সোমবার, ০৯ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:২৯ পূর্বাহ্ন

যশোরের ৫৫ স্কুল পাচ্ছে ৮২ লাখ টাকা

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: বৃহস্পতিবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০২২
  • ৯৯ সময় দেখুন
যশোরের ৫৫ স্কুল পাচ্ছে ৮২ লাখ টাকা


মালিক উজ জামান, যশোর প্রতিনিধি :: 

যশোর জেলার ৫৫টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে দেওয়া হচ্ছে ৮২ লাখ ৫০ হাজার টাকা। বিদ্যালয়ে খেলাধূলার সরঞ্জাম কেনার জন্য এই বরাদ্দ দিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা অধিদপ্তর। প্রত্যেক বিদ্যালয় পাচ্ছে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা।

জেলায় বরাদ্দ পাওয়া ৫৫ টি স্কুলের মধ্যে রয়েছে অভয়নগরে ৪, কেশবপুরে ২, চৌগাছায় ৫, ঝিকরগাছায় ৩, বাঘারপাড়ায় ৬, মণিরামপুরে ৬, শার্শায় ১২ ও সদর উপজেলায় ১৭ টি। যেসব স্কুল এই বরাদ্দ পাচ্ছে তাদের মানতে হবে কিছু শর্ত। বরাদ্দ পাওয়া এসব স্কুলকে নিড বেইজড প্লেইং এক্সেসরিজ কিনতে দেওয়া হয়েছে এই অর্থ। চতুর্থ প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচির (পিইডিপি-৪) সাব কম্পোনেট কার্যক্রম বাস্তবায়নে ২০২২-২৩ অর্থবছর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নিড বেইজড প্লেইং এক্সেসরিজের ব্যয়

নির্বাহে উপজেলা শিক্ষা অফিসারের অনুকূলে অনাবাসিক ভবন উপখাত থেকে জিওবি ও আরপি খাত থেকে এই বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। বরাদ্দের এই টাকা ব্যয়ের কিছু শর্ত দিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা ও গণশিক্ষা অধিদপ্তর। শর্তের মধ্যে রয়েছে স্কুলে নিড বেইজড প্লেইং এক্সেসরিজ স্থাপনের কার্যক্রম ম্যানেজিং কমিটির মাধ্যমে সম্পন্ন করতে হবে। কাজ শুরুর আগে অবশ্যই উপজেলা প্রকৌশলী কর্তৃক নিড বেইজড প্লেইং এক্সেসরিজ স্থাপন কার্যক্রমের প্রাক্কলন প্রস্তুত করে উপজেলা শিক্ষা কমিটির অনুমোদন নেওয়ার পর কাজ করা যাবে।

এ বিষয়ে উপজেলা শিক্ষা অফিসার, সংশ্লিষ্ট সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার ও উপজেলা প্রকৌশলী বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও ম্যানেজিং কমিটিকে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেবেন। বরাদ্দের টাকা থেকে স্লিপার, সুইং, সিস, হ্যাংগিং রিংস, ল্যাডার ও জিগজ্যাগ
স্থাপন করা যাবে। এসব স্থাপনের পর ছবি তুলে এবং ভিডিও করে তা সংরক্ষণ করতে হবে; যাতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ চাহিবামাত্র তা দেখানো যায়। বিদ্যালয়ে কী ধরনের প্লেইং এক্সেসরিজ স্থাপন করা প্রয়োজন তার তালিকা প্রধান শিক্ষক প্রস্তুত করে সংশ্লিষ্ট ক্লাস্টারের সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসারের মাধ্যমে উপজেলা শিক্ষা অফিসারের কাছে জমা দেবেন।

উপজেলা শিক্ষা অফিসার বরাদ্দ পাওয়া স্কুলের প্লেইং এক্সেসরিজের তালিকা সংগ্রহ করে একত্রে প্রাক্কলন প্রস্তাব তৈরির জন্য উপজেলা প্রকৌশলীর কাছে পাঠাবেন। উপজেলা প্রকৌশলী প্রাক্কলন প্রস্তাব প্রস্তুত করে ফের উপজেলা শিক্ষা অফিসারকে দেবেন। সর্বশেষ, উপজেলা শিক্ষা অফিসার প্রাক্কলন প্রস্তাব উপজেলা শিক্ষা কমিটির অনুমোদনের ব্যবস্থা নেবেন।

শর্তে উল্লেখ রয়েছে, নিরীক্ষার জন্য বিল, ভাউচার ও প্রাক্কলনের কপি উপজেলা শিক্ষা অফিসে সংরক্ষণ করতে হবে। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকও বিল, ভাউচার ও প্রাক্কলনের কপি নিজ বিদ্যালয়ে সংরক্ষণ করবেন। আগামী বছরের ৩০ জুনের মধ্যে বরাদ্দকৃত অর্থ ব্যয় করতে হবে।

Print Friendly, PDF & Email



Source link

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর