
ইউনাইটেড নিউজ ২৪ ডেস্ক ::
বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী বীরপ্রতীক বলেছেন, বস্ত্র খাতের সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সব ধরনের সহযোগিতায় সদা সচেষ্ট থাকবে মন্ত্রণালয়। চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সর্বদা বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় আপনাদের পাশে থাকবে। ‘জাতীয় বস্ত্র দিবস ২০২১’ উদযাপন উপলক্ষ্যে শনিবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে মন্ত্রণালয় আয়োজিত সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা জানান।
অনুষ্ঠানে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মির্জা আজম, বস্ত্র ও পাট সচিব মো. আব্দুর রউফ, অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ আবুল কালাম, বস্ত্র অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. নুরুজ্জামান, বিজিএমইএ সভাপতি ফারুক হাসান, বিকেএমইএ, বিটিএমএ ও বস্ত্র খাতের সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের প্রতিনিধিরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
মন্ত্রী বলেন, বস্ত্র খাতের জন্য দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির লক্ষ্যে সরকারি পর্যায়ে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ, টেক্সটাইল ইনস্টিটিউট, টেক্সটাইল ভোকেশনাল ইনস্টিটিউট, তাঁত প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট এবং ফ্যাশন ডিজাইন ইনস্টিটিউট পরিচালিত হচ্ছে। বস্ত্র খাতে দক্ষ জনবলের ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে এ ধরনের আরও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্থাপনের কাজ চলমান রয়েছে। বাংলাদেশের সোনালি ঐতিহ্য মসলিনকে বড় পরিসরে বাণিজ্যিক রূপদানের জন্য ‘ঢাকাই মসলিন হাউজ’ প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, বস্ত্র খাতে প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত বিশেষ প্রণোদনার কারণে এ খাত জাতীয় রফতানির ধারাকে করোনাভাইরাসের ক্ষতিকর প্রভাবমুক্ত রাখতে সক্ষম হয়েছে। এবারের ‘জাতীয় বস্ত্র দিবস’ এর প্রতিপাদ্য ‘বস্ত্র খাতের বিশ্বায়ন : বাংলাদেশের উন্নয়ন’।
অনুষ্ঠানে চলমান মহামারির অভিঘাতে বস্ত্র খাতকে রক্ষায় অবদানের জন্য ‘জাতীয় বস্ত্র দিবস’ ২০২১ উদযাপন উপলক্ষ্যে সাতটি সংগঠনকে সম্মাননা দেওয়া হয। সংগঠনগুলো হল- বিজিএমইএ, বিকেএমইএ, বিটিএমএ, বিজিবিএ, বিজিবিএ, বিএসটিএমপিআইএ, বিটিটিএলএমইএ ও বাংলাদেশ জাতীয় তাঁতী সমিতি। এর আগে সকালে জাতীয় বস্ত্র দিবস ২০২১ উদযাপন উপলক্ষ্যে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়।