রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৫১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কালিয়াকৈরে ওষুধ কারখানায় আগুন, আহত ১ রাশিয়ার তেল-গ্যাস কেনায় নিষেধাজ্ঞা স্থগিত ট্রাম্পের, স্বস্তিতে ভারত গ্রিনমেট্রিক ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র‍্যাঙ্কিং ২০২৬-এ উত্তরা ইউনিভার্সিটির অর্জন, রাষ্ট্রপতির অভিনন্দন Ranabaali: Reviews And Ratings Of Vijay-Rashmika Film Disabled On BookMyShow After Court Order | Telugu Cinema News Under pressure and on the move: India coach flags mental fatigue in camp amid ‘jam-packed’ schedule | Cricket News বঙ্গভঙ্গ দিবসে কর্মসূচি না থাকায় বিএনপির সমালোচনা জেডিপির হাম ও হামের উপসর্গে ১৬ দিনে ৭৮ শিশুর মৃত্যু ডেঙ্গুতে ১৬ দিনে প্রাণ হারাল ৯০ জন মক্কায় মসজিদে ‘অশালীন কর্মকাণ্ডে’র দায়ে বাংলাদেশি নারী-পুরুষের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর মেধার স্বীকৃতিস্বরূপ ডিন’স অ্যাওয়ার্ড পেলেন খুবির ২০ শিক্ষার্থী

বেরোবিতে জাল সনদে চাকরির অভিযোগে ফিজিক্যাল ইন্সট্রাক্টর সাময়িক বরখাস্ত

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: রবিবার, ১৮ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ২৩২ সময় দেখুন
বেরোবিতে জাল সনদে চাকরির অভিযোগে ফিজিক্যাল ইন্সট্রাক্টর সাময়িক বরখাস্ত


রংপুর: বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) জাল শিক্ষাগত সনদে চাকরির অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এ সময় শারীরিক শিক্ষা দফতরের একজন ফিজিক্যাল ইন্সট্রাক্টরকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

রোববার (১৮ জানুয়ারি) দুপুরে এ অভিযান পারচালনা করা হয়। প্রাথমিক তদন্তে সাময়িক বরখাস্ত হওয়া ফিজিক্যাল ইন্সট্রাক্টর মোছাঃ ইরিনা নাহারের স্নাতকোত্তর সনদ জাল বলে প্রমাণিত হয়েছে।

এদিকে, দুদকের রংপুর সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক, বেলাল হোসেনের নেতৃত্বে একটি দল প্রশাসন ভবনে এসে জাল সনদে চাকরির অভিযোগে বিভিন্ন কর্মকর্তা-কর্মচারীর শিক্ষাগত সনদ যাচাই-বাছাই শুরু করেছে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত সনদ যাচাইয়ের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

দুদকের সহকারী পরিচালক বেলাল হোসেন বলেন, ‘কমিশনের নির্দেশে আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জাল সনদে চাকরির অভিযোগ খতিয়ে দেখতে এসেছি। ইতোমধ্যে ইরিনা নাহারের স্নাতকোত্তর সনদ জাল বলে প্রাথমিকভাবে সত্যতা পাওয়া গেছে। অন্যান্য সংশ্লিষ্টদের শিক্ষাগত সনদ সংগ্রহ করে যাচাই-বাছাই শেষে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ড. মো. হারুন-অর রশিদ দুদক টিমকে সার্বিক সহযোগিতা করেন। তিনি জানান, দুদকের নির্দেশনা পাওয়ার পর থেকেই প্রশাসন সহযোগিতা করছে এবং প্রয়োজনীয় সব নথিপত্র সরবরাহ করা হয়েছে।

সূত্র জানায়, এই অভিযানের ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ে জাল সনদ নিয়ে আরও কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারীর নাম উঠে আসতে পারে। এর আগে ২০২৫ সালের নভেম্বরে দুদকের একই ধরনের অভিযানে বিশ্ববিদ্যালয়ের ১২ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীর ভুয়া শিক্ষাগত সনদের অভিযোগ উঠেছিল।

বর্তমান অভিযানকে বিশ্ববিদ্যালয়ের দীর্ঘদিনের দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে আরও বড় পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের মধ্যে এই অভিযান নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। কেউ কেউ বলছেন, এটি বিশ্ববিদ্যালয়কে পরিশুদ্ধ করার একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ, আবার কেউ কেউ উদ্বেগ প্রকাশ করছেন যে তদন্তের নামে হয়রানির আশঙ্কা রয়েছে।

দুদক সূত্র জানায়, এই অভিযানের অংশ হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন দফতর থেকে নথিপত্র সংগ্রহ করা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের ফরেনসিক পরীক্ষা করা হবে। ইরিনা নাহারের ক্ষেত্রে জাল সনদের প্রমাণ পাওয়ার পর তার বিরুদ্ধে দুদকের মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।

এই ঘটনা বেরোবির সাম্প্রতিক দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগের ধারাবাহিকতায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে। শিক্ষার্থী ও শিক্ষক সমাজ এই তদন্তের ফলাফলের দিকে নজর রেখেছেন, যাতে বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হয়।





Source link

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর