বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ০৫:০৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
দামপাড়া পুলিশ লাইন্সে সিএমপি কমিশনার মহোদয় এর বৃক্ষরোপণ অভিযান ছতুরার নূর: রূহানিয়তের এক উজ্জ্বল উত্তরাধিকার সরকার অনুমোদন ছাড়া মাছের খাদ্য উৎপাদন, কর্ণফুলীতে জরিমানা কালিয়াকোরে বিশেষ অভিযানে অবৈধ চায়না দুয়ারী ও কারেন্ট জাল উদ্ধার করা হয় কালিয়াকৈরে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ কথিত নৈরাজ্য বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি ও অস্থিতিশীলতার বি এন পির প্রতিবাদ বিক্ষোভ মিছিল শ্যামনগরে গবাদি প্রাণীর প্রাথমিক স্বাস্থ্য সেবা ও টিকাদান কর্মসূচি নিশ্চিত করতে ১৫ জন ভেটেরিনারি স্বেচ্ছাসেবককে ৫ দিনের প্রশিক্ষণ নোয়াখালী সাংবাদিক ইউনিয়নের উদ্যোগে ফল উৎসব অনুষ্ঠিত। স্কুল ব্যাগে বিশেষ কৌশলে ৮ হাজার ইয়াবা পাচারের সময় ৩ রোহিঙ্গা মাদক কারবারি আটক জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে পুনর্নিয়োগ পেলেন এ কে এম ওয়াহিদুজ্জামান বাগমারায় ব্যবসায়ীকে হামলার অভিযোগ

থানায় ঢুকে আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা, সাবেক শিবির নেতা গ্রেফতার

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: বুধবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৫
  • ১৭০ সময় দেখুন
থানায় ঢুকে আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা, সাবেক শিবির নেতা গ্রেফতার


চট্টগ্রাম ব্যুরো: চট্টগ্রামে থানায় ঢুকে হত্যা মামলায় আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা, পুলিশের গায়ে হাত তোলাসহ অপ্রীতিকর বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের পর ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

বুধবার (২২ অক্টোবর) দুপুর সোয়া ২টার দিকে চট্টগ্রামের হাটহাজারী থানায় এ ঘটনা ঘটে। থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মনজুর কাদের ভূঁইয়া এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

গ্রেফতার মো. রায়হান (২৬) হাটহাজারী পৌরসভার বাসিন্দা। তিনি হাটহাজারী কলেজ ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি বলে জানা গেছে।

এর আগে, মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) বিকেলে হাটহাজারী পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডে সহপাঠীদের ছুরিকাঘাতে মো. তানভীর (১৬) নামে এক ছাত্র নিহত হয়। তানভীর স্থানীয় আলীপুর রহমানীয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।

এ ঘটনায় তানভীরের বাবার করা মামলায় পুলিশ ওই স্কুলের দশম শ্রেণির তিন ছাত্রকে গ্রেফতার করে। বুধবার দুপুরে তাদের আদালতে পাঠানো হচ্ছিল।

হাটহাজারী থানার ওসি মনজুর কাদের ভূঁইয়া সারাবাংলাকে বলেন, ‘হত্যাকাণ্ডের পর রাতে রায়হান থানায় আসে। শুরু থেকেই সে উত্তেজিত ছিল। বিভিন্নজনের নাম উল্লেখ করে তাদের গ্রেফতার করার জন্য চাপ দিতে থাকে। এক পর্যায়ে সে থানার সেকেন্ড অফিসারকে তুই-তোকারি করে গালিগালাজ করতে করতে উনার ওপর চড়াও হয়। তখন আমরা তাকে থানা থেকে বের করে দিই। আজ (বুধবার) সকালে স্কুলের শিক্ষকরা নিহত ছাত্রের বাড়িতে গিয়েছিল তার পরিবারকে সমবেদনা জানাতে। সেখানে রায়হান লোকজন নিয়ে গিয়ে তাদের অবরুদ্ধ করে নাজেহাল করে। আমরা খবর পেয়ে সেখানে গিয়ে শিক্ষকদের উদ্ধার করি।’

তিনি আরও বলেন, ‘দুপুরের দিকে রায়হান ফের প্রায় ৫০ জন লোক নিয়ে থানায় আসে। সে স্কুলের শিক্ষকদের কয়েকজনের নাম উল্লেখ করে তাদের গ্রেফতার করার জন্য চাপ দিতে থাকে। এবারও আমরা তাকে এড়িয়ে যাই। সোয়া ২টার দিকে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গ্রেফতার তিনজনকে আদালতে নেওয়ার জন্য গাড়িতে তোলা হচ্ছিল। তখন সে টানাহ্যাঁচড়া করে তাদের গাড়ি থেকে নামিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। দু’জন পুলিশ সদস্যকে ধাক্কা মেরে ফেলে দিয়ে আসামিদের ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। তিনি অপ্রাপ্তবয়স্ক আসামিদের ছবি তুলছিল, ভিডিও করছিল। তখন আমরা তাকে গ্রেফতার করি।’

গ্রেফতারের পর রায়হান হাটহাজারী কলেজ ছাত্রশিবিরের সভাপতি ছিলেন বলে জেনেছেন উল্লেখ করে ওসি মনজুর কাদের ‍ভূঁইয়া বলেন, ‘তার দলীয় কিংবা রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনায় নিয়ে গ্রেফতার করা হয়নি। সে থানার ভেতরে ঢুকে পুলিশ সদস্যদের গায়ে হাত তুলেছে, জোরপূর্বক আসামি কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছে। আসামিরা অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় তাদের ছবি-ভিডিও, এমনকি নাম প্রকাশ পর্যন্ত আইনত নিষিদ্ধ। এ কারণেই আমরা রায়হানকে গ্রেফতার করেছি। তার বিরুদ্ধে মামলা করা হচ্ছে।’

হাটহাজারী উপজেলা জামায়াতের নেতারা জানান, রায়হান একসময় ছাত্রশিবিরের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকলেও বর্তমানে শিবির কিংবা জামায়াতের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত নয়।





Source link

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর
Ads by coinserom