছে অল সিজন, শেফ, পার্টি, ডেজার্ট এবং ডিপ ফ্রিজ মোড। এর মাইক্রোপ্রসেসর এবং ৩টি ইন্টেলিজেন্সর সর্বোত্তম শীতলতা ও দীর্ঘস্থালী সতেজতার প্রতিশ্রুতি দেয়।
৫. Godrej ৩ স্টার ২৯৪ লিটার ফ্রস্ট-ফ্রি ডবল ডোর। এতে রয়েছে পেটেন্ট কুল শাওয়ার প্রযুক্তি। এতে রয়েছে ছ’টি কুলিং মোড—অটো মোড, লো লোড মোড, আইস্ক্রিম মোড, হাই লোড, ডিপ ফ্রিজার ও কোল্ড স্টোরেজ মোড। তবে এটিতে বিদ্যুৎ খরচ সামা্ন্য বেশি হতে পারে।
নিউজ১৮ বাংলায় সবার আগে পড়ুন ব্রেকিং নিউজ। থাকছে দৈনিক টাটকা খবর, খবরের লাইভ আপডেট। সবচেয়ে ভরসাযোগ্য বাংলা খবর পড়ুন নিউজ১৮ বাংলার ওয়েবসাইটে।
Tags: Buying tips, Refrigerator, Tech tips