রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:৫৭ পূর্বাহ্ন

ফ্রিল্যান্সারদের টেকসই ইকোসিস্টেমে আনার লক্ষ্য আরমানের

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: শুক্রবার, ৩ মে, ২০২৪
  • ১০৬ সময় দেখুন
ফ্রিল্যান্সারদের টেকসই ইকোসিস্টেমে আনার লক্ষ্য আরমানের


সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: দেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের শীর্ষ সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেসের (বেসিস) নির্বাচনে পরিচালক পদে লড়ছেন ম্যাগনাস সফটওয়্যার ওয়ার্কসের সিইও আরমান আহমেদ খান। ‘টিম স্মার্ট’ থেকে অ্যাসোসিয়েট ক্যাটাগরিতে পরিচালক পদে লড়ছেন। নির্বাচিত হলে দেশের আইসিটি খাতের তরুণ উদ্যোক্তাদের উন্নয়নে কাজ করতে চান তিনি। দেশের ফ্রিল্যান্সারদের টেকসই ইকোসিস্টেমের অধীনে আনার লক্ষ্যও তার।

আরমান আহমেদ খান টিম স্মার্ট থেকে অ্যাসোসিয়েট ক্যাটাগরিতে পরিচালক পদে নির্বাচন করছেন। অ্যাডভান্সড ইআরপি বিডি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান সোহেলের নেতৃত্বে গড়া এই প্যানেলে এক ঝাঁক তরুণ প্রার্থী রয়েছেন। স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণের লক্ষ্যে এই প্যানেলে স্মার্ট বেসিস গঠনের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে।

আরমান আহমেদ খান বলেন, টিম স্মার্টের পক্ষ থেকে স্মার্ট বেসিস গঠনে আমি চারটি বিষয়কে প্রাধান্য দিচ্ছি— প্রথমত, তরুণ উদ্যোক্তাদের সুবিধা দেওয়া; দ্বিতীয়ত, টেকসই ইকোসিস্টেমের অধীনে ফ্রিল্যান্সারদের নিয়ে আসা; তৃতীয়ত, নতুন সহযোগী সদস্যদের গাইড করা; এবং চতুর্থত, নতুন সদস্যদের ইন্ড্রাস্ট্রির লিডারদের সঙ্গে যুক্ত করা। নির্বাচিত হলে আমি এই চারটি বিষয়কে অগ্রাধিকার দেবো।

আরও পড়ুন- আইসিটি ইন্ড্রাস্ট্রির সঠিক ব্র্যান্ডিং করতে চাই: রফিক উল্লাহ

তরুণ উদ্যোক্তাদের নিয়ে কাজ করার বিশেষ আগ্রহ রয়েছে আরমান আহমেদ খানের। তিনি বলেন, তরুণরা যেকোনো খাতের প্রাণ। আমাদের আইসিটি খাতেও প্রচুর তরুণ উদ্যোক্তা রয়েছে। কিন্তু একদিকে সঠিক নির্দেশনার অভাব রয়েছে তাদের জন্য, অন্যদিকে তাদের জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধাও কম। এই বিষয়গুলো নিশ্চিত করতে পারলে তরুণ উদ্যোক্তারা প্রযুক্তি খাতকে অনেক এগিয়ে নিতে সক্ষম হবে। তাদের হাত ধরেই স্মার্ট বাংলাদেশের পথে আমরা এগিয়ে যেতে পারব।

ফ্রিল্যান্সিংয়ের সম্ভাবনা তুলে ধরে ম্যাগনাস সফটওয়্যার ওয়ার্কসের এই সিইও বলেন, ফ্রিল্যান্সিংয়ে বাংলাদেশের সম্ভাবনার কথা বহু পুরনো। আমাদের ফ্রিল্যান্সাররা ভালো করছে। কিন্তু সবাই ব্যক্তি উদ্যোগে কাজ করে। তাদের জন্য সত্যিকার অর্থে সুযোগ-সুবিধা তৈরি করে দেওয়া যায়নি। তাদের জন্য কোনো ধরনের ইকোসিস্টেম তৈরি করা হয়নি। অথচ একটি টেকসই ইকোসিস্টেম তৈরি করে দিতে পারলে ফ্রিল্যান্সিং খাতই আমাদের বিদেশি অর্থ উপার্জনের অন্যতম খাতে পরিণত হতে পারে। নির্বাচিত হলে এ বিষয়টা নিয়ে আমি বিশেষভাবে মনোযোগ দিতে চাই।

আরও পড়ুন-

সারাবাংলা/ইএইচটি/টিআর





Source link

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর